হাম না কি সাধারণ জ্বর, সেটি প্রাথমিক অবস্থায় বুঝতে পারেন না অনেকেই। অনেকে সাধারণ জ্বরকে হামের লক্ষণ মনে করে ঘাবড়ে যান, অনেকে আবার হামের লক্ষণগুলো চিনতে না পেরে সাধারণ ভাইরাল জ্বর মনে করে অতটা গুরুত্ব দেন না। আপনার বা আপনার বাড়ির ক্ষুদে সদস্যটির যদি হঠাৎ জ্বর এবং তার সঙ্গে আরও কিছু লক্ষণ দেখা দেয়, তবে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক হামের লক্ষণ সম্পর্কে-
প্রাথমিক লক্ষণ (প্রোড্রোমাল পর্যায়)
তীব্র জ্বর: ১০৪° ফারেনহাইট (৪০° সেলসিয়াস)-এর বেশি হতে পারে।
‘থ্রি সি’: কাশি, সর্দি (নাক দিয়ে পানি পড়া), এবং কনজাংটিভাইটিস (চোখ লাল হয়ে পানি পড়া)।
কপলিক স্পট: লাল পটভূমিতে নীলচে-সাদা কেন্দ্রযুক্ত ছোট ছোট সাদা দাগ, যা সাধারণত লক্ষণ শুরু হওয়ার ২-৩ দিন পর মুখ/গালের ভেতরে দেখা যায়।
সাধারণ অসুস্থতাবোধ: ক্লান্তি, শরীরে ব্যথা এবং ক্ষুধামন্দা।

র্যাশের পর্যায়
চেহারা: লাল, ছোপ ছোপ দাগযুক্ত, ম্যাকুলোপ্যাপুলার র্যাশ (সমতল এবং উঁচু)।
বিস্তার: চুলের গোড়া/মুখ থেকে শুরু হয়ে নিচের দিকে ঘাড়, ধড়, হাত, পা এবং পায়ের পাতায় ছড়িয়ে পড়ে।
স্থায়িত্ব: ৪-৭ দিন স্থায়ী হয়, এই সময়ে প্রায়শই জ্বর বেড়ে যায়।
ত্বকের রঙ সংক্রান্ত দ্রষ্টব্য: র্যাশ বেগুনি, বাদামী বা আশেপাশের ত্বকের চেয়ে গাঢ় রঙের হতে পারে।
যেসব সাধারণ জটিলতা দেখা দিতে পারে
* ডায়রিয়া এবং বমি।
* কানের সংক্রমণ।
* নিউমোনিয়া।
কখন চিকিৎসা নেবেন
যদি আপনার বা আপনার সন্তানের হাম হয়েছে বলে সন্দেহ হয়, তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিন, বিশেষ করে যদি আপনি ভাইরাসে আক্রান্ত কারো সংস্পর্শে এসে থাকেন বা টিকা না নিয়ে থাকেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















