সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানে হেরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কায় পড়েছিল ভারত। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৭২ রানের দাপুটে জয়ে সেমির স্বপ্ন জিইয়ে রাখল বিশ্বকাপের আয়োজক দেশটি। অন্যদিকে টানা দুই ম্যাচ হেরে বাদ পড়ল সিকান্দার রাজার দল।২৫৭ রানের বিশাল লক্ষ্য সামনে নিয়ে ব্যাট করতে নামে জিম্বাবুয়ে। দুই ওপেনারের কল্যাণে ভালো সূচনাও পায় রোডেশীয়রা। পরবর্তী ব্যাটাররাও ছিলেন ইতিবাচক। কিন্তু জয়ের জন্য প্রতি ওভারে যেভাবে এগোনো দরকার, সেভাবে রান সংগ্রহ করতে পারেননি জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা। শুধু ব্যবধানই কমিয়েছেন তারা।
এই ম্যাচে দলকে চোখ ধাঁধানো ইনিংস উপহার দেন ওপেনার ব্রায়ান বেনেট। ফিফটি পূরণের পর ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিতই থাকেন তিনি। সেঞ্চুরির জন্য দরকার ছিল মাত্র ৩ রান। মাঠ ছাড়ার আগে তিনি করেন ৯৭ রান। মাত্র ৫৯ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি আটটি চার ও ছয়টি ছয়ে সাজানো।
আরেক ওপেনার মারুমানি আউট হয়েছেন ২০ বলে ২০ রানে। দ্বিতীয় উইকেটে নেমে ডিওন মায়ার্স করেন ৬ রান। এদিকে ২১ বল খেলে ৩১ রান করেন দলনেতা সিকান্দার রাজা। আর রানের দেখা পাননি রায়ান বার্ল। এছাড়া টনি মুনয়োঙ্গা ১১, মুসেকিয়া ৭ ও ব্র্যাড ইভান্স ১ রান করেন। জিম্বাবুয়ের ইনিংস থামে ১৮৪ রানে।
ভারতের সবচেয়ে সফল বোলার অর্শদিপ সিং। দলের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন তিনি।

এর আগে চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠান জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। ক্রিজে এসেই আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করেন দুই ভারতীয় ওপেনার। ১৫ বলে ২৪ রানে স্যাঞ্জু স্যামসন আউট হলেও পাওয়ার প্লেতে আসে ৮০ রান। দ্বিতীয় উইকেটে জুটিতে আসে ৭২ রান। ২৪ বলে ৩৮ রান করে আউট হন ইষাণ কিষাণ।
মাত্র ২৬ বলে ফিফটি তুলে নেন অভিষেক শর্মা। অবশ্য এরপর বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি তিনি। আউট হন ৫৫ রানে। ৩০ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি চারটি করে চার ও ছয়ে সাজানো। এদিকে মাত্র ১৩ বলে ৩৩ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন দলনেতা সূর্যকুমার যাদব।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















