ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এনবিআর ও বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থপাচার রোধে সিস্টেমে আন্তঃসংযোগ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০২:৫৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ২১৯ বার দেখা হয়েছে

আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বাণিজ্যভিত্তিক অর্থপাচার (ট্রেড বেজড মানি লন্ডারিং) প্রতিরোধে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও বাংলাদেশ ব্যাংক। এর অংশ হিসেবে এনবিআরের ‘অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড’ সিস্টেমের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রানজ্যাকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (এফএক্সটিএমএস)-এর আন্তঃসংযোগ স্থাপন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এই ডিজিটাল আন্তঃসংযোগের পাইলট কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।

এনবিআরের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আগে আমদানিকৃত পণ্যের কমার্শিয়াল ইনভয়েস ব্যাংকের মাধ্যমে সত্যায়ন করে কাস্টমস অফিসে হার্ডকপি আকারে জমা দিতে হতো। নতুন ব্যবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংকের এফএক্সটিএমএস থেকে ইনভয়েসের তথ্য ‘রিয়েল-টাইম’ ভিত্তিতে সরাসরি কাস্টমসের অ্যাসাইকুডা সিস্টেমে যুক্ত হবে। ফলে আলাদা করে ইনভয়েস জমা দেওয়ার প্রয়োজন থাকবে না, যা পুরো প্রক্রিয়াকে দ্রুত ও স্বচ্ছ করবে।

এনবিআর বলছে, এই আন্তঃসংযোগের ফলে কমার্শিয়াল ইনভয়েস যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক হওয়ায় মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে পণ্যের মূল্য কম বা বেশি দেখিয়ে অর্থপাচারের সুযোগ কমে আসবে। একই সঙ্গে রাজস্ব ফাঁকি বন্ধ এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী হবে।

সিস্টেমের আন্তঃসংযোগের সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে-

কমার্শিয়াল ইনভয়েস যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে অনলাইন ও রিয়েল-টাইম ভিত্তিক হবে; কাগজপত্রের ওপর নির্ভরতা হ্রাস পাবে; রাজস্ব ফাঁকির প্রচেষ্টা প্রতিহত করার মাধ্যমে রাজস্ব সুরক্ষিত হবে; রাজস্ব ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে; আমদানি-রপ্তানি পণ্যের খালাস প্রক্রিয়া সহজ, দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত হবে; ট্রেডবেইজড মানি লন্ডারিং হ্রাস পাবে এবং পণ্য মূল্য নির্ধারণে একটি নির্ভরযোগ্য ডাটাবেজ তৈরি হবে বলে জানা গেছে।

পাইলটিং কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে বিল অব এন্ট্রিতে আবশ্যিকভাবে কমার্শিয়াল ইনভয়েস সংযোজন কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে বলেও জানা গেছে।

 

মাদারীপুরে মাসিক আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত আশরাফুর রহমান হাকিম, মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুরের কালকিনিতে মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও মাসিক সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাস। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান তালুকদার খোকন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বেপারী, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুব হোসেন মুন্সিসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা। সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, যানজট, বাজার ব্যবস্থাপনা, জনসাধারণের নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমসহ স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা ও সমন্বয়ের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি জনসাধারণের সেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এনবিআর ও বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থপাচার রোধে সিস্টেমে আন্তঃসংযোগ

প্রকাশিত : ০২:৫৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বাণিজ্যভিত্তিক অর্থপাচার (ট্রেড বেজড মানি লন্ডারিং) প্রতিরোধে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও বাংলাদেশ ব্যাংক। এর অংশ হিসেবে এনবিআরের ‘অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড’ সিস্টেমের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রানজ্যাকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (এফএক্সটিএমএস)-এর আন্তঃসংযোগ স্থাপন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এই ডিজিটাল আন্তঃসংযোগের পাইলট কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।

এনবিআরের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আগে আমদানিকৃত পণ্যের কমার্শিয়াল ইনভয়েস ব্যাংকের মাধ্যমে সত্যায়ন করে কাস্টমস অফিসে হার্ডকপি আকারে জমা দিতে হতো। নতুন ব্যবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংকের এফএক্সটিএমএস থেকে ইনভয়েসের তথ্য ‘রিয়েল-টাইম’ ভিত্তিতে সরাসরি কাস্টমসের অ্যাসাইকুডা সিস্টেমে যুক্ত হবে। ফলে আলাদা করে ইনভয়েস জমা দেওয়ার প্রয়োজন থাকবে না, যা পুরো প্রক্রিয়াকে দ্রুত ও স্বচ্ছ করবে।

এনবিআর বলছে, এই আন্তঃসংযোগের ফলে কমার্শিয়াল ইনভয়েস যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক হওয়ায় মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে পণ্যের মূল্য কম বা বেশি দেখিয়ে অর্থপাচারের সুযোগ কমে আসবে। একই সঙ্গে রাজস্ব ফাঁকি বন্ধ এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী হবে।

সিস্টেমের আন্তঃসংযোগের সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে-

কমার্শিয়াল ইনভয়েস যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে অনলাইন ও রিয়েল-টাইম ভিত্তিক হবে; কাগজপত্রের ওপর নির্ভরতা হ্রাস পাবে; রাজস্ব ফাঁকির প্রচেষ্টা প্রতিহত করার মাধ্যমে রাজস্ব সুরক্ষিত হবে; রাজস্ব ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে; আমদানি-রপ্তানি পণ্যের খালাস প্রক্রিয়া সহজ, দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত হবে; ট্রেডবেইজড মানি লন্ডারিং হ্রাস পাবে এবং পণ্য মূল্য নির্ধারণে একটি নির্ভরযোগ্য ডাটাবেজ তৈরি হবে বলে জানা গেছে।

পাইলটিং কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে বিল অব এন্ট্রিতে আবশ্যিকভাবে কমার্শিয়াল ইনভয়েস সংযোজন কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে বলেও জানা গেছে।