ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

থাইল্যান্ডে ট্রেনের ওপর ক্রেন পড়ে ২২ জন নিহত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:৫৩:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

থাইল্যান্ডে একটি চলন্ত ট্রেনের ওপর নির্মাণকাজে ব্যবহার্য ক্রেন পড়ে যাওয়ায় ট্রেনটির তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে নিহত হয়েছেন কমপক্ষ ২২ জন এবং আহত হয়েছেন আরও ৮০ জন।

আজ বধুবার স্থানীয় সময় সকালে থাইল্যান্ডের নাখোন রাতচাসিমা প্রদেশেল সিখিও জেলায় ঘটেছে এই দুর্ঘটনা। যে এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেটি রাজধানী ব্যাংকক থেকে ২৩০ কিলোমিটার উত্তরপূর্বে। ট্রেনটি ব্যাংকক থেকে উবন রাতচাথানি প্রদেশের দিকে যাচ্ছিল।

নিহত এবং আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তরা জানিয়েছেন, লাইনচ্যুত তিন বগিতে আটকা পড়া সবাইকে এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। নাখোন রাতচাসিমা প্রদেশের পুলিশ কর্মকর্তা কর্নেল তাতচাপোন চিন্নাউওং রয়টার্সকে বলেন, “এখন পর্যন্ত ২২ জনের মৃতদেহ এবং আহত অবস্থায় আরও ৮০ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে ওই বগিগুলোর ভিতরে আরও আহত ও নিহত আছে। ক্রেনের কারণে তাদের সবাইকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে ক্রেন সরানোর কাজ চলছে। আশা করছি শিগগিরই সবাইকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

থাইল্যান্ডের কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবহনমন্ত্রী ফিফাত রাতচাকিতপ্রাকার্ন এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ব্যাংকক থেকে রওনা হওয়ার সময় ট্রেনটিতে ১৯৫ জন যাত্রী ছিলেন। যারা নিহত হয়েছেন, ক্রেনের আঘাতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু ঘটেছে।

থাইল্যান্ডের সরকার সম্প্রতি দেশজুড়ে দ্রুতগতির ট্রেন চালুর কাজ শুরু করেছে। সেই কাজের অংশ হিসেবে বিভিন্ন লাইনে কাজ শুরু হয়েছে। ব্যাংকক-উবন রাতচাথানি লাইনেও অন্যান্য দিনের মতো আজ ভোর থেকে কাজ শুরু হয়েছিল। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঘটে এই দুর্ঘটনা।

জনপ্রিয় সংবাদ

থাইল্যান্ডে ট্রেনের ওপর ক্রেন পড়ে ২২ জন নিহত

প্রকাশিত : ১২:৫৩:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

থাইল্যান্ডে একটি চলন্ত ট্রেনের ওপর নির্মাণকাজে ব্যবহার্য ক্রেন পড়ে যাওয়ায় ট্রেনটির তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে নিহত হয়েছেন কমপক্ষ ২২ জন এবং আহত হয়েছেন আরও ৮০ জন।

আজ বধুবার স্থানীয় সময় সকালে থাইল্যান্ডের নাখোন রাতচাসিমা প্রদেশেল সিখিও জেলায় ঘটেছে এই দুর্ঘটনা। যে এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেটি রাজধানী ব্যাংকক থেকে ২৩০ কিলোমিটার উত্তরপূর্বে। ট্রেনটি ব্যাংকক থেকে উবন রাতচাথানি প্রদেশের দিকে যাচ্ছিল।

নিহত এবং আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তরা জানিয়েছেন, লাইনচ্যুত তিন বগিতে আটকা পড়া সবাইকে এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। নাখোন রাতচাসিমা প্রদেশের পুলিশ কর্মকর্তা কর্নেল তাতচাপোন চিন্নাউওং রয়টার্সকে বলেন, “এখন পর্যন্ত ২২ জনের মৃতদেহ এবং আহত অবস্থায় আরও ৮০ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে ওই বগিগুলোর ভিতরে আরও আহত ও নিহত আছে। ক্রেনের কারণে তাদের সবাইকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে ক্রেন সরানোর কাজ চলছে। আশা করছি শিগগিরই সবাইকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

থাইল্যান্ডের কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবহনমন্ত্রী ফিফাত রাতচাকিতপ্রাকার্ন এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ব্যাংকক থেকে রওনা হওয়ার সময় ট্রেনটিতে ১৯৫ জন যাত্রী ছিলেন। যারা নিহত হয়েছেন, ক্রেনের আঘাতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু ঘটেছে।

থাইল্যান্ডের সরকার সম্প্রতি দেশজুড়ে দ্রুতগতির ট্রেন চালুর কাজ শুরু করেছে। সেই কাজের অংশ হিসেবে বিভিন্ন লাইনে কাজ শুরু হয়েছে। ব্যাংকক-উবন রাতচাথানি লাইনেও অন্যান্য দিনের মতো আজ ভোর থেকে কাজ শুরু হয়েছিল। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঘটে এই দুর্ঘটনা।