ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেলে হুড়োহুড়ি, পাম্পে দীর্ঘ লাইন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৭:১৩:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান–ইসরাইল যুদ্ধ পরিস্থিতি ও হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেল কেনার হিড়িক পড়েছে। সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কায় অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কিনে মজুদ করছেন। ফলে জেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন ও অস্বাভাবিক ভিড় দেখা গেছে।
শুক্রবার শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের চালকেরা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিচ্ছেন। অনেকেই কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ তেল না পেয়ে সীমিত পরিমাণ নিয়েই ফিরে যাচ্ছেন। ক্রেতাদের চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন পাম্প কর্তৃপক্ষ।
চুয়াডাঙ্গা একাডেমি মোড়ের মোজাম্মেল হক পেট্রোল পাম্পের সহকারী ব্যবস্থাপক আশাবুল হক জানান, তাদের পাম্পে খুলনার নওয়াপাড়া ডিপো থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে ডিপো থেকে সরবরাহ কোটা পদ্ধতিতে দেওয়া হচ্ছে। আগে যেখানে প্রতিদিন তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার লিটার তেল বিক্রি হতো, এখন চাহিদা বেড়ে গিয়ে তা ১০ থেকে ১২ হাজার লিটারে পৌঁছেছে।
চুয়াডাঙ্গা টার্মিনাল সংলগ্ন মামুন ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মুকুল হোসেন বলেন, গতকাল তেলের চাহিদা ছিল সবচেয়ে বেশি। আগে দৈনিক প্রায় পাঁচ হাজার লিটার তেল বিক্রি হলেও এখন তা দ্বিগুণ হয়ে প্রায় ১০ হাজার লিটারে পৌঁছেছে। ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না পাওয়ায় ক্রেতাদেরও সীমিত পরিমাণে তেল দিতে হচ্ছে।
মোটরসাইকেল চালক হাসানুজ্জামান হাসান বলেন, প্রায় ১০ মিনিট ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কায় অনেকের মত আমিও  একবারে  ট্যাংকি ফুল  করে নিয়েছি।
পাম্প মালিকরা জানান, তেলের দাম বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় অনেকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কিনছেন। এ কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কিছু পাম্পে সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে। তবে কৃষকদের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় রাখা হয়েছে।
এদিকে এলপিজি গ্যাসের সরবরাহও কমে যাওয়ায় বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, আতঙ্কে অতিরিক্ত তেল কেনা অব্যাহত থাকলে দ্রুত জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিতে পারে।

চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেলে হুড়োহুড়ি, পাম্পে দীর্ঘ লাইন

প্রকাশিত : ০৭:১৩:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান–ইসরাইল যুদ্ধ পরিস্থিতি ও হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেল কেনার হিড়িক পড়েছে। সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কায় অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কিনে মজুদ করছেন। ফলে জেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন ও অস্বাভাবিক ভিড় দেখা গেছে।
শুক্রবার শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের চালকেরা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিচ্ছেন। অনেকেই কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ তেল না পেয়ে সীমিত পরিমাণ নিয়েই ফিরে যাচ্ছেন। ক্রেতাদের চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন পাম্প কর্তৃপক্ষ।
চুয়াডাঙ্গা একাডেমি মোড়ের মোজাম্মেল হক পেট্রোল পাম্পের সহকারী ব্যবস্থাপক আশাবুল হক জানান, তাদের পাম্পে খুলনার নওয়াপাড়া ডিপো থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে ডিপো থেকে সরবরাহ কোটা পদ্ধতিতে দেওয়া হচ্ছে। আগে যেখানে প্রতিদিন তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার লিটার তেল বিক্রি হতো, এখন চাহিদা বেড়ে গিয়ে তা ১০ থেকে ১২ হাজার লিটারে পৌঁছেছে।
চুয়াডাঙ্গা টার্মিনাল সংলগ্ন মামুন ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মুকুল হোসেন বলেন, গতকাল তেলের চাহিদা ছিল সবচেয়ে বেশি। আগে দৈনিক প্রায় পাঁচ হাজার লিটার তেল বিক্রি হলেও এখন তা দ্বিগুণ হয়ে প্রায় ১০ হাজার লিটারে পৌঁছেছে। ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না পাওয়ায় ক্রেতাদেরও সীমিত পরিমাণে তেল দিতে হচ্ছে।
মোটরসাইকেল চালক হাসানুজ্জামান হাসান বলেন, প্রায় ১০ মিনিট ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কায় অনেকের মত আমিও  একবারে  ট্যাংকি ফুল  করে নিয়েছি।
পাম্প মালিকরা জানান, তেলের দাম বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় অনেকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কিনছেন। এ কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কিছু পাম্পে সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে। তবে কৃষকদের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় রাখা হয়েছে।
এদিকে এলপিজি গ্যাসের সরবরাহও কমে যাওয়ায় বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, আতঙ্কে অতিরিক্ত তেল কেনা অব্যাহত থাকলে দ্রুত জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিতে পারে।