ঢাকা ০১:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সরকার বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের জন্য আস্থার পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:১১:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশকে বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে চায় সরকার। চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠাতব্য সামার দাভোস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত’ বার্তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি আস্থাশীল ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) চীনের দালিয়ানে শাংগ্রি-লা হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

মাহদী আমিন বলেন, ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম আয়োজিত সামার দাভোস ২০২৬ বর্তমানে চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই সম্মেলনের এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে – ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’। সম্মেলনে বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের সরকারি প্রতিনিধিদল, রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, শীর্ষ ব্যবসায়ী, প্রযুক্তি উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ এবং করপোরেট নেতারা অংশ নিচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন,  এই সম্মেলনে অংশগ্রহণের মূল লক্ষ্য বাংলাদেশে অধিকতর বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্বের সঙ্গে আরও গভীরভাবে সংযুক্ত করা। একই সঙ্গে ‘বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত’ বার্তার মাধ্যমে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি আস্থাশীল ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

এর আগে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এ প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকার কীভাবে বিনিয়োগ বাড়াতে পারে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে, দেশের মানুষকে অগ্রযাত্রার পথে ধাবিত করতে পারে, সেগুলো নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। এ সময় সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির প্রশংসা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে এমন একজন স্টেটসম্যান প্রতিনিধিত্ব করছেন, যিনি সমতা, ন্যায্যতা ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে প্রতিটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে কার্যকরভাবে ধারণ করছেন; একই সঙ্গে নিশ্চিত করছেন বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশের আত্মমর্যাদা, সম্মান ও দৃঢ় অবস্থান।

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য একদিকে যেমন নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে, অন্যদিকে বিভিন্ন দেশের শ্রেষ্ঠ অভিজ্ঞতা ও কার্যকর কৌশল (বেস্ট প্র্যাকটিস) গ্রহণের মাধ্যমে আমাদের জাতীয় সক্ষমতাকে আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও  ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।

সিন্ধুর পানি নিয়ে পাকিস্তানের যুদ্ধের হুমকি, যা বলল ভারত

সরকার বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের জন্য আস্থার পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায়

প্রকাশিত : ১২:১১:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

বাংলাদেশকে বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে চায় সরকার। চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠাতব্য সামার দাভোস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত’ বার্তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি আস্থাশীল ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) চীনের দালিয়ানে শাংগ্রি-লা হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

মাহদী আমিন বলেন, ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম আয়োজিত সামার দাভোস ২০২৬ বর্তমানে চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই সম্মেলনের এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে – ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’। সম্মেলনে বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের সরকারি প্রতিনিধিদল, রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, শীর্ষ ব্যবসায়ী, প্রযুক্তি উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ এবং করপোরেট নেতারা অংশ নিচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন,  এই সম্মেলনে অংশগ্রহণের মূল লক্ষ্য বাংলাদেশে অধিকতর বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্বের সঙ্গে আরও গভীরভাবে সংযুক্ত করা। একই সঙ্গে ‘বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত’ বার্তার মাধ্যমে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি আস্থাশীল ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

এর আগে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এ প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকার কীভাবে বিনিয়োগ বাড়াতে পারে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে, দেশের মানুষকে অগ্রযাত্রার পথে ধাবিত করতে পারে, সেগুলো নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। এ সময় সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির প্রশংসা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে এমন একজন স্টেটসম্যান প্রতিনিধিত্ব করছেন, যিনি সমতা, ন্যায্যতা ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে প্রতিটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে কার্যকরভাবে ধারণ করছেন; একই সঙ্গে নিশ্চিত করছেন বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশের আত্মমর্যাদা, সম্মান ও দৃঢ় অবস্থান।

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য একদিকে যেমন নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে, অন্যদিকে বিভিন্ন দেশের শ্রেষ্ঠ অভিজ্ঞতা ও কার্যকর কৌশল (বেস্ট প্র্যাকটিস) গ্রহণের মাধ্যমে আমাদের জাতীয় সক্ষমতাকে আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও  ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।