ঢাকা ০১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে কুপিয়ে হত্যা লক্ষ্মীপুরে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:১৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩১০ বার দেখা হয়েছে

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আবুল কালাম জহির (৫০) নামে এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম লতিফপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তিনি চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের মোস্তফার দোকান এলাকায় সড়কের ওপর জহিরকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। একসময় জহির মাদক ব্যবসা ও মাটির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সেখান থেকে তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, তার প্রতিপক্ষ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই তাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। মরদেহের পাশে গুলির খোসাও দেখা গেছে।

চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমার জানা নেই। খোঁজ নিচ্ছি।

চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজীম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল এসেছি। জহিরকে হত্যা করা হয়েছে। কে বা কারা কি কারণে ঘটনাটি ঘটিয়েছে তা বলতে পারেননি তিনি।

 

লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান : ৫ ঘন্টায় ৬ থানা এলাকা থেকে “আটক ১৮২”

বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে কুপিয়ে হত্যা লক্ষ্মীপুরে

প্রকাশিত : ১২:১৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আবুল কালাম জহির (৫০) নামে এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম লতিফপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তিনি চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের মোস্তফার দোকান এলাকায় সড়কের ওপর জহিরকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। একসময় জহির মাদক ব্যবসা ও মাটির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সেখান থেকে তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, তার প্রতিপক্ষ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই তাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। মরদেহের পাশে গুলির খোসাও দেখা গেছে।

চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমার জানা নেই। খোঁজ নিচ্ছি।

চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজীম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল এসেছি। জহিরকে হত্যা করা হয়েছে। কে বা কারা কি কারণে ঘটনাটি ঘটিয়েছে তা বলতে পারেননি তিনি।