ঢাকা ০৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র কেন সৌদিকে সহায়তা করছে না?

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৩:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি আরবের নতুন করে লড়াই শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সহায়তা চেয়েছিলেন ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দুইবার ফোন করে হুথিদের ওপর সরাসরি বিমান হামলার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

কিন্তু ট্রাম্প সামরিক হস্তক্ষেপের আহ্বানে সাড়া দেননি। কিন্তু কেন?

যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর সিমন মাবোন সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যয়বহুল যুদ্ধে লিপ্ত আছে। আর ইরান হলো হুথিদের প্রধান সহায়তাকারী। ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ শুরু করেছিলেন এ প্রত্যাশা নিয়ে যে, এটি কয়েকদিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। তবে যুদ্ধ শুরুর পর ছয় মাস হয়ে গেছে, এখনো এটির কোনো সমাধান হয়নি। এ যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে এবং কীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করা হবে সেটিরও কোনো রোডম্যাপ দিতে পারেনি মার্কিন প্রশাসন।

এরমধ্যে ইয়েমেনে যদি আরেকটি ফ্রন্ট খোলা হয় তাহলে বিষয়টি ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির জন্য তা ভালো হবে না। আগামী নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচন হবে। নতুন করে আরেকটি যুদ্ধ শুরু করলে তা নির্বাচনে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। যেখানে ট্রাম্প তার নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে অন্তহীন যুদ্ধ থেকে বের করে নিয়ে আসবেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র কেন সৌদিকে সহায়তা করছে না?

প্রকাশিত : ০৩:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি আরবের নতুন করে লড়াই শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সহায়তা চেয়েছিলেন ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দুইবার ফোন করে হুথিদের ওপর সরাসরি বিমান হামলার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

কিন্তু ট্রাম্প সামরিক হস্তক্ষেপের আহ্বানে সাড়া দেননি। কিন্তু কেন?

যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর সিমন মাবোন সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যয়বহুল যুদ্ধে লিপ্ত আছে। আর ইরান হলো হুথিদের প্রধান সহায়তাকারী। ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ শুরু করেছিলেন এ প্রত্যাশা নিয়ে যে, এটি কয়েকদিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। তবে যুদ্ধ শুরুর পর ছয় মাস হয়ে গেছে, এখনো এটির কোনো সমাধান হয়নি। এ যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে এবং কীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করা হবে সেটিরও কোনো রোডম্যাপ দিতে পারেনি মার্কিন প্রশাসন।

এরমধ্যে ইয়েমেনে যদি আরেকটি ফ্রন্ট খোলা হয় তাহলে বিষয়টি ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির জন্য তা ভালো হবে না। আগামী নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচন হবে। নতুন করে আরেকটি যুদ্ধ শুরু করলে তা নির্বাচনে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। যেখানে ট্রাম্প তার নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে অন্তহীন যুদ্ধ থেকে বের করে নিয়ে আসবেন তিনি।