মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শেষ মুহুর্তে নবীগঞ্জে ঈদুল ফিতরের আমেজে সবাই এখন ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্থ। আর মাত্র ৭ দিন পরেই ঈদ উৎসব,তাই পরিবারের সবাই এবং প্রিয়জনকে নিয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করার জন্য এখন ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত রয়েছেন । সবাই পছন্দের নতুন পোশাক পরে ঈদের আনন্দ উপভোগ করার জন্য এদিক ওদিক ঘুরে কেনাকাটা করছেন । নবীগঞ্জের প্রতিটি কাপড়ের ফ্যাশন সপ,বিপনী বিতান এবং কসমেটিক্স দোকান গুলো এখন মধ্যরাত পর্যন্ত ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড়ে মুখরিত। উচ্চবৃত্ত,মধ্যবৃত্ত ও নিন্ম বৃত্ত সকল শ্রেণী পেশার মানুষ এখন ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্থ।
সরেজমিনে বিপনীবিতানগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে এবারের ঈদে মহিলা ও তরুনীদের প্রথম পছন্দের আকর্ষণীয় তালিকায় রয়েছে ফার্সি ড্রেস, সারারা,গারারা ড্রেস ,টাঙ্গাইল, হাফ সিল্ক,জামদানী, শাড়ী,ইন্ডিয়ান ত্রিপিছ ও সুতি শাড়ী,জরজেট ও টাঙ্গাইল শাড়ী এবং পুরুষদের প্রথম পছন্দের তালিকায় রয়েছে,চায়না শার্ট,থাইপ্যান্ট,সর্ট পাঞ্জাবী পাজামা,ফতুয়া,চেক পুল ও হাফসার্ট।
সরেজমিনে বিপনীবিতানগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে এবারের ঈদে মহিলা ও তরুনীদের প্রথম পছন্দের আকর্ষণীয় তালিকায় রয়েছে ফার্সি ড্রেস, সারারা,গারারা ড্রেস ,টাঙ্গাইল, হাফ সিল্ক,জামদানী, শাড়ী,ইন্ডিয়ান ত্রিপিছ ও সুতি শাড়ী,জরজেট ও টাঙ্গাইল শাড়ী এবং পুরুষদের প্রথম পছন্দের তালিকায় রয়েছে,চায়না শার্ট,থাইপ্যান্ট,সর্ট পাঞ্জাবী পাজামা,ফতুয়া,চেক পুল ও হাফসার্ট।

নবীগঞ্জ শহরের ব্যস্থতম বিপনী বিতান গোল্ডেন প্লাজার লাবনী ফ্যাশন, নকশী ফ্যাশন,হোসনা ফ্যাশন,জুই কসমেটিকস,প্রীতিকনা,মধ্য বাজারের কাশেম ক্লথ ষ্টোর,উত্তম বস্ত্রালয়,রেনেসা ক্লথ, পপি ভেরাইটিজ সেন্টার, সৃজন কালেকশন,ইকবাল এক্সক্লুসিভ ফ্যাশন,তানিম ক্লথ ষ্টোর, মরিয়ম মার্কেটের হালেমা ক্লথ ষ্টোর,এবি এস এস রাইমেন্ট,ওসমানী রোড চৌদ্দ হাজারী মার্কেটের ফ্যাশন ষ্টোর,নুরানী মার্কেটের আল আমিন ক্লথ ষ্টোর,লক্ষী বস্ত্রালয়, আল্লারদান ক্লথ ষ্টোর,জনি ক্লথ ষ্টোর,নবরূপা ক্লথ ষ্টোর,মিম্বর টাওয়ারে রছ,রাজা কমপ্রেক্সের মুক্তিযোদ্ধা বস্ত্র বিতান,অপরাজিতা কসমেটিক্স,পরিজান কমপ্লেক্সের জবা এন্টারপ্রাইজ,রিয়া কসমেট্রিকস,রুদ্র কসমেটিকসহ বিপনী বিতান,জুতার দোকানের মধ্যে ইটালিয়ান ব্যান্ড লটো, মারুফ সু ষ্টোর, মাহাবুব সু ষ্টোর, সৌরভ সু ষ্টোর, সাগর সু ষ্টোর, জবা সুজ, ডি এম সুজগুলোতে এখন প্রতিদিন রাত ১২ টা পর্যন্ত ক্রেতাদের উপছেপড়া ড়ীড় থাকে । বিপনী বিতানের পাশাপাশি পোষাক তৈরীর জন্য টেইলার্স দোকান গুলোতে ও ভীড় দেখা গেছে। আর মাত্র কয়েকদিন বাকী ঈদের। তাই শেষ মুহুর্তে নবীগঞ্জের সর্বত্র ক্রেতাদের কেনাকাটায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই ব্যস্থ । তবে তরুনী ও মহিলাদের আইটেমের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফার্সি ড্রেস,সারারা,গারারা এবং পুরুষদের আইটেমের মধ্যে চায়না সার্ট,প্যান্ট,পাঞ্জাবী-পাজামা সহ গার্মেন্টেস এর পন্য বেশী বিক্রি হচ্ছে।
এ প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে গোল্ডেন প্লাজার লাবনী এক্সক্লসিভ ফ্যাশন ওয়্যার এর পরিচালক শাহ শামীম আলম জানান,ঈদকে সামনে রেখে ভালই বেচা বিক্রি হচ্ছে। তবে বিদেশী রেমিটেন্স কম আসায় এবং প্রবাসীরা দেশে কম আসায় বেচাকেনা আশানুরুপ হয়নি । তরুনীদের আনরেডি ত্রিপিছ ও পুরুষদের শার্ট প্যান্ট বিক্রি হচ্ছে বেশী। নবীগঞ্জে ঘন ঘন বিদ্যুত লোডসেডিংয়ের কারনে ব্যবসায় কিছুটা ব্যাঘাত ঘটছে।
ফ্যাশন ষ্টোরস এর পরিচালক,সজল কুমার দাশ বলেন, ঈদের বিক্রি গত বছরের তুলনায় খুব ভাল হচ্ছে। মহিলা ও পুরুষরা সমানতালে কেনাকাটা করছেন। তবে আগামী ২/৩ দিন বেচাকেনা আরো বেশি হবে।
ফ্যাশন ষ্টোরস এর পরিচালক,সজল কুমার দাশ বলেন, ঈদের বিক্রি গত বছরের তুলনায় খুব ভাল হচ্ছে। মহিলা ও পুরুষরা সমানতালে কেনাকাটা করছেন। তবে আগামী ২/৩ দিন বেচাকেনা আরো বেশি হবে।
মরিময় মার্কেটের হালেমা ক্লথ ষ্টোরের পরিচালক,সিরাজ মিয়া জানান,গত বছরের তুলনায় এ বছর বেচাবিক্রি ভালো। আরো কয়েকদিন বাজার আরো ভালো হবে।
কসমেটিক সামগ্রীর দোকান পপি ভ্যারাইটিজ সেন্টারের পরিচালক প্রমথ চক্রবর্তী বেনু জানান, এ বছরের ঈদে বাজারে মহিলা ও তরুনীদের প্রথম পছন্দ সিটি গ্লোল্ডের গলার হাড়, হাতের ছুড়ি এবং প্রসাধন সামগ্রী হিসাবে মেহেদী বিক্রি হচ্ছে বেশী। ইদের বেচাকেনাতে আমরা খুশি।
কসমেটিক সামগ্রীর দোকান পপি ভ্যারাইটিজ সেন্টারের পরিচালক প্রমথ চক্রবর্তী বেনু জানান, এ বছরের ঈদে বাজারে মহিলা ও তরুনীদের প্রথম পছন্দ সিটি গ্লোল্ডের গলার হাড়, হাতের ছুড়ি এবং প্রসাধন সামগ্রী হিসাবে মেহেদী বিক্রি হচ্ছে বেশী। ইদের বেচাকেনাতে আমরা খুশি।

নবীগঞ্জ বাজারে ঈদের মার্কেটে আসা স্কুল শিক্ষিকা রাশিদা বেগম জানান,জরজেট শাড়ী ও আনরেডি থ্রি-পিছ পছন্দের তালিকায় আছে । তবে বাজারে দাম অনেকটা বেশী।
নুরানী মার্কেটের ব্যবসায়ীরা জানান,গত বছরের তুলনায় বেচাবিক্রি ভাল। আমাদের নুরানী মার্কেটে নিন্মবৃত্ত,মধ্যবৃত্তসহ সকল শ্রেনীর লোকজনের পোশাক সুলভ মুল্যে পাওয়া যায় তাই ক্রেতার উপস্থিতি ও বেচা-বিক্রি আশানুরুপ ভাল।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র মোঃ মহসিন আহমদ জানান,ঢাকা-সিলেটের মত নবীগঞ্জে ও এখন চাহিদামত পোশাক পাওয়া যায়। দাম একটু বেশী হলে ও এ বছর ২ হাজার ৮ শত টাকা দিয়ে সার্ট ৩ হাজার ৫ শত টাকা দিয়ে প্যান্ট এবার ঈদের পোশাক কিনেছি।
শহরের মধ্যবাজারে শপিং মল গুলোতে উচ্চবিত্তের ক্রেতাদের ভীড় থাকলে শহরের নুরানী মার্কেটে নিম্ন মধ্যবিত্তের ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ্যনীয় বেশী । দাম অনেকাংশে কমে পাওয়া যায় বলে সেখানে সারাদিনই নিম্ন আয়ের মানুষের সমাগম বেশী থাকে।
মার্কেটে ঘুরে দেখা যায়,নবীগঞ্জ শহরের ব্যস্থতম মধ্যবাজারে সপিংমল গুলোতে এখন ক্রেতারা সাচ্ছন্দে কেনা কাটা করতে পারছেন । নবীগঞ্জ বাজারের পরিবেশ ভালো ও সুষ্টু পরিবেশ থাকায় ক্রেতাদের অধিকাংশই সিলেট-হবিগঞ্জ শহরে না গিয়ে এখন নবীগঞ্জে তাদের পছন্দের কেনাকাটায় স্বস্থিবোধ করছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















