ঢাকা ১২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূতের আশা আগস্ট থেকে ব্যাপক পরিবর্তন দেখেছি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:০২:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন বলেছেন, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে আমরা এখানে ব্যাপক পরিবর্তন দেখেছি। আমার মনে হয়, সামনে আরও পরিবর্তন দেখতে থাকব।

বুধবার (২১ জানুয়া‌রি) রাজধানীর ইএমকে সেন্টারে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে যে-ই জয়ী হোক না কেন, তার সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে। বাংলাদেশে কে নির্বাচিত হবে, কে বাংলাদেশে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার হিসেবে দায়িত্ব নেবে, এটি বাংলাদেশের জনগণের একটি সার্বভৌম সিদ্ধান্ত এবং এটি শুধু বাংলাদেশের জনগণেরই সিদ্ধান্ত। এতে অন্য কোনো দেশের বলার কোনো অধিকার নেই।

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেক ইতিবাচক সম্ভাবনা রয়েছে। এমন অনেক ক্ষেত্র আছে যেখানে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি। যেমন- অর্থনীতি, বাণিজ্য, ব্যবসা ও নিরাপত্তার মতো বিষয় রয়েছে।

গত ১২ জানুয়ারি ঢাকায় আসেন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। ১৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন তি‌নি।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে গত ৯ জানুয়ারি শপথ নেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূতের আশা আগস্ট থেকে ব্যাপক পরিবর্তন দেখেছি

প্রকাশিত : ১১:০২:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন বলেছেন, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে আমরা এখানে ব্যাপক পরিবর্তন দেখেছি। আমার মনে হয়, সামনে আরও পরিবর্তন দেখতে থাকব।

বুধবার (২১ জানুয়া‌রি) রাজধানীর ইএমকে সেন্টারে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে যে-ই জয়ী হোক না কেন, তার সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে। বাংলাদেশে কে নির্বাচিত হবে, কে বাংলাদেশে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার হিসেবে দায়িত্ব নেবে, এটি বাংলাদেশের জনগণের একটি সার্বভৌম সিদ্ধান্ত এবং এটি শুধু বাংলাদেশের জনগণেরই সিদ্ধান্ত। এতে অন্য কোনো দেশের বলার কোনো অধিকার নেই।

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেক ইতিবাচক সম্ভাবনা রয়েছে। এমন অনেক ক্ষেত্র আছে যেখানে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি। যেমন- অর্থনীতি, বাণিজ্য, ব্যবসা ও নিরাপত্তার মতো বিষয় রয়েছে।

গত ১২ জানুয়ারি ঢাকায় আসেন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। ১৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন তি‌নি।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে গত ৯ জানুয়ারি শপথ নেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন।