ঢাকা ০১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

জ্বালানি তেল ক্রয়ে রেশনিং পদ্ধতি উঠে যাচ্ছে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে

জ্বালানি তেল ক্রয়ে রেশনিং পদ্ধতি তুলে দিতে যাচ্ছে সরকার। এতে করে সবধরনের তেল ক্রয়ে আর কোনো বাধ্যবাধকতা থাকছে না।

শনিবার (১৪ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (অপারেশন) মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা আশা করছি রোববার (১৫ মার্চ) থেকে জ্বালানি তেলে রেশনিং পদ্ধতি তুলে দেওয়া হবে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচল নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্বালানি তেল নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হলে গত ৬ মার্চ থেকে সারা দেশে যানবাহনে তেলের রেশনিং শুরু করে সরকার।

রেশনিংয়ের শুরুতে সরকারের জারি করা আদেশে বলা হয়েছিল, মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক ২ লিটার, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল দেওয়া হবে। এ ছাড়া পিকআপ বা লোকাল বাসের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কন্টেইনার ট্রাকের জন্য দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল।

পরে রেশনিং ব্যবস্থা কিছুটা শিথিল করা হয়। রাইডশেয়ারিং চালকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে মোটরসাইকেলের জ্বালানির সীমা ২ লিটার থেকে বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়। একইসঙ্গে সামগ্রিক রেশনিং ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছিল।

 

জ্বালানি তেল ক্রয়ে রেশনিং পদ্ধতি উঠে যাচ্ছে

জ্বালানি তেল ক্রয়ে রেশনিং পদ্ধতি উঠে যাচ্ছে

প্রকাশিত : ০৯:০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

জ্বালানি তেল ক্রয়ে রেশনিং পদ্ধতি তুলে দিতে যাচ্ছে সরকার। এতে করে সবধরনের তেল ক্রয়ে আর কোনো বাধ্যবাধকতা থাকছে না।

শনিবার (১৪ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (অপারেশন) মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা আশা করছি রোববার (১৫ মার্চ) থেকে জ্বালানি তেলে রেশনিং পদ্ধতি তুলে দেওয়া হবে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচল নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্বালানি তেল নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হলে গত ৬ মার্চ থেকে সারা দেশে যানবাহনে তেলের রেশনিং শুরু করে সরকার।

রেশনিংয়ের শুরুতে সরকারের জারি করা আদেশে বলা হয়েছিল, মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক ২ লিটার, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল দেওয়া হবে। এ ছাড়া পিকআপ বা লোকাল বাসের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কন্টেইনার ট্রাকের জন্য দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল।

পরে রেশনিং ব্যবস্থা কিছুটা শিথিল করা হয়। রাইডশেয়ারিং চালকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে মোটরসাইকেলের জ্বালানির সীমা ২ লিটার থেকে বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়। একইসঙ্গে সামগ্রিক রেশনিং ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছিল।