ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

ঝালকাঠির হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুর রহ.-এর ১৮তম ইন্তেকাল বার্ষিকী আজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৫:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে
বরিশাল প্রতিনিধি: জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকল মানুষের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র, “ইত্তেহাদ মা’য়াল ইখতেলাফ” (মতানৈক্যসহ ঐক্য) নীতির প্রবর্তক, প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন, দার্শনিক ও সমাজ সংস্কারক হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুর রহ.-এর ১৮তম ইন্তেকাল বার্ষিকী আজ।
২০০৮ সালের ২৮শে এপ্রিল, সোমবার সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন। তাঁর ইন্তেকালে দেশজুড়ে ধর্মপ্রাণ মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।
জীবদ্দশায় তিনি দ্বীনি শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। “মতানৈক্য থাকলেও ঐক্য বজায় রাখতে হবে”—এই দর্শনের মাধ্যমে তিনি সমাজে সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
ধর্মীয় বিভেদ ভুলে মানুষকে এক কাতারে আনার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। তিনি ছিলেন একজন ইনসানে কামেল, যাঁর আদর্শ আজও অসংখ্য মানুষের জীবন গঠনে প্রেরণা জোগায়।
দিনটি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে দোয়া মাহফিল, কোরআনখানি ও স্মরণসভাসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তাঁর অনুসারীরা গভীর শ্রদ্ধায় তাঁকে স্মরণ করছেন এবং তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

কাল বৈশাখী ঝড়ে কলাপাড়ায় ৫ টি বসতঘর বিধ্বস্ত

ঝালকাঠির হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুর রহ.-এর ১৮তম ইন্তেকাল বার্ষিকী আজ

প্রকাশিত : ০৫:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
বরিশাল প্রতিনিধি: জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকল মানুষের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র, “ইত্তেহাদ মা’য়াল ইখতেলাফ” (মতানৈক্যসহ ঐক্য) নীতির প্রবর্তক, প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন, দার্শনিক ও সমাজ সংস্কারক হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুর রহ.-এর ১৮তম ইন্তেকাল বার্ষিকী আজ।
২০০৮ সালের ২৮শে এপ্রিল, সোমবার সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন। তাঁর ইন্তেকালে দেশজুড়ে ধর্মপ্রাণ মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।
জীবদ্দশায় তিনি দ্বীনি শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। “মতানৈক্য থাকলেও ঐক্য বজায় রাখতে হবে”—এই দর্শনের মাধ্যমে তিনি সমাজে সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
ধর্মীয় বিভেদ ভুলে মানুষকে এক কাতারে আনার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। তিনি ছিলেন একজন ইনসানে কামেল, যাঁর আদর্শ আজও অসংখ্য মানুষের জীবন গঠনে প্রেরণা জোগায়।
দিনটি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে দোয়া মাহফিল, কোরআনখানি ও স্মরণসভাসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তাঁর অনুসারীরা গভীর শ্রদ্ধায় তাঁকে স্মরণ করছেন এবং তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন।