ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

বৈশ্বিক তেল সরবরাহ নিয়ে জাতিসংঘের সংস্থার সতর্কবার্তা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০১:২৬:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে তেল সরবরাহ নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা (আইইএ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, এ ঘটনায় বৈশ্বিক তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার প্রক্রিয়া হুমকির মুখে পড়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘের এ সংস্থাটি জানিয়েছে, সংঘাত পুনরায় শুরু হলে জ্বালানি বাজার দ্রুত স্বাভাবিক হওয়ার আশা ভেস্তে যেতে পারে।

আইইএ তাদের সর্বশেষ মাসিক তেলের বাজার প্রতিবেদনে বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত অব্যাহত থাকায় উৎপাদন ও রপ্তানি ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে ২০২০ সালের পর প্রথমবারের মতো চলতি বছরে বিশ্বব্যাপী তেলের চাহিদা কমার পথে রয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের পর বাজার স্বাভাবিক হতে শুরু করেছিল। কিন্তু নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

আইইএ জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দৈনিক প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ কমে গেছে। জ্বালানির এই ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধি বিশ্ব অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

জাতিসংঘের এ সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়ার পর জুন মাসে বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ দৈনিক ৪১ লাখ ব্যারেল বেড়েছে। তবে এই সরবরাহ যুদ্ধ-পূর্ব সময়ের তুলনায় দৈনিক ৯৪ লাখ ব্যারেল কম ছিল।

আইইএর পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রণালিতে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় থাকলে ২০২৭ সালে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে দৈনিক ৪৬ দশমিক ২ লাখ ব্যারেল উদ্বৃত্ত থাকবে। অন্যদিকে, ২০২৬ সালে দৈনিক ৮ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল ঘাটতি থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈশ্বিক তেল সরবরাহ নিয়ে জাতিসংঘের সংস্থার সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ০১:২৬:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে তেল সরবরাহ নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা (আইইএ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, এ ঘটনায় বৈশ্বিক তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার প্রক্রিয়া হুমকির মুখে পড়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘের এ সংস্থাটি জানিয়েছে, সংঘাত পুনরায় শুরু হলে জ্বালানি বাজার দ্রুত স্বাভাবিক হওয়ার আশা ভেস্তে যেতে পারে।

আইইএ তাদের সর্বশেষ মাসিক তেলের বাজার প্রতিবেদনে বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত অব্যাহত থাকায় উৎপাদন ও রপ্তানি ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে ২০২০ সালের পর প্রথমবারের মতো চলতি বছরে বিশ্বব্যাপী তেলের চাহিদা কমার পথে রয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের পর বাজার স্বাভাবিক হতে শুরু করেছিল। কিন্তু নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

আইইএ জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দৈনিক প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ কমে গেছে। জ্বালানির এই ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধি বিশ্ব অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

জাতিসংঘের এ সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়ার পর জুন মাসে বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ দৈনিক ৪১ লাখ ব্যারেল বেড়েছে। তবে এই সরবরাহ যুদ্ধ-পূর্ব সময়ের তুলনায় দৈনিক ৯৪ লাখ ব্যারেল কম ছিল।

আইইএর পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রণালিতে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় থাকলে ২০২৭ সালে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে দৈনিক ৪৬ দশমিক ২ লাখ ব্যারেল উদ্বৃত্ত থাকবে। অন্যদিকে, ২০২৬ সালে দৈনিক ৮ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল ঘাটতি থাকবে।