ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাইবার সুরক্ষা আইন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণের ঝুঁকি : টিআইবি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৬:৪৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে

খসড়া সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এ এমন কিছু বিধান রাখা হয়েছে, যা জনগণের মৌলিক অধিকার, বাক্-স্বাধীনতা ও স্বাধীন মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যাপক ঝুঁকি তৈরি করবে বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনদের মতামত এবং আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চার আলোকে খসড়াটি ঢেলে সাজানোর আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, খসড়া আইনে সাইবার অপরাধ, সাইবার সুরক্ষা এবং জনগণের মতপ্রকাশের অধিকার— তিনটি জটিল বিষয়কে একই আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এতে কোনো বিষয়েই যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি, বরং প্রতিটি ক্ষেত্রে অপব্যাখ্যা ও অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি করে মানবাধিকার লঙ্ঘনের আশঙ্কা সৃষ্টি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সাইবার অপরাধের সঙ্গে সাইবার সুরক্ষার মতো বিশেষায়িত ক্ষেত্রকে একাকার করার পাশাপাশি সাইবার জগতে মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়, এ ধরনের আইনের আওতাবহির্ভূত এবং বৈশ্বিক উত্তম চর্চার পরিপন্থি।

খসড়া আইনটি অনুমোদিত হলে বাংলাদেশের সাইবার স্পেস অবারিত নজরদারি, জবাবদিহিহীনতা ও নিপীড়নের একটি ভূবনে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক বলেন, খসড়া আইনে গুজব, অপতথ্য, হেয়প্রতিপন্ন, মানহানিকর ও ‘রাষ্ট্রের জন্য অবমাননাকর’সহ বেশ কিছু ধারণাকে এমনভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যা ইচ্ছাকৃত অপব্যাখ্যার মাধ্যমে লক্ষ্যভিত্তিক অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে। বিশেষ করে বাক্-স্বাধীনতা ও মৌলিক মানবাধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘যৌন হয়রানি’ ও ‘সেক্সটর্শন’-এর মতো শব্দের সংজ্ঞাও অপেশাদার ও অসম্পূর্ণভাবে দেওয়া হয়েছে। এতে প্রকৃত অপরাধ আড়াল হওয়ার পাশাপাশি অভিযুক্তের সুরক্ষা এবং ভুক্তভোগীর অধিকার হরণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

খসড়া আইনের ধারা ৪৬(২)-এ অ-জামিনযোগ্য অপরাধ হিসেবে ধারা ২৩-এর উল্লেখ নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে টিআইবি।

কালকিনিতে মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী বিএনপির আলোচনা সভা ও বিক্ষোভ মিছিল

সাইবার সুরক্ষা আইন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণের ঝুঁকি : টিআইবি

প্রকাশিত : ০৬:৪৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খসড়া সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এ এমন কিছু বিধান রাখা হয়েছে, যা জনগণের মৌলিক অধিকার, বাক্-স্বাধীনতা ও স্বাধীন মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যাপক ঝুঁকি তৈরি করবে বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনদের মতামত এবং আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চার আলোকে খসড়াটি ঢেলে সাজানোর আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, খসড়া আইনে সাইবার অপরাধ, সাইবার সুরক্ষা এবং জনগণের মতপ্রকাশের অধিকার— তিনটি জটিল বিষয়কে একই আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এতে কোনো বিষয়েই যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি, বরং প্রতিটি ক্ষেত্রে অপব্যাখ্যা ও অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি করে মানবাধিকার লঙ্ঘনের আশঙ্কা সৃষ্টি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সাইবার অপরাধের সঙ্গে সাইবার সুরক্ষার মতো বিশেষায়িত ক্ষেত্রকে একাকার করার পাশাপাশি সাইবার জগতে মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়, এ ধরনের আইনের আওতাবহির্ভূত এবং বৈশ্বিক উত্তম চর্চার পরিপন্থি।

খসড়া আইনটি অনুমোদিত হলে বাংলাদেশের সাইবার স্পেস অবারিত নজরদারি, জবাবদিহিহীনতা ও নিপীড়নের একটি ভূবনে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক বলেন, খসড়া আইনে গুজব, অপতথ্য, হেয়প্রতিপন্ন, মানহানিকর ও ‘রাষ্ট্রের জন্য অবমাননাকর’সহ বেশ কিছু ধারণাকে এমনভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যা ইচ্ছাকৃত অপব্যাখ্যার মাধ্যমে লক্ষ্যভিত্তিক অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে। বিশেষ করে বাক্-স্বাধীনতা ও মৌলিক মানবাধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘যৌন হয়রানি’ ও ‘সেক্সটর্শন’-এর মতো শব্দের সংজ্ঞাও অপেশাদার ও অসম্পূর্ণভাবে দেওয়া হয়েছে। এতে প্রকৃত অপরাধ আড়াল হওয়ার পাশাপাশি অভিযুক্তের সুরক্ষা এবং ভুক্তভোগীর অধিকার হরণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

খসড়া আইনের ধারা ৪৬(২)-এ অ-জামিনযোগ্য অপরাধ হিসেবে ধারা ২৩-এর উল্লেখ নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে টিআইবি।