ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সে সীমাতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:২০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৩৪ বার দেখা হয়েছে

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (বিজিআইসি) পিএলসির গত ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে সীমা অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয় করার তথ্য দিয়েছে নিরীক্ষক অক্টোখান চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস।

এছাড়া কোম্পানিটির বিরুদ্ধে শ্রমিকদের লাভ অংশগ্রহণ তহবিল (ডব্লিউপিপিএফ) গঠন না করা, গ্র্যাচুইটি তহবিলের যথাযথ মূল্যায়ন না করা এবং প্রভিডেন্ট ফান্ডে অর্থ জমা না রাখার অভিযোগ তুলেছে এই নিরীক্ষক।

এই নিরীক্ষকের দেয়া তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সে ২০২৪ হিসাব বছরে মোট ব্যবস্থাপনা ব্যয় হয়েছে ২৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) নির্ধারিত সীমা অনুযায়ী, আলোচিত হিসাব বছরে কোম্পানিটি সর্বোচ্চ ব্যয় করতে পারতো ১৭ কোটি ৩২ লাখ টাকা।


এক্ষেত্রে কোম্পানির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয় হয়েছে ১০ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।এদিকে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয় করার কারণে ২০২৪ হিসাব বছরে কোম্পানিটি প্রভিডেন্ট ফান্ডে কোন অর্থ জমা রাখতে পারেনি। এছাড়া কোম্পানিটি গ্র্যাচুইটি তহবিলের যথাযথ মূল্যায়ন করেনি, যা আন্তর্জাতিক অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ড (আইএস) এর ১৯নং ধারার লঙ্ঘন।

কোম্পানিটি শ্রমিকদের লাভ অংশগ্রহণ তহবিল গঠন করেনি বলেও জানিয়েছে নিরীক্ষক। বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ (২০১৩ সালে সংশোধিত) অনুযায়ী, এই তহবিল গঠন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনারগাঁয়ে পুলিশ ও জনতার হাতে ৭ ডাকাত আটক

বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সে সীমাতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয়

প্রকাশিত : ০৮:২০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (বিজিআইসি) পিএলসির গত ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে সীমা অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয় করার তথ্য দিয়েছে নিরীক্ষক অক্টোখান চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস।

এছাড়া কোম্পানিটির বিরুদ্ধে শ্রমিকদের লাভ অংশগ্রহণ তহবিল (ডব্লিউপিপিএফ) গঠন না করা, গ্র্যাচুইটি তহবিলের যথাযথ মূল্যায়ন না করা এবং প্রভিডেন্ট ফান্ডে অর্থ জমা না রাখার অভিযোগ তুলেছে এই নিরীক্ষক।

এই নিরীক্ষকের দেয়া তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সে ২০২৪ হিসাব বছরে মোট ব্যবস্থাপনা ব্যয় হয়েছে ২৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) নির্ধারিত সীমা অনুযায়ী, আলোচিত হিসাব বছরে কোম্পানিটি সর্বোচ্চ ব্যয় করতে পারতো ১৭ কোটি ৩২ লাখ টাকা।


এক্ষেত্রে কোম্পানির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয় হয়েছে ১০ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।এদিকে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয় করার কারণে ২০২৪ হিসাব বছরে কোম্পানিটি প্রভিডেন্ট ফান্ডে কোন অর্থ জমা রাখতে পারেনি। এছাড়া কোম্পানিটি গ্র্যাচুইটি তহবিলের যথাযথ মূল্যায়ন করেনি, যা আন্তর্জাতিক অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ড (আইএস) এর ১৯নং ধারার লঙ্ঘন।

কোম্পানিটি শ্রমিকদের লাভ অংশগ্রহণ তহবিল গঠন করেনি বলেও জানিয়েছে নিরীক্ষক। বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ (২০১৩ সালে সংশোধিত) অনুযায়ী, এই তহবিল গঠন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।