ঢাকা ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হাজতির আত্মহত্যা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:৩৮:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে রফিকুল ইসলাম (২৮) নামের এক হাজতি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কারারক্ষী আরমান জানান, বিকেলের দিকে রফিকুল ইসলাম কেন্দ্রীয় কারাগারে গলায় ফাঁস দিয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পরে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, মো. রফিকুল কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতি হিসেবে ছিলেন। তার হাজতি নং ৩৯১৮ /২৬। তার বাবার নাম আশরাফ আলী। তবে কি মামলার কারাগারে হাজত হিসেবে ছিলেন সে বিষয়টি বলতে পারেননি তিনি।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তার সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে। ময়নাতদন্তের শেষে মরদেহ পরিবারে কাছে হস্তান্তর করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাজতির আত্মহত্যা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে

প্রকাশিত : ১২:৩৮:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে রফিকুল ইসলাম (২৮) নামের এক হাজতি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কারারক্ষী আরমান জানান, বিকেলের দিকে রফিকুল ইসলাম কেন্দ্রীয় কারাগারে গলায় ফাঁস দিয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পরে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, মো. রফিকুল কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতি হিসেবে ছিলেন। তার হাজতি নং ৩৯১৮ /২৬। তার বাবার নাম আশরাফ আলী। তবে কি মামলার কারাগারে হাজত হিসেবে ছিলেন সে বিষয়টি বলতে পারেননি তিনি।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তার সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে। ময়নাতদন্তের শেষে মরদেহ পরিবারে কাছে হস্তান্তর করা হবে।