ঢাকা ১১:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

হাকালুকি থেকে হাওরাঞ্চল পর্যন্ত বোরোর ক্ষতির পরিমাণ ২১৬০ হেক্টর জমির ধান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:৪৯:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলায় চলতি মৌসুমে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জেলার বিভিন্ন হাওরাঞ্চল ও উপজেলায় মোট ২১৬০ হেক্টর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
এতে করে প্রায় ১০ হাজার ৮শত মেট্রিক টন রবিশষ্য সোনালী ধান উৎপাদন হারিয়েছেন কৃষকরা, যা স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা এবং প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জানা যায়, জেলার জুড়ির কাউয়া দীঘির হাওর এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। সেখানে ১০৫৫ হেক্টর জমির বোরো ধান পানিতে তলিয়ে বা অন্যান্য কারণে নষ্ট হয়েছে।
এছাড়া বড়লেখার হাকালুকি হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬২০ হেক্টর জমির ফসল।

উপজেলা পর্যায়ে শ্রীমঙ্গলে ২১৫ হেক্টর এবং কমলগঞ্জে আরও ২৭০ হেক্টর জমির ধান ক্ষতির মুখে পড়েছে। আকস্মিক বন্যা, অতিবৃষ্টি ও পানি নিষ্কাশনের সমস্যাকেই এই ক্ষতিসাধনের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, মৌসুমের শুরুতে ভালো ফলনের আশা থাকলেও শেষ সময়ে এসে প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবকিছু তলিয়ে গেছে। অনেক কৃষকই ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছিলেন, ফলে এই ক্ষতি তাদের জন্য চরম আর্থিক সংকট ও আগামী দিনের খাবার খোরাকের জন্য বেশ খড়কুট তা পুষিয়ে নেওয়ার মত সকল পথ বন্ধ করে দিয়েছে।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং সরকারি সহায়তা প্রদানের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফরে ঘোষণা অনুযায়ী আগামী তিন মাসের খাবার খোরাকের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন ক্ষতি কমাতে টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা ও আগাম সতর্কতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

দাউদকান্দিতে ইয়াবা গাজাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার

হাকালুকি থেকে হাওরাঞ্চল পর্যন্ত বোরোর ক্ষতির পরিমাণ ২১৬০ হেক্টর জমির ধান

প্রকাশিত : ০৯:৪৯:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলায় চলতি মৌসুমে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জেলার বিভিন্ন হাওরাঞ্চল ও উপজেলায় মোট ২১৬০ হেক্টর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
এতে করে প্রায় ১০ হাজার ৮শত মেট্রিক টন রবিশষ্য সোনালী ধান উৎপাদন হারিয়েছেন কৃষকরা, যা স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা এবং প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জানা যায়, জেলার জুড়ির কাউয়া দীঘির হাওর এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। সেখানে ১০৫৫ হেক্টর জমির বোরো ধান পানিতে তলিয়ে বা অন্যান্য কারণে নষ্ট হয়েছে।
এছাড়া বড়লেখার হাকালুকি হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬২০ হেক্টর জমির ফসল।

উপজেলা পর্যায়ে শ্রীমঙ্গলে ২১৫ হেক্টর এবং কমলগঞ্জে আরও ২৭০ হেক্টর জমির ধান ক্ষতির মুখে পড়েছে। আকস্মিক বন্যা, অতিবৃষ্টি ও পানি নিষ্কাশনের সমস্যাকেই এই ক্ষতিসাধনের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, মৌসুমের শুরুতে ভালো ফলনের আশা থাকলেও শেষ সময়ে এসে প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবকিছু তলিয়ে গেছে। অনেক কৃষকই ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছিলেন, ফলে এই ক্ষতি তাদের জন্য চরম আর্থিক সংকট ও আগামী দিনের খাবার খোরাকের জন্য বেশ খড়কুট তা পুষিয়ে নেওয়ার মত সকল পথ বন্ধ করে দিয়েছে।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং সরকারি সহায়তা প্রদানের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফরে ঘোষণা অনুযায়ী আগামী তিন মাসের খাবার খোরাকের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন ক্ষতি কমাতে টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা ও আগাম সতর্কতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।