ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

ফারুক : বিসিবি নির্বাচনে কোনো প্রতিপক্ষ ছিল না

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:১৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • ১২৬ বার দেখা হয়েছে

সবশেষ বিসিবির নির্বাচন নিয়ে চলতি মাসে তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল এনএসসি। এরপর একে একে বেশ কয়েকজনের সঙ্গে সাক্ষাত করেছে তদন্ত কমিটির সদস্যরা। সবশেষ রোববার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিটি কথা বলেছে বিসিবির সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদের সঙ্গে।

নির্বাচনের সময় নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিতে কয়েক ঘণ্টা দেরি হয়েছিল ফারুকের। তদন্ত কমিটির সঙ্গে কথা বলা শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ফারুক বলেন সেই বিষয়েও, ‘আপনারা জানেন তদন্ত কমিটিই হয় জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য। আমাদের ব্যাপারে নির্দিষ্ট দুই-তিনটা জিনিস জানতে চেয়েছিল, আমার সাবমিশনটা কেন দেরি হয়েছিল।’

‘আমি বলেছিলাম ওই চারটা দলের আমি যে দলের কাউন্সিলর সেই দলটাও ছিল। এদের একটা অভিযোগের ট্রাইব্যুনাল তৈরি হয়েছিল, ওই ট্রাইব্যুনালের ফলাফল দিতে দেরি হয়েছিল। তারপর সভাপতি, সিইও তাদের অনুমতি নিয়ে আমাকে দুই ঘণ্টা বাড়িয়ে দেয়। এটার ব্যাপারে পরের দিন আমাকে নির্বাচন কমিশনার ডেকেছিলেন সেখানেও বলতে হয়েছে কেন দেরি হয়েছে। আমি তাদেরও একই কথা বলেছি।’

নির্বাচনের আগে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন ১৫ জন। পরবর্তীতে আরও কয়েকজন একই অভিযোগ এনে সরে দাঁড়ান। ফারুক জানান, যেহেতু প্রতিপক্ষ ছিল না সে কারণে এখানে ম্যানিপুলেশনও হয়নি, ‘আমি বলেছি নির্বাচনে তো এখানে কোনো প্রতিপক্ষ ছিল না। সুতরাং এখানে ম্যানিপুলেশনের সম্ভাবনা কেমনে থাকবে? এখানে ভোটার ছিল ৭৬ জন, ৪২ ভোট কাস্ট হয়েছে এবং আমি সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছি। সুতরাং ওইখানে ৩৪ ভোট নাই। যেহেতু প্রতিপ্রক্ষ ছিল না ওইখানে ম্যানিপুলেশনের সম্ভাবনা কম থাকে, নাই বললেই চলে। আমার মনে হয় ভোটাভুটি যেটা হয়েছে ঠিকই হয়েছে।’

ফারুক : বিসিবি নির্বাচনে কোনো প্রতিপক্ষ ছিল না

প্রকাশিত : ০৯:১৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

সবশেষ বিসিবির নির্বাচন নিয়ে চলতি মাসে তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল এনএসসি। এরপর একে একে বেশ কয়েকজনের সঙ্গে সাক্ষাত করেছে তদন্ত কমিটির সদস্যরা। সবশেষ রোববার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিটি কথা বলেছে বিসিবির সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদের সঙ্গে।

নির্বাচনের সময় নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিতে কয়েক ঘণ্টা দেরি হয়েছিল ফারুকের। তদন্ত কমিটির সঙ্গে কথা বলা শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ফারুক বলেন সেই বিষয়েও, ‘আপনারা জানেন তদন্ত কমিটিই হয় জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য। আমাদের ব্যাপারে নির্দিষ্ট দুই-তিনটা জিনিস জানতে চেয়েছিল, আমার সাবমিশনটা কেন দেরি হয়েছিল।’

‘আমি বলেছিলাম ওই চারটা দলের আমি যে দলের কাউন্সিলর সেই দলটাও ছিল। এদের একটা অভিযোগের ট্রাইব্যুনাল তৈরি হয়েছিল, ওই ট্রাইব্যুনালের ফলাফল দিতে দেরি হয়েছিল। তারপর সভাপতি, সিইও তাদের অনুমতি নিয়ে আমাকে দুই ঘণ্টা বাড়িয়ে দেয়। এটার ব্যাপারে পরের দিন আমাকে নির্বাচন কমিশনার ডেকেছিলেন সেখানেও বলতে হয়েছে কেন দেরি হয়েছে। আমি তাদেরও একই কথা বলেছি।’

নির্বাচনের আগে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন ১৫ জন। পরবর্তীতে আরও কয়েকজন একই অভিযোগ এনে সরে দাঁড়ান। ফারুক জানান, যেহেতু প্রতিপক্ষ ছিল না সে কারণে এখানে ম্যানিপুলেশনও হয়নি, ‘আমি বলেছি নির্বাচনে তো এখানে কোনো প্রতিপক্ষ ছিল না। সুতরাং এখানে ম্যানিপুলেশনের সম্ভাবনা কেমনে থাকবে? এখানে ভোটার ছিল ৭৬ জন, ৪২ ভোট কাস্ট হয়েছে এবং আমি সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছি। সুতরাং ওইখানে ৩৪ ভোট নাই। যেহেতু প্রতিপ্রক্ষ ছিল না ওইখানে ম্যানিপুলেশনের সম্ভাবনা কম থাকে, নাই বললেই চলে। আমার মনে হয় ভোটাভুটি যেটা হয়েছে ঠিকই হয়েছে।’