ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সাত বছর পর আজ বিএনপির বর্ধিত সভা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:২৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৩৩৪ বার দেখা হয়েছে

সাত বছর পর আজ বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিএনপির বহুল প্রতীক্ষিত বর্ধিত সভা। বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে বসছে এই সভা।

নেতারা বলছেন, বর্ধিত সভায় প্রাধান্য পাবে তৃণমূলের মতামত, সেই সাথে দলকে জাতীয় নির্বাচনমুখী করতে এ বৈঠকে চূড়ান্ত হতে পারে সাংগঠনিক কর্মসূচিও।

সবশেষ ২০১৮ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে গ্রেপ্তার আতঙ্কের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভা। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ দলের নির্বাহী কমিটির প্রায় ৮০ ভাগ সদস্য সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন। এবার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মুক্ত পরিবেশে বর্ধিত সভা বিএনপির। সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা, জেলা, মহানগর, থানা, উপজেলার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, গত নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা অংশ নেবেন।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের দুঃশাসনের কারণে আমরা আমাদের সাংগঠিন কর্মকাণ্ড তা তেমনভাবে আমরা করতে পারি নাই। ৫ আগস্টের পর সারা বাংলাদেশে আমরা সাংঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধি করেছি। আমাদের চার হাজার নেতৃবৃন্দ এই সভায় অংশগ্রহণ করবেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন।’

এবারের সভায় গুরুত্ব পাচ্ছে মূলত চারটি ইস্যু। এর মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছাড়াও রয়েছে ৫ আগস্ট পরবর্তী পরিস্থিতি, দলীয় শৃঙ্খলা এবং মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়। তৃণমূল নেতাদের মতামতের ভিত্তিতেই ভবিষ্যত সিদ্ধান্ত নিতে চায় দল।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘একটা পার্টির অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাতো এমনই। মতামতের মাধ্যমে পার্টির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়। বর্ধিত সভায় সারা দেশ থেকে যারা আসবে তারা তাদের কথাগুলো বলবে। দলের নেতা-কর্মীরা কী ভাবছে তা সেখানে প্রতিফলিত হবে।’

১৯৯৭ সালের পর বড় পরিসরে বর্ধিত সভা এবারই প্রথম। বর্ধিত সভা সকাল ১০টা থেকে রাত পর্যন্ত চলবে। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে প্রস্তুতি। সারা দেশ থেকে আসা প্রায় চার হাজার নেতা সভায় যোগ দেবেন।

পিরোজপুর দারুল কুরআন মহিলা আলিম মাদ্রাসায় ফল উৎসব অনুষ্ঠিত

সাত বছর পর আজ বিএনপির বর্ধিত সভা

প্রকাশিত : ১০:২৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সাত বছর পর আজ বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিএনপির বহুল প্রতীক্ষিত বর্ধিত সভা। বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে বসছে এই সভা।

নেতারা বলছেন, বর্ধিত সভায় প্রাধান্য পাবে তৃণমূলের মতামত, সেই সাথে দলকে জাতীয় নির্বাচনমুখী করতে এ বৈঠকে চূড়ান্ত হতে পারে সাংগঠনিক কর্মসূচিও।

সবশেষ ২০১৮ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে গ্রেপ্তার আতঙ্কের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভা। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ দলের নির্বাহী কমিটির প্রায় ৮০ ভাগ সদস্য সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন। এবার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মুক্ত পরিবেশে বর্ধিত সভা বিএনপির। সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা, জেলা, মহানগর, থানা, উপজেলার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, গত নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা অংশ নেবেন।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের দুঃশাসনের কারণে আমরা আমাদের সাংগঠিন কর্মকাণ্ড তা তেমনভাবে আমরা করতে পারি নাই। ৫ আগস্টের পর সারা বাংলাদেশে আমরা সাংঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধি করেছি। আমাদের চার হাজার নেতৃবৃন্দ এই সভায় অংশগ্রহণ করবেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন।’

এবারের সভায় গুরুত্ব পাচ্ছে মূলত চারটি ইস্যু। এর মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছাড়াও রয়েছে ৫ আগস্ট পরবর্তী পরিস্থিতি, দলীয় শৃঙ্খলা এবং মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়। তৃণমূল নেতাদের মতামতের ভিত্তিতেই ভবিষ্যত সিদ্ধান্ত নিতে চায় দল।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘একটা পার্টির অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাতো এমনই। মতামতের মাধ্যমে পার্টির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়। বর্ধিত সভায় সারা দেশ থেকে যারা আসবে তারা তাদের কথাগুলো বলবে। দলের নেতা-কর্মীরা কী ভাবছে তা সেখানে প্রতিফলিত হবে।’

১৯৯৭ সালের পর বড় পরিসরে বর্ধিত সভা এবারই প্রথম। বর্ধিত সভা সকাল ১০টা থেকে রাত পর্যন্ত চলবে। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে প্রস্তুতি। সারা দেশ থেকে আসা প্রায় চার হাজার নেতা সভায় যোগ দেবেন।