ছেলের ইউনিভার্সিটিতে যাতায়াতের জন্য ঈদের আগে নতুন মোটরসাইকেল কিনেছেন খুলনার ফুলতলা দামোদর এলাকার বাসিন্দা আজাহার আলী। ভোগান্তি এড়াতে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে খুলনা বিআরটিএ অফিসে আসেন গাড়ির রেজিস্ট্রেশন করাতে। আবেদনও করেছেন তিনি।
আজাহার আলী বলেন, ছেলে নর্দার্ন ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া করে। তার যাতায়াতের সুবিধার্থে ঈদের কয়েকদিন আগে নতুন মোটরসাইকেল কিনে দিয়েছি। বৈশ্বিক কারণে তেলের সংকটসহ পথঘাটে বাড়তি ঝামেলা এড়াতে দ্রুত গাড়ির রেজিস্ট্রেশন করার জন্য বিআরটিএ অফিসে এসেছি।

শুধু আজাহার আলীই নয়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য মানুষ ছুটছে বিআরটিএ অফিসে।
মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, বিআরটিএ অফিসের মূল ভবনের পাশে টিনসেডের ভিতরে দুই পাশে ক্লাসরুমের মতো সারিবদ্ধভাবে অসংখ্য মানুষ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা দিতে এসেছেন। সেখানে কথা হয়, আরিফুল নামে এক ব্যক্তির সাথে।
খুলনার জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার বলেন, জ্বালানি তেলের তেমন কোনো সংকট নেই। আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই। তবে ক্রেতা এবং মালিক পক্ষ কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে যাচ্ছে। নড়াইলে ট্রাক চাপা দেওয়ার কারণে পাম্প মালিকরা কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, কাস্টমার এবং মালিকদের আতঙ্কের কারণেই সরকার ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দিয়েছে। তারা নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে যাতে তাদের সাহস দেয়। এছাড়া পেট্রোল পাম্পগুলোতে জেলা প্রশাসনের মনিটরিং চলছে। প্রতিদিন অন্তত দুইটি টিম মনিটরিংয়ে কাজ করছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 

















