দেশের শেয়ারবাজারকে তেজি করার জন্য সরকারের হাতে ধারণকৃত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার দ্রুত সময়ের মধ্যে বেসরকারি মালিকানায় ছেড়ে দেওয়া উচিত বলে মনে করেন সুশীল সমাজের ৯৫ শতাংশ নাগরিক। এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এক উপস্থিত জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।
সোমবার রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপ চলাকালীন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ১০৫ জনের মতামতের ভিত্তিতে এই জরিপটি করা হয়। এতে শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের কাছে মোট আটটি বিষয়ের ওপর মতামত জানতে চাওয়া হয়। এতে প্রত্যেকটি প্রশ্নের মতামতে ‘পক্ষে’ বা ‘বিপক্ষে’ ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়। এরমধ্যে কালো টাকা সাদা করা, মোটরসাইকেলকে অগ্রিম আয়করের আওতায় আনা, সরকারের ধারণকৃত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসমূহের মালিকানা দ্রুত শেয়ারবাজারে ছাড়া এবং ব্যর্থ ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) আমানতকারীদের অর্থ পরিশোধে বাজেট থেকে অর্থ দেওয়ার বিষয়ে মতামত চাওয়া ছিল অন্যতম।
বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে সরকারি মালিকানা কমানোর বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে সংলাপের সভাপতি এবং নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সিপিডি ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, দেশের শেয়ারবাজারে খুবই দৈন্যদশা বিরাজ করছে। এমন সময়ে সরকারের ধারণ করা লাভজনক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার দ্রুত সময়ে শেয়ারবাজারে ছাড়া উচিত কি-না? এছাড়া সরকারের কাছে কয়েকটি বহুজাতিক কোম্পানির মালিকানা রয়েছে, সেগুলোও শেয়ারবাজারে ছাড়া উচিত কি-না? এই বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে আপনারা মতামত জানাবেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















