ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের চলমান ধর্মঘট স্থগিত ঘোষণা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৫:৫৩:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রাম বন্দরের চলমান ধর্মঘট স্থগিত করেছে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।

রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দরে এনসিটি নিয়ে উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন ও বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সাংবাদিকদের দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী বর্তমান সরকারের আমলে এনসিটি চুক্তি না করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। নেতাদের সঙ্গে সন্তোষজনক আলোচনার প্রেক্ষাপটে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রমজানের পণ্য খালাসের স্বার্থে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের ধর্মঘট কর্মসূচি ৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

তবে- বন্দর কর্মচারীদের গ্রেপ্তার, হয়রানিমূলক বদলি, সাময়িক বরখাস্তসহ পাঁচটি সমস্যা সমাধান না হলে ১৬ ফেব্রুয়ারি আবার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

এতে আরও বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পাঁচ কর্মচারীকে গ্রেপ্তার ও হয়রানিমূলক মামলা, ১৫ কর্মচারীকে বিভিন্ন বন্দরে বদলি, আন্দোলনরত কর্মচারীদের শাস্তি, বাসা বরাদ্দ বাতিল এবং ১৬ কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্তসহ যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এসব সমস্যার সমাধান না হলে ১৬ ফেব্রুয়ারি আবার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা না দেওয়াসহ চার দফা দাবিতে রবিবার সকাল আটটা থেকে লাগাতার ধর্মঘট কর্মসূচি শুরু করেন বন্দরের কর্মচারীরা। বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদকালে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কোম্পানি ডিপিওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা নেই।

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যানের এই বক্তব্যের পর আন্দোলনকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও বন্দরের কিছু শাস্তিমূলক পদক্ষেপের কারণে রবিবার রাত নয়টায় ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে শেষ পর্যন্ত উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনার পর রাত সাড়ে ১২টায় কর্মসূচি স্থগিতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় সংগ্রাম পরিষদ।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনার পর জনস্বার্থে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষমতায় গেলে মোমিনপুরে ভাঙনরোধে টেকসই ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: ইউনুছ আহমাদ

চট্টগ্রাম বন্দরের চলমান ধর্মঘট স্থগিত ঘোষণা

প্রকাশিত : ০৫:৫৩:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের চলমান ধর্মঘট স্থগিত করেছে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।

রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দরে এনসিটি নিয়ে উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন ও বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সাংবাদিকদের দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী বর্তমান সরকারের আমলে এনসিটি চুক্তি না করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। নেতাদের সঙ্গে সন্তোষজনক আলোচনার প্রেক্ষাপটে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রমজানের পণ্য খালাসের স্বার্থে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের ধর্মঘট কর্মসূচি ৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

তবে- বন্দর কর্মচারীদের গ্রেপ্তার, হয়রানিমূলক বদলি, সাময়িক বরখাস্তসহ পাঁচটি সমস্যা সমাধান না হলে ১৬ ফেব্রুয়ারি আবার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

এতে আরও বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পাঁচ কর্মচারীকে গ্রেপ্তার ও হয়রানিমূলক মামলা, ১৫ কর্মচারীকে বিভিন্ন বন্দরে বদলি, আন্দোলনরত কর্মচারীদের শাস্তি, বাসা বরাদ্দ বাতিল এবং ১৬ কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্তসহ যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এসব সমস্যার সমাধান না হলে ১৬ ফেব্রুয়ারি আবার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা না দেওয়াসহ চার দফা দাবিতে রবিবার সকাল আটটা থেকে লাগাতার ধর্মঘট কর্মসূচি শুরু করেন বন্দরের কর্মচারীরা। বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদকালে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কোম্পানি ডিপিওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা নেই।

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যানের এই বক্তব্যের পর আন্দোলনকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও বন্দরের কিছু শাস্তিমূলক পদক্ষেপের কারণে রবিবার রাত নয়টায় ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে শেষ পর্যন্ত উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনার পর রাত সাড়ে ১২টায় কর্মসূচি স্থগিতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় সংগ্রাম পরিষদ।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনার পর জনস্বার্থে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।