ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

ডিএসসিসি গোলাপবাগ থেকে সায়েদাবাদ পর্যন্ত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলো

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:১৮:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

রাজধানীর গোলাপবাগ থেকে সায়েদাবাদ পর্যন্ত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।

রোববার (২১ জুন) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম জানান, অভিযানটি গোলাপবাগ এলাকা হতে শুরু করে সায়েদাবাদ এলাকা পর্যন্ত পরিচালিত হয়। এ সময় রাস্তার উভয় পাশে ফুটপাত ও সড়কের উপর অবৈধভাবে স্থাপিত বিভিন্ন দোকানপাট, অস্থায়ী স্থাপনা এবং দখলকৃত সামগ্রী উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানের মাধ্যমে পথচারীদের চলাচলের জন্য ফুটপাত এবং যানবাহন চলাচলের জন্য সড়ক উন্মুক্ত ও পরিষ্কার করা হয়।

তিনি বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন জনস্বার্থে নগরীর ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করে আসছে। নগরবাসীর নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে এ ধরনের উচ্ছেদ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সাবেক এমপি সেলিমা আহমাদ মারা গেছেন

ডিএসসিসি গোলাপবাগ থেকে সায়েদাবাদ পর্যন্ত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলো

প্রকাশিত : ১২:১৮:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

রাজধানীর গোলাপবাগ থেকে সায়েদাবাদ পর্যন্ত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।

রোববার (২১ জুন) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম জানান, অভিযানটি গোলাপবাগ এলাকা হতে শুরু করে সায়েদাবাদ এলাকা পর্যন্ত পরিচালিত হয়। এ সময় রাস্তার উভয় পাশে ফুটপাত ও সড়কের উপর অবৈধভাবে স্থাপিত বিভিন্ন দোকানপাট, অস্থায়ী স্থাপনা এবং দখলকৃত সামগ্রী উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানের মাধ্যমে পথচারীদের চলাচলের জন্য ফুটপাত এবং যানবাহন চলাচলের জন্য সড়ক উন্মুক্ত ও পরিষ্কার করা হয়।

তিনি বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন জনস্বার্থে নগরীর ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করে আসছে। নগরবাসীর নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে এ ধরনের উচ্ছেদ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।