ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

দুমকিতে হাম উপসর্গ ও নিউমোনিয়ায় শিশুর মৃত্যু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৬:০৭:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

জাহিদুল ইসলাম,দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকিতে হাম উপসর্গ ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাড়ে ৬ মাস বয়সী শিশু আয়মান মারা গেছে।
রবিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, আয়মান দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের সাতানী গ্রামের প্রবাসী আবু তালেবের ছেলে। তার বাবা সৌদি আরবে কর্মরত এবং মা লামিয়া তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ঈদের এক সপ্তাহ পর দাদাবাড়ি ফরিদপুরের রাজবাড়ী এলাকায় বেড়াতে গেলে আয়মান জ্বরে আক্রান্ত হয়। প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ফরিদপুরের একটি বেসরকারি মেডিকেলে চিকিৎসা নিলে সাময়িকভাবে সুস্থ হয়।
পরবর্তীতে গত ১৯ এপ্রিল আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শরীরে হাম ও নিউমোনিয়ার সংক্রমণ শনাক্ত হয়। অবস্থার অবনতি হলে ২৭ এপ্রিল তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়।


ঢাকার ডেমরার মাতুয়াইল এলাকার একটি হাসপাতালে পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উন্নতি না হওয়ায় ১ মে তাকে মহাখালীর ডিএনসিসি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ২ মে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। দীর্ঘ চিকিৎসার পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ৩ মে রাতে তার মৃত্যু হয়।
মৃত শিশুর মামা কলেজ শিক্ষক সোহেল আহম্মেদ অভিযোগ করেন, হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর প্রকৃত তথ্য সবসময় প্রকাশ পায় না। স্থানীয়রা জানায়, প্রতিরোধযোগ্য রোগ হওয়া সত্ত্বেও হাম এখনো শিশুদের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। তারা সময়মতো টিকাদান ও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সজিনা চাষে উদ্ভুদ্ধকরণ ও চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

দুমকিতে হাম উপসর্গ ও নিউমোনিয়ায় শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত : ০৬:০৭:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

জাহিদুল ইসলাম,দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকিতে হাম উপসর্গ ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাড়ে ৬ মাস বয়সী শিশু আয়মান মারা গেছে।
রবিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, আয়মান দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের সাতানী গ্রামের প্রবাসী আবু তালেবের ছেলে। তার বাবা সৌদি আরবে কর্মরত এবং মা লামিয়া তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ঈদের এক সপ্তাহ পর দাদাবাড়ি ফরিদপুরের রাজবাড়ী এলাকায় বেড়াতে গেলে আয়মান জ্বরে আক্রান্ত হয়। প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ফরিদপুরের একটি বেসরকারি মেডিকেলে চিকিৎসা নিলে সাময়িকভাবে সুস্থ হয়।
পরবর্তীতে গত ১৯ এপ্রিল আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শরীরে হাম ও নিউমোনিয়ার সংক্রমণ শনাক্ত হয়। অবস্থার অবনতি হলে ২৭ এপ্রিল তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়।


ঢাকার ডেমরার মাতুয়াইল এলাকার একটি হাসপাতালে পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উন্নতি না হওয়ায় ১ মে তাকে মহাখালীর ডিএনসিসি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ২ মে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। দীর্ঘ চিকিৎসার পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ৩ মে রাতে তার মৃত্যু হয়।
মৃত শিশুর মামা কলেজ শিক্ষক সোহেল আহম্মেদ অভিযোগ করেন, হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর প্রকৃত তথ্য সবসময় প্রকাশ পায় না। স্থানীয়রা জানায়, প্রতিরোধযোগ্য রোগ হওয়া সত্ত্বেও হাম এখনো শিশুদের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। তারা সময়মতো টিকাদান ও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।