ঢাকা ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি নিতে লাগবে বৈধ কাগজপত্র রাজবাড়ীতে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৬:৪৩:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ২২২ বার দেখা হয়েছে

ড্রাইভিং লাইসেন্স ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন। সবধরনের অবৈধ মোটরযানে জ্বালানি তেল সরবরাহ না করতে ফিলিং স্টেশন ও এজেন্সিগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুর ১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে রাজবাড়ীতে জ্বালানি তেলের চাহিদা, মজুত ও সরবরাহ পরিস্থিতিসমূহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, তেলের একটি বৈশ্বিক সমস্যা চলছে। তেল নিয়ে এখন মানুষ বেশি উদ্বিগ্ন। তেলের এই সংকটময় মুহূর্তে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যাদের বৈধ লাইসেন্স নেই ও রেজিস্ট্রেশন নেই তাদের আমরা তেল দেব না। অর্থাৎ অননুমোদিত যানবাহনে আমরা তেল দেব না।

তিনি বলেন, যে ট্রাক্টর জমি চাষের ক্ষেত্রে ব্যবহার হওয়ার কথা কিন্তু সেটা রাস্তায় চলছে সেটাতে তেল দেওয়া হবে না। ট্রাক্টর যদি রাস্তায় চলে তাহলে ইউএনওরা মোবাইল কোর্ট করে জরিমানা ও শাস্তি দেবে। নসিমন, করিমন এগুলো অননুমোদিত যানবাহন, এগুলো রাস্তায় চলবে না, হাইওয়েতে এগুলো চলার কোনো সুযোগ নেই। এজন্য আমাদেরকে সচেতন হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার জন্য আমরা সমগ্র জেলার জন্য একটা অ্যাপস করার চিন্তা করছি। এটা নিয়ে আমার দুইজন ইউএনও অলরেডি কাজ করছে। আপাতত যতদিন অ্যাপস রেডি না হচ্ছে ততদিন কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের তালিকা করে তাদের তেল দেওয়া হবে, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে হ্যাচারি মালিকদের তালিকা করে তাদের তেল দেওয়া হবে। আমাদের তেলের এই ক্রাইসিসটা সবাইকে মিলেমিশে মেকাপ করতে হবে। তেল ডিসি বাড়ি নিয়ে যাবে না, ইউএনও বাড়ি নিয়ে যাবে না। যে পরিমাণ তেল আসবে আমরা সেটার সুষ্ঠু বণ্টন করবো, যাতে সবাই তার প্রয়োজন মেটাতে পারে।

ফিলিং স্টেশন মালিকদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, কৃষক কিংবা যারা জেনারেটর চালাবে তাদেরক বোতলে বা জারে ডিজেল দেওয়া যাবে কিন্তু পেট্রোল বা অকটেন বোতল বা জারে দেওয়া যাবে না। সেগুলো যানবাহনে দিতে হবে।

জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ প্রমুখ বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ক্যান বা জারে তেল বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। এটা কঠোরভাবে নজরদারি করা হবে। দরকার হলে ফিলিং স্টেশনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। ফিলিং স্টেশনের কর্তৃপক্ষ, স্টাফ ও মালিকদের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. তারিফ-উল-হাসানের সঞ্চালনায় পাংশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রিফাতুল হক, কালুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মেজবাহ উদ্দিনসহ রাজনৈতিক ব্যক্তি, জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনের মালিকরা বক্তব্য দেন।

অ্যাপ্লাইড আইসিটি পড়াতে ৯০০ মাস্টার ট্রেইনার তৈরির উদ্যোগ

জ্বালানি নিতে লাগবে বৈধ কাগজপত্র রাজবাড়ীতে

প্রকাশিত : ০৬:৪৩:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ড্রাইভিং লাইসেন্স ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন। সবধরনের অবৈধ মোটরযানে জ্বালানি তেল সরবরাহ না করতে ফিলিং স্টেশন ও এজেন্সিগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুর ১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে রাজবাড়ীতে জ্বালানি তেলের চাহিদা, মজুত ও সরবরাহ পরিস্থিতিসমূহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, তেলের একটি বৈশ্বিক সমস্যা চলছে। তেল নিয়ে এখন মানুষ বেশি উদ্বিগ্ন। তেলের এই সংকটময় মুহূর্তে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যাদের বৈধ লাইসেন্স নেই ও রেজিস্ট্রেশন নেই তাদের আমরা তেল দেব না। অর্থাৎ অননুমোদিত যানবাহনে আমরা তেল দেব না।

তিনি বলেন, যে ট্রাক্টর জমি চাষের ক্ষেত্রে ব্যবহার হওয়ার কথা কিন্তু সেটা রাস্তায় চলছে সেটাতে তেল দেওয়া হবে না। ট্রাক্টর যদি রাস্তায় চলে তাহলে ইউএনওরা মোবাইল কোর্ট করে জরিমানা ও শাস্তি দেবে। নসিমন, করিমন এগুলো অননুমোদিত যানবাহন, এগুলো রাস্তায় চলবে না, হাইওয়েতে এগুলো চলার কোনো সুযোগ নেই। এজন্য আমাদেরকে সচেতন হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার জন্য আমরা সমগ্র জেলার জন্য একটা অ্যাপস করার চিন্তা করছি। এটা নিয়ে আমার দুইজন ইউএনও অলরেডি কাজ করছে। আপাতত যতদিন অ্যাপস রেডি না হচ্ছে ততদিন কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের তালিকা করে তাদের তেল দেওয়া হবে, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে হ্যাচারি মালিকদের তালিকা করে তাদের তেল দেওয়া হবে। আমাদের তেলের এই ক্রাইসিসটা সবাইকে মিলেমিশে মেকাপ করতে হবে। তেল ডিসি বাড়ি নিয়ে যাবে না, ইউএনও বাড়ি নিয়ে যাবে না। যে পরিমাণ তেল আসবে আমরা সেটার সুষ্ঠু বণ্টন করবো, যাতে সবাই তার প্রয়োজন মেটাতে পারে।

ফিলিং স্টেশন মালিকদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, কৃষক কিংবা যারা জেনারেটর চালাবে তাদেরক বোতলে বা জারে ডিজেল দেওয়া যাবে কিন্তু পেট্রোল বা অকটেন বোতল বা জারে দেওয়া যাবে না। সেগুলো যানবাহনে দিতে হবে।

জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ প্রমুখ বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ক্যান বা জারে তেল বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। এটা কঠোরভাবে নজরদারি করা হবে। দরকার হলে ফিলিং স্টেশনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। ফিলিং স্টেশনের কর্তৃপক্ষ, স্টাফ ও মালিকদের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. তারিফ-উল-হাসানের সঞ্চালনায় পাংশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রিফাতুল হক, কালুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মেজবাহ উদ্দিনসহ রাজনৈতিক ব্যক্তি, জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনের মালিকরা বক্তব্য দেন।