ঢাকা ০৫:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

ডিমলায় একাধিক মামলার পলাতক আসামী রেজোয়ান গ্রেফতার,জনমনে স্বস্তি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০২:৫২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে
নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডিমলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে তিনটি গুরুতর মামলার এজাহারনামীয় ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মো. রেজোয়ান ইসলামকে (৩০)কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।বৃহস্পতিবার(৭ মে)বিকেলে উপজেলার মেডিকেল মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত রেজোয়ান উপজেলার গয়াবাড়ী ইউনিয়নের মতির বাজার এলাকার মো. জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।বিভিন্ন অপরাধেলিপ্ত রেজোয়ানের গ্রেফতারে তার বসবাসরত ইউনিয়নসহ পুরো উপজেলার মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসি সুত্রে জানা যায়, রেজোয়ানের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, চাঁদাবাজি ও অগ্নিসংযোগসহ একাধিক অভিযোগে ডিমলা থানায় তিনটি  মামলা রয়েছে। যা আদালতে বিচারাধীন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিমলা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। শুক্রবার তাকে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট নথিপত্র অনুযায়ী, রেজোয়ানের বিরুদ্ধে মোট তিনটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছরের ২০ মার্চ (২০/০৩/২৬)  দায়েরকৃত জিআর মামলা নং-৭০। এই মামলায় দাঙ্গা সৃষ্টি, পথরোধ করে মারপিট, প্রাণঘাতী অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম (ধারা ৩২৬/৩০৭) ও অগ্নিসংযোগ এবং সম্পদ ধ্বংসের (ধারা ৪৩৫/৪২৭) মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।এ ছাড়াও চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারী (১৮/০১/২৬)  দায়েরকৃত জিআর মামলা নং-১৪ এ  রেজোয়ানের বিরুদ্ধে বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ, চুরি (৩৭৯), চাঁদাবাজি (৩৮৫) ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
পাশাপাশি গত বছরের ২৫ মার্চ (২৫/০৩/২৫)  দায়েরকৃত জিআর মামলা নং-৫৩ এ  চাঁদাবাজি, মারপিট ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের এই দায়েরকৃত মামলায় আদালত কর্তৃক গ্রেফতারি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) জারি ছিল।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,আগে রেজোয়ান ঢাকায় থাকা কালিন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতেন পরিচয় দিলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে রেজোয়ান নিজেকে জামায়াতের নেতা হিসাবে দাবি করে দাপট দেখিয়ে চলতেন। তবে উপজেলা জামায়াত থেকে জানানো হয় সে দলের কেউ নন।এ ছাড়া রেজোয়ান ডিমলা উপজেলার দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল বার্তা বাজারের সাংবাদিক বলে পরিচয় দিতেন।দেশের সুনামধন্য এই দুই গণমাধ্যমে রেজোয়ানের মত অপরাধী রাতারাতি কিভাবে প্রতিনিধি বনে গেলেন তা জেলার সাংবাদিক সমাজকে ও স্থানীয়দের ভাবিয়ে তুলেছেন।
এলাকার একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, জামায়াত নেতা ও সাংবাদিক পরিচয়ের আড়ালে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত ছিল সে।টাকার জন্য এমন কোনো অপরাধ নেই যা সে করতে পারেনা। তার গ্রেফতারের খবরে বিভিন্নজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তদের মতামত প্রকাশ করে মন্তব্য বিভিন্ন কথা লিখেছেন।অনেকের মধ্যে সোহাগ খান লোহানী নামে এক ব্যক্তি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন,একটি গ্রেফতার বুঝিয়ে দিল অপরাধী কোন দলের নয়। বাকীরা সাবধান-সাংবাদিকতার নামে অপ সাংবাদিকতা বন্ধ করুন।
তার পোস্টের কমেন্টে আনোয়ার নামে দৈনিক ভোরের ডাক প্রতিনিধি লিখেছেন, এভাবে অপসাংবাদিক, বাটপার, ইগোধারীরা আইনি হেফাজতে আসুক।
ময়েন নামে এক ব্যক্তি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন,মাদক ব্যবসা,ভারতীয় গরু পাচার,অবৈধ পাথর-বালু উত্তোলন, ছিনতাই,চাদাবাজি,চেয়ারম্যানের উপড় হামলা,বিএনপি নেতাদের উপড় হামলা, ছেলে আটকিয়ে নিজের বোনকে দিয়ে অতিরিক্ত দেনমোহর বেধে দিয়ে জোরপুর্বক বিয়ে করিয়ে দেনমোহর আদায় করে তালাক দেয়া,নারী অপহরন,একাধিক বিয়ে করে অর্থ হাতিয়ে নেয়া,মবসৃষ্টি করা,সাধারণ মানুষদের ব্লাকমেইল করে অর্থ হাতিয়ে নেয়াসহ এমন কোনো অপরাধ নেই যা এই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি রেজোয়ান করেননি।তার বাবা একজন দিনমুজুর হওয়ার পরও বেকার রেজোয়ান কিভাবে পাঁচতলা বাড়ি নির্মাণ করছেন তাও প্রশাসনের খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
আজিনুর নামে আর এক ব্যক্তি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন,অল্প বয়সে পাকিলে বা—,দুঃখ থাকে চিরো কাল।৩ দিনের সাংবাদিক, বিশাল বড়।
তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হোক।আলোচিত ব্যক্তি রেজোয়ানকে গ্রেপ্তার করেছে ডিমলা থানা পুলিশ। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানা গেছে।রেজোয়ানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, নারী অপহরণকারী, মব সন্ত্রাসকারী, একাধিক বিয়ে, মাদক ব্যবসা ও সাধারণ মানুষের মানহানির মতো বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও তিনি এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে গয়া বাড়ী ইউনিয়ন ও টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করছিলেন।
তিনি জামাত-শিবিরের রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম পরিচালনা করতেন। ডিমলা থানা পুলিশের এই অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয়রা পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি নবাগত নীলফামারী পুলিশ সুপারের কাছে এলাকাবাসী অনুরোধ জানিয়েছেন, যেন অভিযুক্তকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য উদঘাটন করা হয় এবং ভবিষ্যতে তিনি যেন জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারেন, সে বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।আরিফুজ্জামান আরিফ নামের একজন লিখেছেন ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী হওয়ায় সাংবাদিক রেজোয়ানকে গ্রেফতার করেছে ডিমলা থানা পুলিশ। এই ফেসবুক পোস্টে কমেন্টে এ,বি সিদ্দিক নামের একজন লিখেছেন সাংবাদিক নয়,সে একজন সাংঘাতিক। জামায়াতকে পুঁজি করে অনেক দূর্ণীতি ও অনিয়মের সাথে জড়িত এই ব্যক্তি।
অনেকেই বলছেন,বেকার রেজোয়ানের বাবা একজন দিনমুজুর।কিন্তু রেজোয়ান তার বসতবাড়িতি বর্তমানে পাঁচতলা ভবনের ভিত্তি দিয়ে কাজ চলমান রেখেছেন।
তাই তারা তার অর্থের উৎস কোথায় তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছে।
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শওকত আলী সরকার জানায়, আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়। রেজোয়ান ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। তিনি  পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেফতারের পর যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডিমলায় একাধিক মামলার পলাতক আসামী রেজোয়ান গ্রেফতার,জনমনে স্বস্তি

ডিমলায় একাধিক মামলার পলাতক আসামী রেজোয়ান গ্রেফতার,জনমনে স্বস্তি

প্রকাশিত : ০২:৫২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডিমলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে তিনটি গুরুতর মামলার এজাহারনামীয় ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মো. রেজোয়ান ইসলামকে (৩০)কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।বৃহস্পতিবার(৭ মে)বিকেলে উপজেলার মেডিকেল মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত রেজোয়ান উপজেলার গয়াবাড়ী ইউনিয়নের মতির বাজার এলাকার মো. জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।বিভিন্ন অপরাধেলিপ্ত রেজোয়ানের গ্রেফতারে তার বসবাসরত ইউনিয়নসহ পুরো উপজেলার মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসি সুত্রে জানা যায়, রেজোয়ানের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, চাঁদাবাজি ও অগ্নিসংযোগসহ একাধিক অভিযোগে ডিমলা থানায় তিনটি  মামলা রয়েছে। যা আদালতে বিচারাধীন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিমলা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। শুক্রবার তাকে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট নথিপত্র অনুযায়ী, রেজোয়ানের বিরুদ্ধে মোট তিনটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছরের ২০ মার্চ (২০/০৩/২৬)  দায়েরকৃত জিআর মামলা নং-৭০। এই মামলায় দাঙ্গা সৃষ্টি, পথরোধ করে মারপিট, প্রাণঘাতী অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম (ধারা ৩২৬/৩০৭) ও অগ্নিসংযোগ এবং সম্পদ ধ্বংসের (ধারা ৪৩৫/৪২৭) মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।এ ছাড়াও চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারী (১৮/০১/২৬)  দায়েরকৃত জিআর মামলা নং-১৪ এ  রেজোয়ানের বিরুদ্ধে বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ, চুরি (৩৭৯), চাঁদাবাজি (৩৮৫) ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
পাশাপাশি গত বছরের ২৫ মার্চ (২৫/০৩/২৫)  দায়েরকৃত জিআর মামলা নং-৫৩ এ  চাঁদাবাজি, মারপিট ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের এই দায়েরকৃত মামলায় আদালত কর্তৃক গ্রেফতারি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) জারি ছিল।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,আগে রেজোয়ান ঢাকায় থাকা কালিন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতেন পরিচয় দিলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে রেজোয়ান নিজেকে জামায়াতের নেতা হিসাবে দাবি করে দাপট দেখিয়ে চলতেন। তবে উপজেলা জামায়াত থেকে জানানো হয় সে দলের কেউ নন।এ ছাড়া রেজোয়ান ডিমলা উপজেলার দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল বার্তা বাজারের সাংবাদিক বলে পরিচয় দিতেন।দেশের সুনামধন্য এই দুই গণমাধ্যমে রেজোয়ানের মত অপরাধী রাতারাতি কিভাবে প্রতিনিধি বনে গেলেন তা জেলার সাংবাদিক সমাজকে ও স্থানীয়দের ভাবিয়ে তুলেছেন।
এলাকার একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, জামায়াত নেতা ও সাংবাদিক পরিচয়ের আড়ালে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত ছিল সে।টাকার জন্য এমন কোনো অপরাধ নেই যা সে করতে পারেনা। তার গ্রেফতারের খবরে বিভিন্নজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তদের মতামত প্রকাশ করে মন্তব্য বিভিন্ন কথা লিখেছেন।অনেকের মধ্যে সোহাগ খান লোহানী নামে এক ব্যক্তি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন,একটি গ্রেফতার বুঝিয়ে দিল অপরাধী কোন দলের নয়। বাকীরা সাবধান-সাংবাদিকতার নামে অপ সাংবাদিকতা বন্ধ করুন।
তার পোস্টের কমেন্টে আনোয়ার নামে দৈনিক ভোরের ডাক প্রতিনিধি লিখেছেন, এভাবে অপসাংবাদিক, বাটপার, ইগোধারীরা আইনি হেফাজতে আসুক।
ময়েন নামে এক ব্যক্তি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন,মাদক ব্যবসা,ভারতীয় গরু পাচার,অবৈধ পাথর-বালু উত্তোলন, ছিনতাই,চাদাবাজি,চেয়ারম্যানের উপড় হামলা,বিএনপি নেতাদের উপড় হামলা, ছেলে আটকিয়ে নিজের বোনকে দিয়ে অতিরিক্ত দেনমোহর বেধে দিয়ে জোরপুর্বক বিয়ে করিয়ে দেনমোহর আদায় করে তালাক দেয়া,নারী অপহরন,একাধিক বিয়ে করে অর্থ হাতিয়ে নেয়া,মবসৃষ্টি করা,সাধারণ মানুষদের ব্লাকমেইল করে অর্থ হাতিয়ে নেয়াসহ এমন কোনো অপরাধ নেই যা এই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি রেজোয়ান করেননি।তার বাবা একজন দিনমুজুর হওয়ার পরও বেকার রেজোয়ান কিভাবে পাঁচতলা বাড়ি নির্মাণ করছেন তাও প্রশাসনের খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
আজিনুর নামে আর এক ব্যক্তি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন,অল্প বয়সে পাকিলে বা—,দুঃখ থাকে চিরো কাল।৩ দিনের সাংবাদিক, বিশাল বড়।
তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হোক।আলোচিত ব্যক্তি রেজোয়ানকে গ্রেপ্তার করেছে ডিমলা থানা পুলিশ। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানা গেছে।রেজোয়ানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, নারী অপহরণকারী, মব সন্ত্রাসকারী, একাধিক বিয়ে, মাদক ব্যবসা ও সাধারণ মানুষের মানহানির মতো বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও তিনি এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে গয়া বাড়ী ইউনিয়ন ও টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করছিলেন।
তিনি জামাত-শিবিরের রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম পরিচালনা করতেন। ডিমলা থানা পুলিশের এই অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয়রা পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি নবাগত নীলফামারী পুলিশ সুপারের কাছে এলাকাবাসী অনুরোধ জানিয়েছেন, যেন অভিযুক্তকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য উদঘাটন করা হয় এবং ভবিষ্যতে তিনি যেন জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারেন, সে বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।আরিফুজ্জামান আরিফ নামের একজন লিখেছেন ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী হওয়ায় সাংবাদিক রেজোয়ানকে গ্রেফতার করেছে ডিমলা থানা পুলিশ। এই ফেসবুক পোস্টে কমেন্টে এ,বি সিদ্দিক নামের একজন লিখেছেন সাংবাদিক নয়,সে একজন সাংঘাতিক। জামায়াতকে পুঁজি করে অনেক দূর্ণীতি ও অনিয়মের সাথে জড়িত এই ব্যক্তি।
অনেকেই বলছেন,বেকার রেজোয়ানের বাবা একজন দিনমুজুর।কিন্তু রেজোয়ান তার বসতবাড়িতি বর্তমানে পাঁচতলা ভবনের ভিত্তি দিয়ে কাজ চলমান রেখেছেন।
তাই তারা তার অর্থের উৎস কোথায় তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছে।
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শওকত আলী সরকার জানায়, আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়। রেজোয়ান ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। তিনি  পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেফতারের পর যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।