ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেত্রকোনায় দের যুগ ধরে বন্ধ শিল্পকলা একাডেমী বাদ্যযন্ত্র ও বরাদ্দের নেই হদিস

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৪:০৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে একসময় গান, তবলা, আবৃত্তি ও নাটকের চর্চায় মুখর ছিল। তবে দের যুগ ধরে উপজেলায় এসব শিল্প সংস্কৃতির চর্চা হয় না বললেই চলে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা শিল্পকলা একাডেমর কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সাংস্কৃতিক সংগঠকরা দ্রুত শিল্পকলা একাডেমীর কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন। এদিকে একাডেমীতে থাকা হারমোনিয়াম, কিবোর্ড, তবলা এবং অসংখ্য বাদ্যযন্ত্রের কোনো হদিস নেই। এছাড়া একাডেমির নামে বিভিন্ন সময়ে আসা সরকারি বরাদ্দের ব্যয় নিয়েও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আশির দশকে শিল্পকলা পরিষদ নামে মোহনগঞ্জে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের যাত্রা শুরু হয়। উপজেলা পরিষদের একটি হলরুম এর জন্য বরাদ্দ ছিল। পদাধিকার বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন এর সভাপতি। তখন একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিকে করা হতো এই প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সম্পাদক। পরে এটি উপজেলা শিল্পকলা একাডেমীতে রূপ নেয়। অন্যদিকে শিল্পকলা একাডেমী এবং স্থানীয় শিল্প সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা জানান, আশি নব্বইয়ের দশকে মোহনগঞ্জ ছিল শিল্প সংস্কৃতির চর্চায় সমৃদ্ধ উপজেলা। ২০১০ সালে শিল্পকলা একাডেমীর কার্যক্রম একেবারে স্তিমিত হয়ে এলে শিল্প সংস্কৃতির চর্চা ও প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। তবে ২০২১-২০২২ সালের দিকে শিল্পকলা একাডেমি আবার চালুর উদ্যোগ নেয়া হলেও সেটি আলোর মুখ দেখেননি। সেসময় একটি আহবায়ক কমিটি করা হয়। সংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অমল সরকারকে আহবায়ক করা হয়। শিক্ষার্থী ভর্তি করার জন্য ফরম ছাড়া হয়েছিল।

এদিকে অমল সরকার বলেন, সরকারি সহযোগিতা না পাওয়ায় সেই উদ্যোগ আর এগোয়নি। তার মতে শিল্পকলা একাডেমীর কমিটি গঠনের পদ্ধতিতে ও সমস্যা রয়েছে। তিনি বলেন, ইউএনও সভাপতি। আর একজন সরকারি কর্মকর্তা সদস্য সচিব। তারা শিল্পী বা শিক্ষার্থীদের কতটা চেনেন। সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড চালাতে হলে স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করা দরকার। অন্যদিকে বারহাট্টা সহ অন্য কিছু উপজেলায় স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের সমন্বয়ে কমিটি করা হয়েছে। উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে কার্যক্রম ভালো হচ্ছে। আরও জানা যায়, একসময় মোহনগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমিতে হারমোনিয়াম, কিবোর্ড, তবলা সহ বেশ কিছু দামি বাদ্যযন্ত্র ছিল। বিভিন্ন সরকারের সময়ে একাডেমির জন্য বড় অঙ্কের বরাদ্দও এসেছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। কিন্তু এখন এসবের কোনো হদিস নেই। অমল সরকার আরও বলেন, কোন বাদ্যযন্ত্র কোথায় আছে, কি অবস্থায় আছে কেউ জানেন না। কিছু জিনিস কেউ কেউ বাড়িতে নিয়ে গেছেন বলেও শুনেছি। ইউএনও,র প্রশাসনিক ভবনের পরিত্যক্ত মালপত্রের গুদামে কিছু বাদ্যযন্ত্র নষ্ট হয়ে পড়ে আছে।

এদিকে, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগপর্যন্ত শিল্পকলা একাডেমীর কক্ষে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করত স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন সূর্যমুখী থিয়েটার। ৫ আগস্টের পর সংগঠনটি ওই কক্ষ ছেড়ে চলে যায়। সূর্যমুখী থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম পিয়াস বলেন, বর্তমানে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বন্ধই বলা যায়। আগে কবি রইস মনরমের বাসায় সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক আয়োজন হতো। সেটিও এখন কমে গেছে। তিনি নিজের বাসায় স্বল্প পরিসরে সাংস্কৃতিক চর্চার আলোটা ধরে রেখেছেন। অন্যদিকে হাওরাঞ্চলের কবি ও সাংস্কৃতিক সংগঠক রইস মনরম বলেন, আগের সেই সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক অঙ্গন আবার দেখতে চাই। তরুণদের মধ্যে শিল্প সংস্কৃতির চর্চা দরকার। এতে তাদের মনের বিকাশ ঘটবে। মানবিক মূল্যবোধ তৈরি হবে। পাশাপাশি খেলাধুলার সুযোগও বাড়াতে হবে। সাংস্কৃতিক চর্চা ও খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত থাকলে তরুণেরা মাদক থেকেও দূরে থাকবে। অমল সরকার মনে করেন, নতুন প্রজন্মকে মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন করে গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই। তার ভাষায়, মোহনগঞ্জের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে বাঁচাতে হলে দ্রুত শিল্পকলা একাডেমীর কার্যক্রম চালু করা দরকার। এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা খাতুন বলেন, যন্ত্রসহ অন্যান্য সরঞ্জাম কোথায় আছে। সেটিও তিনি জানেন না। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সারাদেশে শিল্পকলা একাডেমীর কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এর আগে প্রতি বছর শিল্পকলা একাডেমীর জন্য সরকারি বরাদ্দ আসত। সেই টাকা কোথায় এবং কিভাবে ব্যয় হয়েছে, খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। তিনি আরও জানান, কিছুদিনের মধ্যে শিল্পকলা একাডেমীর কার্যক্রম চালু করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চিঠি আসার কথা রয়েছে। এদিকে উপজেলায় শিল্পকলা একাডেমী এবং শিল্প ও সাংস্কৃতিক চর্চা বন্ধ থাকলে ২০২৩ সালে শৈলজারঞ্জন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সোয়া দুই একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে তিন তলা বিশিষ্ট একাডেমী ভবন মিলনায়তন, একটি যাদুঘর, ৩১০ আসনের মাল্টিপারপাস কনফারেন্স হল এবং মুক্তমঞ্চ রয়েছে। রবীন্দ্রসঙ্গীতের প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও হাওরাঞ্চলের লোকসংস্কৃতি চর্চার জন্য এটি করা হয়। তবে নির্মাণের তিন বছর পর আজও সেখানে একটিরও আয়োজন করা যায়নি। শুধু পড়ে আছে তালাবদ্ধ হয়ে।

কালকিনিতে মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী বিএনপির আলোচনা সভা ও বিক্ষোভ মিছিল

নেত্রকোনায় দের যুগ ধরে বন্ধ শিল্পকলা একাডেমী বাদ্যযন্ত্র ও বরাদ্দের নেই হদিস

প্রকাশিত : ০৪:০৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে একসময় গান, তবলা, আবৃত্তি ও নাটকের চর্চায় মুখর ছিল। তবে দের যুগ ধরে উপজেলায় এসব শিল্প সংস্কৃতির চর্চা হয় না বললেই চলে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা শিল্পকলা একাডেমর কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সাংস্কৃতিক সংগঠকরা দ্রুত শিল্পকলা একাডেমীর কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন। এদিকে একাডেমীতে থাকা হারমোনিয়াম, কিবোর্ড, তবলা এবং অসংখ্য বাদ্যযন্ত্রের কোনো হদিস নেই। এছাড়া একাডেমির নামে বিভিন্ন সময়ে আসা সরকারি বরাদ্দের ব্যয় নিয়েও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আশির দশকে শিল্পকলা পরিষদ নামে মোহনগঞ্জে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের যাত্রা শুরু হয়। উপজেলা পরিষদের একটি হলরুম এর জন্য বরাদ্দ ছিল। পদাধিকার বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন এর সভাপতি। তখন একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিকে করা হতো এই প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সম্পাদক। পরে এটি উপজেলা শিল্পকলা একাডেমীতে রূপ নেয়। অন্যদিকে শিল্পকলা একাডেমী এবং স্থানীয় শিল্প সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা জানান, আশি নব্বইয়ের দশকে মোহনগঞ্জ ছিল শিল্প সংস্কৃতির চর্চায় সমৃদ্ধ উপজেলা। ২০১০ সালে শিল্পকলা একাডেমীর কার্যক্রম একেবারে স্তিমিত হয়ে এলে শিল্প সংস্কৃতির চর্চা ও প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। তবে ২০২১-২০২২ সালের দিকে শিল্পকলা একাডেমি আবার চালুর উদ্যোগ নেয়া হলেও সেটি আলোর মুখ দেখেননি। সেসময় একটি আহবায়ক কমিটি করা হয়। সংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অমল সরকারকে আহবায়ক করা হয়। শিক্ষার্থী ভর্তি করার জন্য ফরম ছাড়া হয়েছিল।

এদিকে অমল সরকার বলেন, সরকারি সহযোগিতা না পাওয়ায় সেই উদ্যোগ আর এগোয়নি। তার মতে শিল্পকলা একাডেমীর কমিটি গঠনের পদ্ধতিতে ও সমস্যা রয়েছে। তিনি বলেন, ইউএনও সভাপতি। আর একজন সরকারি কর্মকর্তা সদস্য সচিব। তারা শিল্পী বা শিক্ষার্থীদের কতটা চেনেন। সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড চালাতে হলে স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করা দরকার। অন্যদিকে বারহাট্টা সহ অন্য কিছু উপজেলায় স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের সমন্বয়ে কমিটি করা হয়েছে। উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে কার্যক্রম ভালো হচ্ছে। আরও জানা যায়, একসময় মোহনগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমিতে হারমোনিয়াম, কিবোর্ড, তবলা সহ বেশ কিছু দামি বাদ্যযন্ত্র ছিল। বিভিন্ন সরকারের সময়ে একাডেমির জন্য বড় অঙ্কের বরাদ্দও এসেছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। কিন্তু এখন এসবের কোনো হদিস নেই। অমল সরকার আরও বলেন, কোন বাদ্যযন্ত্র কোথায় আছে, কি অবস্থায় আছে কেউ জানেন না। কিছু জিনিস কেউ কেউ বাড়িতে নিয়ে গেছেন বলেও শুনেছি। ইউএনও,র প্রশাসনিক ভবনের পরিত্যক্ত মালপত্রের গুদামে কিছু বাদ্যযন্ত্র নষ্ট হয়ে পড়ে আছে।

এদিকে, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগপর্যন্ত শিল্পকলা একাডেমীর কক্ষে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করত স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন সূর্যমুখী থিয়েটার। ৫ আগস্টের পর সংগঠনটি ওই কক্ষ ছেড়ে চলে যায়। সূর্যমুখী থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম পিয়াস বলেন, বর্তমানে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বন্ধই বলা যায়। আগে কবি রইস মনরমের বাসায় সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক আয়োজন হতো। সেটিও এখন কমে গেছে। তিনি নিজের বাসায় স্বল্প পরিসরে সাংস্কৃতিক চর্চার আলোটা ধরে রেখেছেন। অন্যদিকে হাওরাঞ্চলের কবি ও সাংস্কৃতিক সংগঠক রইস মনরম বলেন, আগের সেই সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক অঙ্গন আবার দেখতে চাই। তরুণদের মধ্যে শিল্প সংস্কৃতির চর্চা দরকার। এতে তাদের মনের বিকাশ ঘটবে। মানবিক মূল্যবোধ তৈরি হবে। পাশাপাশি খেলাধুলার সুযোগও বাড়াতে হবে। সাংস্কৃতিক চর্চা ও খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত থাকলে তরুণেরা মাদক থেকেও দূরে থাকবে। অমল সরকার মনে করেন, নতুন প্রজন্মকে মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন করে গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই। তার ভাষায়, মোহনগঞ্জের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে বাঁচাতে হলে দ্রুত শিল্পকলা একাডেমীর কার্যক্রম চালু করা দরকার। এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা খাতুন বলেন, যন্ত্রসহ অন্যান্য সরঞ্জাম কোথায় আছে। সেটিও তিনি জানেন না। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সারাদেশে শিল্পকলা একাডেমীর কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এর আগে প্রতি বছর শিল্পকলা একাডেমীর জন্য সরকারি বরাদ্দ আসত। সেই টাকা কোথায় এবং কিভাবে ব্যয় হয়েছে, খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। তিনি আরও জানান, কিছুদিনের মধ্যে শিল্পকলা একাডেমীর কার্যক্রম চালু করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চিঠি আসার কথা রয়েছে। এদিকে উপজেলায় শিল্পকলা একাডেমী এবং শিল্প ও সাংস্কৃতিক চর্চা বন্ধ থাকলে ২০২৩ সালে শৈলজারঞ্জন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সোয়া দুই একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে তিন তলা বিশিষ্ট একাডেমী ভবন মিলনায়তন, একটি যাদুঘর, ৩১০ আসনের মাল্টিপারপাস কনফারেন্স হল এবং মুক্তমঞ্চ রয়েছে। রবীন্দ্রসঙ্গীতের প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও হাওরাঞ্চলের লোকসংস্কৃতি চর্চার জন্য এটি করা হয়। তবে নির্মাণের তিন বছর পর আজও সেখানে একটিরও আয়োজন করা যায়নি। শুধু পড়ে আছে তালাবদ্ধ হয়ে।