ঢাকা ০৩:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

সেনা সদরের চিঠির অপব্যাখ্যা করা হয়েছে : আইএসপিআর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৭:৪৬:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫
  • ২৩৮ বার দেখা হয়েছে

পুলিশ কর্তৃক সেনা সদস্য হেনস্তা সংক্রান্ত সেনা সদরের চিঠি বিষয়ক অপব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। ১১ জুলাই শুক্রবার এক আইএসপিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে এ তথ্য।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “সম্প্রতি সেনা সদরের একটি প্রশাসনিক চিঠি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে সংঘঠিত ঘটনা সেনা সদস্যদের হেনস্তার শিকার হওয়ার কিছু অভিযোগ সম্বলিত একটি তালিকা আহ্বানের কথা উল্লেখ ছিল।”

“এ বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে জানানো যাচ্ছে যে, চিঠিটি পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে সংঘটিত বর্বরতম হত্যাযজ্ঞের বিষয়ে গঠিত ‘জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনে’র চাহিদার প্রেক্ষিতেই তথ্য প্রদানের উদ্দেশ্যে কেবলমাত্র প্রেরণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে, যেকোনো রকম ভুল ব্যাখ্যা বা অপ্রত্যাশিত প্রতিক্রিয়া পরিহারের স্বার্থে ওই চিঠির কার্যক্রম সেনা সদর কর্তৃক তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল করা হয়।”

আইএসপিআর বলছে, একটি স্বার্থন্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই বিষয়টিকে অপব্যাখ্যা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও অনাস্থা সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালাচ্ছে।”

“বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশ উভয়ই দেশের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমন্বয় ও পেশাগত সৌহার্দ্যের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে একযোগে কাজ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বা গণমাধ্যমে এ বিষয়ক বিভ্রান্তিকর বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানিয়েছে আইএসপিআর।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেনা সদরের চিঠির অপব্যাখ্যা করা হয়েছে : আইএসপিআর

প্রকাশিত : ০৭:৪৬:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫

পুলিশ কর্তৃক সেনা সদস্য হেনস্তা সংক্রান্ত সেনা সদরের চিঠি বিষয়ক অপব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। ১১ জুলাই শুক্রবার এক আইএসপিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে এ তথ্য।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “সম্প্রতি সেনা সদরের একটি প্রশাসনিক চিঠি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে সংঘঠিত ঘটনা সেনা সদস্যদের হেনস্তার শিকার হওয়ার কিছু অভিযোগ সম্বলিত একটি তালিকা আহ্বানের কথা উল্লেখ ছিল।”

“এ বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে জানানো যাচ্ছে যে, চিঠিটি পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে সংঘটিত বর্বরতম হত্যাযজ্ঞের বিষয়ে গঠিত ‘জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনে’র চাহিদার প্রেক্ষিতেই তথ্য প্রদানের উদ্দেশ্যে কেবলমাত্র প্রেরণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে, যেকোনো রকম ভুল ব্যাখ্যা বা অপ্রত্যাশিত প্রতিক্রিয়া পরিহারের স্বার্থে ওই চিঠির কার্যক্রম সেনা সদর কর্তৃক তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল করা হয়।”

আইএসপিআর বলছে, একটি স্বার্থন্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই বিষয়টিকে অপব্যাখ্যা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও অনাস্থা সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালাচ্ছে।”

“বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশ উভয়ই দেশের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমন্বয় ও পেশাগত সৌহার্দ্যের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে একযোগে কাজ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বা গণমাধ্যমে এ বিষয়ক বিভ্রান্তিকর বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানিয়েছে আইএসপিআর।