ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

নেপাল ফের আকস্মিক বানের মুখে: জারি উচ্চ সতর্কতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৬:৩৩:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

মাত্র ২ দিন আগে নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা বা হড়পা বানের পর সেখানে চলছে উদ্ধারকাজ; কিন্তু এর মধ্যেই ফের নতুন করে বানের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে সেখানে।

শুক্রবার তিব্বতের দিকে তৈরি হওয়া একটি ব্যারিয়ার হ্রদ উপচে পড়ার খবর আসতেই রসুয়া এলাকায় উদ্ধারকাজ সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ত্রিশূলী নদীতে জলস্তর বাড়ার আশঙ্কায় চিতওয়ান ও ধাদিংয়ে হড়পা বানের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীর কাছাকাছি থাকা মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে বলা হয়েছে।

‘ব্যারিয়ার হ্রদ’ হলো এমন এক ধরনের হ্রদ, যা সাধারণত কোনও নদী বা জলপ্রবাহের পথ প্রাকৃতিক বাধায় আটকে গিয়ে তৈরি হয়। বুধবার নেপাল-তিব্বতে যে ভয়াবহ আকস্মিক বান দেখা দিলো, সেটির কারণও একটি ব্যারিয়ার হ্রদ। তুষার ধসের জেরে নেপাল চীন সীমন্তবর্তী ভোতি কোশি নদীর শাখানদী লেহেন্দে নদী একাংশ একটি ব্যারিয়ার হ্রদ তৈরি হয়েছিল। নদীর পানিপ্রবাহের প্রবল চাপে একসময় সেই হ্রদ ভেঙে পড়ে এবং আটকে থাকা লাখ লাখ ঘনমিটার মিটার পানি লেহেন্দ নদী থেকে প্রবেশ করে ভোতিকোশিতে। তার জেরেই বুধবার বেলা ১০টা ৩০ মিনিটে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয় নেপালের সীমান্তবর্তী জেলা রাসুয়া এবং তিব্বতের সীমান্তবর্তী জেলা গিরংয়ে।

আজ শুক্রবার সকালে নেপালের রসুয়া জেলার প্রশাসনের কাছে খবর আসে, সীমান্তের ওপারে তৈরি হওয়া একটি জলাধারের বাঁধ ভেঙে পানি বেরিয়ে আসছে। এরপরই নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে বলে জানান রসুয়া জেলার জেলা প্রশাসক নরেন্দ্র পারিয়ার।

তবে জলস্তর ঠিক কতটা বেড়েছে, সেই সময় তা স্পষ্ট ছিল না। চীনের জলসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ছোছেন খোলা এবং পুরেপু সাংপো নদীর সংযোগস্থলের কাছে একটি বড় ব্যারিয়ার হ্রদ তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালেই সেখানে প্রায় ২০ লক্ষ ঘনমিটার পানি জমেছিল এবং পরে সেটি উপচে পড়তে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে তিব্বতের গিরং সীমান্ত বন্দরের কাছেও উদ্ধারকাজ সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। ব্যারিয়ার হ্রদে পানির চাপ বাড়ায় নতুন করে বন্যা হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনায় বৃক্ষহত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ডেপুটি স্পিকারের

নেপাল ফের আকস্মিক বানের মুখে: জারি উচ্চ সতর্কতা

প্রকাশিত : ০৬:৩৩:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

মাত্র ২ দিন আগে নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা বা হড়পা বানের পর সেখানে চলছে উদ্ধারকাজ; কিন্তু এর মধ্যেই ফের নতুন করে বানের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে সেখানে।

শুক্রবার তিব্বতের দিকে তৈরি হওয়া একটি ব্যারিয়ার হ্রদ উপচে পড়ার খবর আসতেই রসুয়া এলাকায় উদ্ধারকাজ সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ত্রিশূলী নদীতে জলস্তর বাড়ার আশঙ্কায় চিতওয়ান ও ধাদিংয়ে হড়পা বানের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীর কাছাকাছি থাকা মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে বলা হয়েছে।

‘ব্যারিয়ার হ্রদ’ হলো এমন এক ধরনের হ্রদ, যা সাধারণত কোনও নদী বা জলপ্রবাহের পথ প্রাকৃতিক বাধায় আটকে গিয়ে তৈরি হয়। বুধবার নেপাল-তিব্বতে যে ভয়াবহ আকস্মিক বান দেখা দিলো, সেটির কারণও একটি ব্যারিয়ার হ্রদ। তুষার ধসের জেরে নেপাল চীন সীমন্তবর্তী ভোতি কোশি নদীর শাখানদী লেহেন্দে নদী একাংশ একটি ব্যারিয়ার হ্রদ তৈরি হয়েছিল। নদীর পানিপ্রবাহের প্রবল চাপে একসময় সেই হ্রদ ভেঙে পড়ে এবং আটকে থাকা লাখ লাখ ঘনমিটার মিটার পানি লেহেন্দ নদী থেকে প্রবেশ করে ভোতিকোশিতে। তার জেরেই বুধবার বেলা ১০টা ৩০ মিনিটে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয় নেপালের সীমান্তবর্তী জেলা রাসুয়া এবং তিব্বতের সীমান্তবর্তী জেলা গিরংয়ে।

আজ শুক্রবার সকালে নেপালের রসুয়া জেলার প্রশাসনের কাছে খবর আসে, সীমান্তের ওপারে তৈরি হওয়া একটি জলাধারের বাঁধ ভেঙে পানি বেরিয়ে আসছে। এরপরই নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে বলে জানান রসুয়া জেলার জেলা প্রশাসক নরেন্দ্র পারিয়ার।

তবে জলস্তর ঠিক কতটা বেড়েছে, সেই সময় তা স্পষ্ট ছিল না। চীনের জলসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ছোছেন খোলা এবং পুরেপু সাংপো নদীর সংযোগস্থলের কাছে একটি বড় ব্যারিয়ার হ্রদ তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালেই সেখানে প্রায় ২০ লক্ষ ঘনমিটার পানি জমেছিল এবং পরে সেটি উপচে পড়তে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে তিব্বতের গিরং সীমান্ত বন্দরের কাছেও উদ্ধারকাজ সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। ব্যারিয়ার হ্রদে পানির চাপ বাড়ায় নতুন করে বন্যা হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।