ঢাকা ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঝড়-শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত শত শত হেক্টর জমির ফসল নীলফামারীতে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:৩৪:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ২০২ বার দেখা হয়েছে

নীলফামারীর বিভিন্ন স্থানে হঠাৎ ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ৪৯৩ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে জেলা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। এরআগে শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে হঠাৎই শুরু হয় ঝড় তার সঙ্গে শিলাবৃষ্টি। এতে ভুট্টা, বোরো ধান, মরিচ ও কলার ব্যাপক ক্ষতি হয়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডোমার, ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে বয়ে যাওয়া ঝড়ের তাণ্ডব ও স্মরণকালের শিলাবৃষ্টির আঘাতে ঘরবাড়ি এবং উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষি বিভাগ মাঠপর্যায়ে প্রাথমিকভাবে একটি ক্ষয়ক্ষতির হিসাব প্রকাশ করেছে।

এতে জানানো হয়েছে- ভুট্টা ৩২৫ হেক্টর, বোরো ধান ১৫০ হেক্টর, মরিচ ১৫ হেক্টর ও কলা ৩ হেক্টর জমির ক্ষতি হয়েছে। এরমধ্যে ডিমলা উপজেলার ডিমলা সদর, পূর্ব ছাতনাই ও ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নে ৭৫ হেক্টর ভুট্টা, ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ি ইউনিয়নের বোরো ধান ১৫০, ভুট্টা ২০০, মরিচ ১৫ ও কলা ৩ হেক্টর এবং জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল ও শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের ৫০ হেক্টর জমির ভুট্টার জমির ক্ষতি হয়েছে।

নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) জাকির হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, জেলায় বোরো, ভুট্টা, মরিচ ও কলা ফসলের অর্জিত জমির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১৫ হাজার ৯১৩ হেক্টর। এতে ৪৯৩ হেক্টর জমির ক্ষতি হয়ে বর্তমানে ১ লাখ ১৪ হাজার ৮৪৩ হেক্টর ফসলি জমি রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া গেছে। ক্ষয়ক্ষতির নিরূপণের হিসাব চলমান রয়েছে। চূড়ান্ত রিপোর্ট আসলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

সাবেক এমপি জাফর ও তাঁর স্ত্রীর কাছে সম্পত্তির হিসাব তলব

ঝড়-শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত শত শত হেক্টর জমির ফসল নীলফামারীতে

প্রকাশিত : ১০:৩৪:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

নীলফামারীর বিভিন্ন স্থানে হঠাৎ ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ৪৯৩ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে জেলা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। এরআগে শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে হঠাৎই শুরু হয় ঝড় তার সঙ্গে শিলাবৃষ্টি। এতে ভুট্টা, বোরো ধান, মরিচ ও কলার ব্যাপক ক্ষতি হয়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডোমার, ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে বয়ে যাওয়া ঝড়ের তাণ্ডব ও স্মরণকালের শিলাবৃষ্টির আঘাতে ঘরবাড়ি এবং উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষি বিভাগ মাঠপর্যায়ে প্রাথমিকভাবে একটি ক্ষয়ক্ষতির হিসাব প্রকাশ করেছে।

এতে জানানো হয়েছে- ভুট্টা ৩২৫ হেক্টর, বোরো ধান ১৫০ হেক্টর, মরিচ ১৫ হেক্টর ও কলা ৩ হেক্টর জমির ক্ষতি হয়েছে। এরমধ্যে ডিমলা উপজেলার ডিমলা সদর, পূর্ব ছাতনাই ও ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নে ৭৫ হেক্টর ভুট্টা, ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ি ইউনিয়নের বোরো ধান ১৫০, ভুট্টা ২০০, মরিচ ১৫ ও কলা ৩ হেক্টর এবং জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল ও শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের ৫০ হেক্টর জমির ভুট্টার জমির ক্ষতি হয়েছে।

নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) জাকির হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, জেলায় বোরো, ভুট্টা, মরিচ ও কলা ফসলের অর্জিত জমির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১৫ হাজার ৯১৩ হেক্টর। এতে ৪৯৩ হেক্টর জমির ক্ষতি হয়ে বর্তমানে ১ লাখ ১৪ হাজার ৮৪৩ হেক্টর ফসলি জমি রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া গেছে। ক্ষয়ক্ষতির নিরূপণের হিসাব চলমান রয়েছে। চূড়ান্ত রিপোর্ট আসলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।