ঢাকা ১১:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

চুরি করা এটিএম কার্ড দিয়ে কেনাকাটা করতে গিয়ে গ্রেপ্তার চক্রের তিন সদস্য

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:৪১:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে
বরিশাল প্রতিনিধি : চুরি করা মানিব্যাগে থাকা এটিএম কার্ড দিয়ে কেনাকাটা করতে গিয়ে চোরচক্রের তিন সদস্য ধরা পড়লো পুলিশের হাতে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো বরিশাল নগরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের শীতলা খোলা এলাকার টিটু হাওলাদারের ছেলে মো. সোহেল হাওলাদার (৩১), মুন্সী গ্যারেজ এলাকার আবুল হোসেন গাজীর ছেলে মো. মঈন গাজী (৩২) ও বাংলাবাজার এলাকার সালাউদ্দিন চুন্নু হাওলাদারের ছেলে মো. মেহেদী মানজুর (২৬)।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে জানিয়েছেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের স্টিমার ঘাট ফাড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক মো. নাসিম হোসেন।
এর আগে রাতে নগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে চোরচক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরা।
কোতোয়ালি মডেল থানায় দাখিলকৃত অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, নগরের ঝাউতলা দ্বিতীয় গলি এলাকার বাসিন্দা শুভংকর বিশ্বাস গত ৮ মার্চ রাত ৯টার দিকে কালীস চন্দ্র রোডস্থ কাঞ্চন পার্কে হাঁটতে যান। হাঁটা শেষে পার্কের গেটের সামনে কিছু লোকের জটলা দেখতে পান তিনি। সেই জটলা পার হয়ে পার্কের বাহিরে বের হতেই পকেটের মানিব্যাগ খুইয়ে ফেলেন।
মানিব্যাগটি পকেট থেকে কেউ নিয়ে গেছে বুঝে পেছনে ফিরে দেখতে পান জটলা করা লোকগুলো যে যার মতো করে চলে যাচ্ছে, ফলে সু-নির্দিষ্ট কাউকে মানিব্যাগ নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে শনাক্তও করতে পারেননি তিনি।
শুভংকর বিশ্বাসের অভিযোগ সূত্রে আরও জানা গেছে, মানিব্যাগের ভেতরে বাদীর জাতীয় পরিচয় পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির কাগজপত্র, পৃথক দুটি ব্যাংকের ৩ টি ক্রেডিট কার্ড, একটি ডেবিট কার্ড, অন্যান্য অফিসের কাগজপত্র ও নগদ ৫ শত টাকা ছিল।
এদিকে, চোরচক্র ৮ মার্চ রাত পৌনে ১২টা থেকে পরের দিন ৯ মার্চ রাত ১২টার মধ্যে একটি ক্রেডিট কার্ড থেকে ১১ হাজার ৯ শত ৮৫ টাকা উত্তোলন করে এবং বরিশালের র’ নেশন ও টপটেন শোরুম থেকে বড়ো অঙ্কের টাকার বাজার করে। যে সংক্রান্ত একাধিক ম্যাসেজ বাদীর মোবাইলে যায়।
ধারাবাহিকতায় বিষয়টি কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশকে অবহিত করে শুভংকর বিশ্বাস এবং অজ্ঞাতনামা চোরচক্রের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে থানা পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে, শপিং মল ও এটিএম বুথের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে চোরচক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে এবং অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।

সমতায় ফিরল পাকিস্তান

চুরি করা এটিএম কার্ড দিয়ে কেনাকাটা করতে গিয়ে গ্রেপ্তার চক্রের তিন সদস্য

প্রকাশিত : ০৯:৪১:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
বরিশাল প্রতিনিধি : চুরি করা মানিব্যাগে থাকা এটিএম কার্ড দিয়ে কেনাকাটা করতে গিয়ে চোরচক্রের তিন সদস্য ধরা পড়লো পুলিশের হাতে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো বরিশাল নগরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের শীতলা খোলা এলাকার টিটু হাওলাদারের ছেলে মো. সোহেল হাওলাদার (৩১), মুন্সী গ্যারেজ এলাকার আবুল হোসেন গাজীর ছেলে মো. মঈন গাজী (৩২) ও বাংলাবাজার এলাকার সালাউদ্দিন চুন্নু হাওলাদারের ছেলে মো. মেহেদী মানজুর (২৬)।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে জানিয়েছেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের স্টিমার ঘাট ফাড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক মো. নাসিম হোসেন।
এর আগে রাতে নগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে চোরচক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরা।
কোতোয়ালি মডেল থানায় দাখিলকৃত অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, নগরের ঝাউতলা দ্বিতীয় গলি এলাকার বাসিন্দা শুভংকর বিশ্বাস গত ৮ মার্চ রাত ৯টার দিকে কালীস চন্দ্র রোডস্থ কাঞ্চন পার্কে হাঁটতে যান। হাঁটা শেষে পার্কের গেটের সামনে কিছু লোকের জটলা দেখতে পান তিনি। সেই জটলা পার হয়ে পার্কের বাহিরে বের হতেই পকেটের মানিব্যাগ খুইয়ে ফেলেন।
মানিব্যাগটি পকেট থেকে কেউ নিয়ে গেছে বুঝে পেছনে ফিরে দেখতে পান জটলা করা লোকগুলো যে যার মতো করে চলে যাচ্ছে, ফলে সু-নির্দিষ্ট কাউকে মানিব্যাগ নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে শনাক্তও করতে পারেননি তিনি।
শুভংকর বিশ্বাসের অভিযোগ সূত্রে আরও জানা গেছে, মানিব্যাগের ভেতরে বাদীর জাতীয় পরিচয় পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির কাগজপত্র, পৃথক দুটি ব্যাংকের ৩ টি ক্রেডিট কার্ড, একটি ডেবিট কার্ড, অন্যান্য অফিসের কাগজপত্র ও নগদ ৫ শত টাকা ছিল।
এদিকে, চোরচক্র ৮ মার্চ রাত পৌনে ১২টা থেকে পরের দিন ৯ মার্চ রাত ১২টার মধ্যে একটি ক্রেডিট কার্ড থেকে ১১ হাজার ৯ শত ৮৫ টাকা উত্তোলন করে এবং বরিশালের র’ নেশন ও টপটেন শোরুম থেকে বড়ো অঙ্কের টাকার বাজার করে। যে সংক্রান্ত একাধিক ম্যাসেজ বাদীর মোবাইলে যায়।
ধারাবাহিকতায় বিষয়টি কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশকে অবহিত করে শুভংকর বিশ্বাস এবং অজ্ঞাতনামা চোরচক্রের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে থানা পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে, শপিং মল ও এটিএম বুথের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে চোরচক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে এবং অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।