ঢাকা ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

স্বাধীনতার ৫৫ বছর অপেক্ষার পর সংরক্ষিত হচ্ছে গণকবর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:৩৬:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মহান স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেড়িয়ে অপেক্ষার পর সংরক্ষিত হচ্ছে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ভবানীগঞ্জ বাজার এলাকার গণকবর। ইতিমধ্যে গণকবরটি সংরক্ষণের কাজ শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৩শে মার্চ) দুপুরে গণকবর সংরক্ষণের কাজ পরিদর্শন করেন মৌলভীবাজার-১ বড়লেখা- জুড়ী আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু। এ সময় জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা আক্তার, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মাসুম রেজা, সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান চুনু, ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, আব্দুল কাইয়ুম উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু বলেন, পাক হানাদার বাহিনীর বর্বরচিত হত্যাযজ্ঞের পর লাশগুলো যেসব স্থানে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে এতদিন অযত্নে অবহেলায় ছিল। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত এসব স্থান বর্তমান সরকার সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিয়েছে। সরকারিভাবে গণকবরটি সংরক্ষণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে বর্তমান প্রজন্ম। জুড়ীর ভবানীগঞ্জ বাজার এলাকার গণকবরটিতে আগামী ২৫শে মার্চ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে গণকবরটি সংরক্ষণের মূল কাজের উদ্বোধন হবে।
মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও রাজাকাররা ভবানীগঞ্জ বাজার এলাকায় মুক্তিযুদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের ধরে এনে টর্চারসেলে নির্যাতনের পর হত্যা করে এখানে গণকবর দেয়। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময় মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এই জায়গাটিকে সংরক্ষণের দাবি জানালেও কোন ও সরকার উদ্যোগ নেয়নি। বর্তমান বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সারাদেশেই গণকবর বা বধ্যভূমি সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অংশ হিসাবে জুড়ী উপজেলার ভবানীগঞ্জ বাজার এলাকার জুড়ী মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের গণকবরটি সংরক্ষিত হচ্ছে। এতে সন্তোষ জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।
মুক্তিযুদ্ধারা আরও জানান, দেশ স্বাধীনের পর মুক্তিযোদ্ধারা এলাকায় এসে তাদের আত্মীয়-স্বজনকে খুঁজতে থাকে। ওই বধ্যভূমিতে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা তাদের আত্মীয় স্বজনের লাশ খোঁজে পান। এসময় অনেক নারী পুরুষের লাশ, হাতের বালা-শাখা, কাপড় ও মাথার খুলি ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখেন মুক্তিযোদ্ধাদের।

স্বাধীনতার ৫৫ বছর অপেক্ষার পর সংরক্ষিত হচ্ছে গণকবর

প্রকাশিত : ১০:৩৬:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মহান স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেড়িয়ে অপেক্ষার পর সংরক্ষিত হচ্ছে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ভবানীগঞ্জ বাজার এলাকার গণকবর। ইতিমধ্যে গণকবরটি সংরক্ষণের কাজ শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৩শে মার্চ) দুপুরে গণকবর সংরক্ষণের কাজ পরিদর্শন করেন মৌলভীবাজার-১ বড়লেখা- জুড়ী আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু। এ সময় জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা আক্তার, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মাসুম রেজা, সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান চুনু, ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, আব্দুল কাইয়ুম উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু বলেন, পাক হানাদার বাহিনীর বর্বরচিত হত্যাযজ্ঞের পর লাশগুলো যেসব স্থানে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে এতদিন অযত্নে অবহেলায় ছিল। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত এসব স্থান বর্তমান সরকার সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিয়েছে। সরকারিভাবে গণকবরটি সংরক্ষণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে বর্তমান প্রজন্ম। জুড়ীর ভবানীগঞ্জ বাজার এলাকার গণকবরটিতে আগামী ২৫শে মার্চ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে গণকবরটি সংরক্ষণের মূল কাজের উদ্বোধন হবে।
মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও রাজাকাররা ভবানীগঞ্জ বাজার এলাকায় মুক্তিযুদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের ধরে এনে টর্চারসেলে নির্যাতনের পর হত্যা করে এখানে গণকবর দেয়। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময় মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এই জায়গাটিকে সংরক্ষণের দাবি জানালেও কোন ও সরকার উদ্যোগ নেয়নি। বর্তমান বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সারাদেশেই গণকবর বা বধ্যভূমি সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অংশ হিসাবে জুড়ী উপজেলার ভবানীগঞ্জ বাজার এলাকার জুড়ী মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের গণকবরটি সংরক্ষিত হচ্ছে। এতে সন্তোষ জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।
মুক্তিযুদ্ধারা আরও জানান, দেশ স্বাধীনের পর মুক্তিযোদ্ধারা এলাকায় এসে তাদের আত্মীয়-স্বজনকে খুঁজতে থাকে। ওই বধ্যভূমিতে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা তাদের আত্মীয় স্বজনের লাশ খোঁজে পান। এসময় অনেক নারী পুরুষের লাশ, হাতের বালা-শাখা, কাপড় ও মাথার খুলি ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখেন মুক্তিযোদ্ধাদের।