ঢাকা ০১:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

শার্শায় কৃষি ও শিল্পকে উন্নয়নশীল করতে ‘উলাশী জিয়া’র খাল’ পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন-প্রধানমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:১৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

Oplus_131072

শার্শা প্রতিনিধি: দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে কৃষি আধুনিকায়ন ও ব্যাপক শিল্পায়নের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৭ এপ্রিল) যশোরের শার্শা উপজেলায় ঐতিহাসিক ‘উলাশী জিয়া খাল’ পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধনকালে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী জিয়া খালের ফলক উন্মোচন করেন। প্রথাগত উদ্বোধনের বাইরে গিয়ে তিনি সরাসরি খালের ভেতরে নেমে পড়েন এবং নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে ঝুড়িতে ভরে শ্রমিকদের মাথায় তুলে দেন। শ্রমের প্রতি এই সম্মান প্রদর্শন উপস্থিত জনতাকে বিমোহিত করে। উদ্বোধন শেষে তিনি খালপাড়ে একটি বৃক্ষ রোপণ করেন।
জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া এই খালটি অবহেলা ও অবৈধ দখলে প্রাণ হারিয়েছিল। ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি পুনরায় খননের ফলে এলাকার ২০ হাজার কৃষক সরাসরি সেচ সুবিধা পাবেন, যা স্থানীয় খাদ্য উৎপাদনে রেকর্ড সৃষ্টি করবে।” তিনি আরও জানান, খালের দুই পাড়ে ৩ হাজার গাছ লাগানো হবে এবং স্থানীয় মহিলাদের স্বাবলম্বী করতে হাঁস-মুরগি পালনে উদ্বুদ্ধ করা হবে।
বেকারত্ব দূরীকরণ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানা চালু করা আমাদের অগ্রাধিকার। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে আমরা উৎপাদনমুখী কাজে লাগাতে চাই।” এছাড়াও বেনাপোল স্থলবন্দরে দ্রুত একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে এ বিষয়ে ইতোমধ্যেই আলোচনা হয়েছে।
বিগত ১৭ বছরের অপশাসনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “৫ আগস্ট ২০২৪-এর বিপ্লবের পর দেশ আজ ফ্যাসিবাদ মুক্ত। এখন সময় গড়ার। ষড়যন্ত্রকারীদের বিষয়ে সজাগ থেকে আমাদের দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে।” তিনি আগামী ৫ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃরোপণের বিশাল ল্ক্ষ্যমাত্রার কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে শিক্ষা ও নারীদের উন্নয়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন। তিনি বলেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার শুরু করা নারী শিার ধারাবাহিকতায় এখন থেকে ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করা হবে। মেধাবীদের জন্য থাকবে বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা। খালেদা জিয়া এইচ এস এসি পর্যন্ত নারী শিক্ষাকে অবৈতনিক করে দিয়েছিল।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহিদুজ্জামান চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেনসহ স্থানীয় সংসদ সদস্য আজিজুর রহমান, মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ এবং বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়াও শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটনসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

মৌলভীবাজারে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

শার্শায় কৃষি ও শিল্পকে উন্নয়নশীল করতে ‘উলাশী জিয়া’র খাল’ পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন-প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১১:১৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
শার্শা প্রতিনিধি: দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে কৃষি আধুনিকায়ন ও ব্যাপক শিল্পায়নের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৭ এপ্রিল) যশোরের শার্শা উপজেলায় ঐতিহাসিক ‘উলাশী জিয়া খাল’ পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধনকালে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী জিয়া খালের ফলক উন্মোচন করেন। প্রথাগত উদ্বোধনের বাইরে গিয়ে তিনি সরাসরি খালের ভেতরে নেমে পড়েন এবং নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে ঝুড়িতে ভরে শ্রমিকদের মাথায় তুলে দেন। শ্রমের প্রতি এই সম্মান প্রদর্শন উপস্থিত জনতাকে বিমোহিত করে। উদ্বোধন শেষে তিনি খালপাড়ে একটি বৃক্ষ রোপণ করেন।
জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া এই খালটি অবহেলা ও অবৈধ দখলে প্রাণ হারিয়েছিল। ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি পুনরায় খননের ফলে এলাকার ২০ হাজার কৃষক সরাসরি সেচ সুবিধা পাবেন, যা স্থানীয় খাদ্য উৎপাদনে রেকর্ড সৃষ্টি করবে।” তিনি আরও জানান, খালের দুই পাড়ে ৩ হাজার গাছ লাগানো হবে এবং স্থানীয় মহিলাদের স্বাবলম্বী করতে হাঁস-মুরগি পালনে উদ্বুদ্ধ করা হবে।
বেকারত্ব দূরীকরণ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানা চালু করা আমাদের অগ্রাধিকার। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে আমরা উৎপাদনমুখী কাজে লাগাতে চাই।” এছাড়াও বেনাপোল স্থলবন্দরে দ্রুত একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে এ বিষয়ে ইতোমধ্যেই আলোচনা হয়েছে।
বিগত ১৭ বছরের অপশাসনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “৫ আগস্ট ২০২৪-এর বিপ্লবের পর দেশ আজ ফ্যাসিবাদ মুক্ত। এখন সময় গড়ার। ষড়যন্ত্রকারীদের বিষয়ে সজাগ থেকে আমাদের দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে।” তিনি আগামী ৫ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃরোপণের বিশাল ল্ক্ষ্যমাত্রার কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে শিক্ষা ও নারীদের উন্নয়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন। তিনি বলেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার শুরু করা নারী শিার ধারাবাহিকতায় এখন থেকে ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করা হবে। মেধাবীদের জন্য থাকবে বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা। খালেদা জিয়া এইচ এস এসি পর্যন্ত নারী শিক্ষাকে অবৈতনিক করে দিয়েছিল।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহিদুজ্জামান চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেনসহ স্থানীয় সংসদ সদস্য আজিজুর রহমান, মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ এবং বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়াও শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটনসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।