ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

৪০ বছর বিকেএসপির

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:১৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের আঁতুড়ঘর বিকেএসপি। ১৯৮৬ সালের ১৪ এপ্রিল সাভারের জিরানীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বাংলা নববর্ষের দিনেই প্রতিষ্ঠানটির জন্ম। তবে অন্য বছরগুলোর চেয়ে আজকের দিনটি বিকেএসপির জন্য একটু বেশি তাৎপর্যপূর্ণ; কারণ আজ চার দশক পূর্ণ করল দেশের এই শীর্ষ ক্রীড়া শিক্ষালয়।

বিশেষ এই দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করেছে বিকেএসপি। এ নিয়ে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক (ক্রীড়া) কর্নেল গোলাম মাবুদ হাসান বলেন, ‘সকালে জাতীয় সংগীত ও র্যালির পর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সরকারি নির্দেশনা (বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংক্রান্ত) অনুসারে এবার তেমন আড়ম্বরপূর্ণ কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়নি।’

আলোচনা সভায় শিক্ষার্থী, কোচ ও প্রিন্সিপাল বিকেএসপি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। কোচদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সাবেক জাতীয় হকি খেলোয়াড় মওদুদুর রহমান শুভ। শুভর অগ্রজ জাহিদ হোসেন রাজুর সঙ্গে বিকেএসপির সম্পর্ক দীর্ঘ ৪০ বছরের। খেলোয়াড় ও কোচ- উভয় ভূমিকাতেই চার দশক ধরে বিকেএসপির সঙ্গী তিনি।

আজকের দিনটি রাজুর জন্য অন্যদের চেয়ে একটু বেশি স্পেশাল। বিকেএসপির প্রথম ব্যাচের এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘খেলোয়াড় ও কোচ দুই ভূমিকাতেই বিকেএসপিকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। আমরা যখন ছাত্র ছিলাম, তখনকার চেয়ে এখন সুযোগ-সুবিধা অনেক বেড়েছে। অনেক নতুন ডিসিপ্লিনও যুক্ত হয়েছে।’

বিগত ৪০ বছরে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে অনেক কিছুই দিয়েছে বিকেএসপি। তবে প্রত্যাশার সবটুকু যে পূরণ হয়েছে, তা বলা যাবে না। বিকেএসপির অতীত ও বর্তমানকে একেবারে কাছ থেকে দেখা জাতীয় দলের সাবেক হকি কোচের পর্যবেক্ষণ হলো, ‘বিকেএসপি থেকে ব্যক্তিগত ইভেন্টে বেশ কয়েকজন বড় মাপের খেলোয়াড় উঠে এসেছে। নিয়মিত বিরতিতে বিভিন্ন খেলায় মেধাবী মুখ আসছে। তবে জনপ্রিয় দলীয় খেলা- ফুটবল, ক্রিকেট ও হকির প্রতি সবার প্রত্যাশা অনেক বেশি। এসব দলীয় খেলায় বিকেএসপির আরও অনেক কিছু দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।’

জনপ্রিয় সংবাদ

৪০ বছর বিকেএসপির

প্রকাশিত : ১২:১৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের আঁতুড়ঘর বিকেএসপি। ১৯৮৬ সালের ১৪ এপ্রিল সাভারের জিরানীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বাংলা নববর্ষের দিনেই প্রতিষ্ঠানটির জন্ম। তবে অন্য বছরগুলোর চেয়ে আজকের দিনটি বিকেএসপির জন্য একটু বেশি তাৎপর্যপূর্ণ; কারণ আজ চার দশক পূর্ণ করল দেশের এই শীর্ষ ক্রীড়া শিক্ষালয়।

বিশেষ এই দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করেছে বিকেএসপি। এ নিয়ে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক (ক্রীড়া) কর্নেল গোলাম মাবুদ হাসান বলেন, ‘সকালে জাতীয় সংগীত ও র্যালির পর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সরকারি নির্দেশনা (বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংক্রান্ত) অনুসারে এবার তেমন আড়ম্বরপূর্ণ কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়নি।’

আলোচনা সভায় শিক্ষার্থী, কোচ ও প্রিন্সিপাল বিকেএসপি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। কোচদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সাবেক জাতীয় হকি খেলোয়াড় মওদুদুর রহমান শুভ। শুভর অগ্রজ জাহিদ হোসেন রাজুর সঙ্গে বিকেএসপির সম্পর্ক দীর্ঘ ৪০ বছরের। খেলোয়াড় ও কোচ- উভয় ভূমিকাতেই চার দশক ধরে বিকেএসপির সঙ্গী তিনি।

আজকের দিনটি রাজুর জন্য অন্যদের চেয়ে একটু বেশি স্পেশাল। বিকেএসপির প্রথম ব্যাচের এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘খেলোয়াড় ও কোচ দুই ভূমিকাতেই বিকেএসপিকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। আমরা যখন ছাত্র ছিলাম, তখনকার চেয়ে এখন সুযোগ-সুবিধা অনেক বেড়েছে। অনেক নতুন ডিসিপ্লিনও যুক্ত হয়েছে।’

বিগত ৪০ বছরে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে অনেক কিছুই দিয়েছে বিকেএসপি। তবে প্রত্যাশার সবটুকু যে পূরণ হয়েছে, তা বলা যাবে না। বিকেএসপির অতীত ও বর্তমানকে একেবারে কাছ থেকে দেখা জাতীয় দলের সাবেক হকি কোচের পর্যবেক্ষণ হলো, ‘বিকেএসপি থেকে ব্যক্তিগত ইভেন্টে বেশ কয়েকজন বড় মাপের খেলোয়াড় উঠে এসেছে। নিয়মিত বিরতিতে বিভিন্ন খেলায় মেধাবী মুখ আসছে। তবে জনপ্রিয় দলীয় খেলা- ফুটবল, ক্রিকেট ও হকির প্রতি সবার প্রত্যাশা অনেক বেশি। এসব দলীয় খেলায় বিকেএসপির আরও অনেক কিছু দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।’