ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মায়ের পরকিয়া প্রেমিককে গলাকেটে হত্যা,আটক ৩

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:০৩:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৯৩ বার দেখা হয়েছে

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: নীলফামারী জেলা সদরের টুপামারী ইউনিয়নের কিসামত দোগাছি গ্রামে পরকিয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মতিউল ইসলাম ওরফে মতিবুল (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক পলাতক থাকলেও তার বাবা-মা ও ছোট ভাইকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার(২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাটি ঘটে।নিহত মতিউল ইসলাম মতিবুল একই এলাকার হামিদ হোসেনের ছেলে।তার তিন মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,কিছুদিন আগে মতিউল ইসলাম একই এলাকার একরামুল হকের স্ত্রী তিন সন্তানের জননী সাহেরা বানুকে নিয়ে পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হলে সাহেরা বানু পুনরায় সংসারে ফিরে আসেন। তবে ওই ঘটনার জের ধরে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিলো। এমনকি একে অপরের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করেনি মতিউল ও সাহেরা।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতে সাহেরা বানুর বাড়ি আশপাশে ঘোরাফেরা করছিল মতিউল। এসময় তাকে সাহেরার বড় ছেলে আলামিন ইসলাম (২৩) দেখতে পায়। তাদের মাঝে কথা কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে আলামিন ধারালো তামাক কাটার কাস্তি দিয়ে মতিউল ইসলামের গলায় আঘাত করেন। গুরুতর আঘাতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান মতিউল। মতিউলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় আলামিন। খবর পেয়ে  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নীলফামারী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্)এ.বি.এম.ফয়জুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারুক আহমেদ, নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জিল্লুর রহমান। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে পাঠানো হয়।

এদিকে, ঘটনার পরপরই পুলিশ আলামিনের বাবা একরামুল হক(৫২), মা সাহেরা বানু(৪০) ও ছোট ভাই আপন ইসলামকে (১৬) আটক করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারুক আহমেদ জানান, তদন্ত চলছে। ঘটনার পর আলামিন পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সুস্থ থাকতে হার্টের যত্ন নেয়ার আহবানে বিশ্ব হার্ট দিবস পালন করা হয়েছে ফরিদপুরে

মায়ের পরকিয়া প্রেমিককে গলাকেটে হত্যা,আটক ৩

প্রকাশিত : ১১:০৩:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: নীলফামারী জেলা সদরের টুপামারী ইউনিয়নের কিসামত দোগাছি গ্রামে পরকিয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মতিউল ইসলাম ওরফে মতিবুল (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক পলাতক থাকলেও তার বাবা-মা ও ছোট ভাইকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার(২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাটি ঘটে।নিহত মতিউল ইসলাম মতিবুল একই এলাকার হামিদ হোসেনের ছেলে।তার তিন মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,কিছুদিন আগে মতিউল ইসলাম একই এলাকার একরামুল হকের স্ত্রী তিন সন্তানের জননী সাহেরা বানুকে নিয়ে পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হলে সাহেরা বানু পুনরায় সংসারে ফিরে আসেন। তবে ওই ঘটনার জের ধরে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিলো। এমনকি একে অপরের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করেনি মতিউল ও সাহেরা।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতে সাহেরা বানুর বাড়ি আশপাশে ঘোরাফেরা করছিল মতিউল। এসময় তাকে সাহেরার বড় ছেলে আলামিন ইসলাম (২৩) দেখতে পায়। তাদের মাঝে কথা কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে আলামিন ধারালো তামাক কাটার কাস্তি দিয়ে মতিউল ইসলামের গলায় আঘাত করেন। গুরুতর আঘাতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান মতিউল। মতিউলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় আলামিন। খবর পেয়ে  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নীলফামারী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্)এ.বি.এম.ফয়জুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারুক আহমেদ, নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জিল্লুর রহমান। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে পাঠানো হয়।

এদিকে, ঘটনার পরপরই পুলিশ আলামিনের বাবা একরামুল হক(৫২), মা সাহেরা বানু(৪০) ও ছোট ভাই আপন ইসলামকে (১৬) আটক করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারুক আহমেদ জানান, তদন্ত চলছে। ঘটনার পর আলামিন পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।