ঢাকা ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

শুধু অনলাইনে মিলবে ঈদে ট্রেনের টিকিট

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:২৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট ১৩ মে থেকে এবং ফিরতি যাত্রার টিকিট ২১ মে থেকে শতভাগ অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ঈদ উপলক্ষ্যে ৫ জোড়া বিশেষ ট্রেন ও ৩টি ক্যাটেল স্পেশাল ট্রেন চালানো হবে।

এছাড়া টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধ, স্টেশনে বাড়তি নিরাপত্তা, অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন, ট্রেনের ছাদে যাত্রী পরিবহন বন্ধ এবং বিশেষ মনিটরিং সেল গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

গত ৫ মে রেলভবনের সম্মেলন কক্ষে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রহমান, ডিএমপি কমিশনার মো. সরওয়ার, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ মন্ত্রণালয় ও রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভা সূত্রে জানা গেছে, ১৩ মে বিক্রি হবে ২৩ মে’র যাত্রার টিকিট। একইভাবে ১৪, ১৫, ১৬ ও ১৭ মে বিক্রি হবে যথাক্রমে ২৪, ২৫, ২৬ ও ২৭ মে’র যাত্রার টিকিট। ঈদ ফেরত যাত্রার ক্ষেত্রে ২১, ২২, ২৩, ২৪ ও ২৫ মে বিক্রি হবে যথাক্রমে ৩১ মে এবং ১, ২, ৩ ও ৪ জুনের টিকিট। এছাড়া ঈদের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২৮, ২৯ ও ৩০ মে’র যাত্রার টিকিট বিক্রি করা হবে।

রেলওয়ে জানিয়েছে, পশ্চিমাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট দুপুর ২টা থেকে অনলাইনে বিক্রি হবে। একজন যাত্রী ঈদ অগ্রিম ও ফিরতি যাত্রায় একবার করে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। এসব টিকিট ফেরতযোগ্য হবে না। তবে যাত্রার দিন মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।

ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল-১ ও ২, তিস্তা ঈদ স্পেশাল-৩ ও ৪, শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল-৫, ৬, ৭ ও ৮ এবং পার্বতীপুর ঈদ স্পেশাল-৯ ও ১০ ট্রেন পরিচালনা করা হবে। চট্টগ্রাম-চাঁদপুর, ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ, ভৈরববাজার-কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ এবং জয়দেবপুর-পার্বতীপুর রুটে এসব ট্রেন চলাচল করবে। ঈদের আগে ও পরে নির্ধারিত কয়েক দিন এসব বিশেষ ট্রেন চলবে। শোলাকিয়া স্পেশাল ট্রেন দুটি শুধুমাত্র ঈদের দিন চলাচল করবে।

প্রতিবছরের মতো এবারও তিনটি ক্যাটেল স্পেশাল ট্রেন চালানো হবে। ক্যাটেল স্পেশাল-১ ও ৩ দেওয়ানগঞ্জ বাজার থেকে এবং ক্যাটেল স্পেশাল-২ ইসলামপুর বাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবে। এসব ট্রেনে ব্রেকভ্যানসহ ২৬টি কোচ থাকবে এবং পশু পরিবহনের সুবিধার্থে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হবে।

ঈদের আগে ২৩ মে থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত সব আন্তঃনগর ট্রেনের সাপ্তাহিক অফ-ডে প্রত্যাহার করা হবে। ঈদের পর আবার আগের নিয়মে অফ-ডে কার্যকর হবে। একইসঙ্গে জয়দেবপুর ও বিমানবন্দর স্টেশন থেকে ঢাকামুখী এবং ঢাকার দিক থেকে ওই স্টেশনমুখী কিছু আন্তঃনগর ট্রেনে টিকিট বিক্রি বন্ধ রাখা হবে। এছাড়া ঢাকাগামী কয়েকটি ট্রেনের বিমানবন্দর স্টেশনে যাত্রাবিরতিও সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।

নিরাপত্তা জোরদারে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন ও বিমানবন্দর স্টেশন এলাকায় ডিএমপি ও র‍্যাবের কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হবে। স্টেশনে প্রবেশপথে জিগজ্যাগ বেষ্টনী তৈরি করে শুধু টিকিটধারী যাত্রীদের প্রবেশ নিশ্চিত করা হবে। অরক্ষিত প্রবেশপথগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হবে। এছাড়া ঢাকা, বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, সিলেট, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভৈরববাজার, ময়মনসিংহ, জামালপুর ও টঙ্গী স্টেশনে অতিরিক্ত পুলিশ, র‍্যাব ও আরএনবি সদস্য মোতায়েন করা হবে।

খিলগাঁও ও আশকোনা রেলগেটে ক্যাম্প স্থাপন করা হবে, যাতে কেউ অবৈধভাবে স্টেশনে প্রবেশ করতে না পারে। একই সঙ্গে ট্রেনের ছাদে যাত্রী পরিবহন ও অতিরিক্ত যাত্রী বহন ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্টেশনে টুল বা মই নিয়ে প্রবেশও নিষিদ্ধ থাকবে।

টিকিট কালোবাজারি ঠেকাতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টিকিট কেনাবেচা সংক্রান্ত পেজ ও কার্যক্রম গোয়েন্দা নজরদারিতে থাকবে। কোনো রেলকর্মী কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়া রেললাইন, স্লিপার ও জয়েন্ট নিয়মিত পরীক্ষা, ট্রলির মাধ্যমে পেট্রোলিং, রিলিফ ট্রেন প্রস্তুত রাখা এবং যাত্রা বিলম্ব হলে মোবাইল মেসেজ ও স্টেশন ঘোষণার মাধ্যমে যাত্রীদের দ্রুত অবহিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাত্রীসেবা নিশ্চিতে কল সেন্টার ‘১৩১’ আরও সক্রিয় করা হবে এবং ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনসহ বিভিন্ন স্টেশনে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

রেলওয়ে জানিয়েছে, ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে টিকিট বিক্রি, বিশেষ ট্রেন পরিচালনা, যাত্রী নিরাপত্তা ও কালোবাজারি প্রতিরোধে ভিজিল্যান্স টিম ও বিশেষ তদারকি টিম গঠন করা হবে। পাশাপাশি দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি বিশেষ সেলও কাজ করবে।

পিস্তল ও গুলিসহ আটক ৩ সাভারে

শুধু অনলাইনে মিলবে ঈদে ট্রেনের টিকিট

প্রকাশিত : ০৯:২৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট ১৩ মে থেকে এবং ফিরতি যাত্রার টিকিট ২১ মে থেকে শতভাগ অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ঈদ উপলক্ষ্যে ৫ জোড়া বিশেষ ট্রেন ও ৩টি ক্যাটেল স্পেশাল ট্রেন চালানো হবে।

এছাড়া টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধ, স্টেশনে বাড়তি নিরাপত্তা, অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন, ট্রেনের ছাদে যাত্রী পরিবহন বন্ধ এবং বিশেষ মনিটরিং সেল গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

গত ৫ মে রেলভবনের সম্মেলন কক্ষে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রহমান, ডিএমপি কমিশনার মো. সরওয়ার, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ মন্ত্রণালয় ও রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভা সূত্রে জানা গেছে, ১৩ মে বিক্রি হবে ২৩ মে’র যাত্রার টিকিট। একইভাবে ১৪, ১৫, ১৬ ও ১৭ মে বিক্রি হবে যথাক্রমে ২৪, ২৫, ২৬ ও ২৭ মে’র যাত্রার টিকিট। ঈদ ফেরত যাত্রার ক্ষেত্রে ২১, ২২, ২৩, ২৪ ও ২৫ মে বিক্রি হবে যথাক্রমে ৩১ মে এবং ১, ২, ৩ ও ৪ জুনের টিকিট। এছাড়া ঈদের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২৮, ২৯ ও ৩০ মে’র যাত্রার টিকিট বিক্রি করা হবে।

রেলওয়ে জানিয়েছে, পশ্চিমাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট দুপুর ২টা থেকে অনলাইনে বিক্রি হবে। একজন যাত্রী ঈদ অগ্রিম ও ফিরতি যাত্রায় একবার করে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। এসব টিকিট ফেরতযোগ্য হবে না। তবে যাত্রার দিন মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।

ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল-১ ও ২, তিস্তা ঈদ স্পেশাল-৩ ও ৪, শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল-৫, ৬, ৭ ও ৮ এবং পার্বতীপুর ঈদ স্পেশাল-৯ ও ১০ ট্রেন পরিচালনা করা হবে। চট্টগ্রাম-চাঁদপুর, ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ, ভৈরববাজার-কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ এবং জয়দেবপুর-পার্বতীপুর রুটে এসব ট্রেন চলাচল করবে। ঈদের আগে ও পরে নির্ধারিত কয়েক দিন এসব বিশেষ ট্রেন চলবে। শোলাকিয়া স্পেশাল ট্রেন দুটি শুধুমাত্র ঈদের দিন চলাচল করবে।

প্রতিবছরের মতো এবারও তিনটি ক্যাটেল স্পেশাল ট্রেন চালানো হবে। ক্যাটেল স্পেশাল-১ ও ৩ দেওয়ানগঞ্জ বাজার থেকে এবং ক্যাটেল স্পেশাল-২ ইসলামপুর বাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবে। এসব ট্রেনে ব্রেকভ্যানসহ ২৬টি কোচ থাকবে এবং পশু পরিবহনের সুবিধার্থে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হবে।

ঈদের আগে ২৩ মে থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত সব আন্তঃনগর ট্রেনের সাপ্তাহিক অফ-ডে প্রত্যাহার করা হবে। ঈদের পর আবার আগের নিয়মে অফ-ডে কার্যকর হবে। একইসঙ্গে জয়দেবপুর ও বিমানবন্দর স্টেশন থেকে ঢাকামুখী এবং ঢাকার দিক থেকে ওই স্টেশনমুখী কিছু আন্তঃনগর ট্রেনে টিকিট বিক্রি বন্ধ রাখা হবে। এছাড়া ঢাকাগামী কয়েকটি ট্রেনের বিমানবন্দর স্টেশনে যাত্রাবিরতিও সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।

নিরাপত্তা জোরদারে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন ও বিমানবন্দর স্টেশন এলাকায় ডিএমপি ও র‍্যাবের কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হবে। স্টেশনে প্রবেশপথে জিগজ্যাগ বেষ্টনী তৈরি করে শুধু টিকিটধারী যাত্রীদের প্রবেশ নিশ্চিত করা হবে। অরক্ষিত প্রবেশপথগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হবে। এছাড়া ঢাকা, বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, সিলেট, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভৈরববাজার, ময়মনসিংহ, জামালপুর ও টঙ্গী স্টেশনে অতিরিক্ত পুলিশ, র‍্যাব ও আরএনবি সদস্য মোতায়েন করা হবে।

খিলগাঁও ও আশকোনা রেলগেটে ক্যাম্প স্থাপন করা হবে, যাতে কেউ অবৈধভাবে স্টেশনে প্রবেশ করতে না পারে। একই সঙ্গে ট্রেনের ছাদে যাত্রী পরিবহন ও অতিরিক্ত যাত্রী বহন ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্টেশনে টুল বা মই নিয়ে প্রবেশও নিষিদ্ধ থাকবে।

টিকিট কালোবাজারি ঠেকাতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টিকিট কেনাবেচা সংক্রান্ত পেজ ও কার্যক্রম গোয়েন্দা নজরদারিতে থাকবে। কোনো রেলকর্মী কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়া রেললাইন, স্লিপার ও জয়েন্ট নিয়মিত পরীক্ষা, ট্রলির মাধ্যমে পেট্রোলিং, রিলিফ ট্রেন প্রস্তুত রাখা এবং যাত্রা বিলম্ব হলে মোবাইল মেসেজ ও স্টেশন ঘোষণার মাধ্যমে যাত্রীদের দ্রুত অবহিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাত্রীসেবা নিশ্চিতে কল সেন্টার ‘১৩১’ আরও সক্রিয় করা হবে এবং ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনসহ বিভিন্ন স্টেশনে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

রেলওয়ে জানিয়েছে, ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে টিকিট বিক্রি, বিশেষ ট্রেন পরিচালনা, যাত্রী নিরাপত্তা ও কালোবাজারি প্রতিরোধে ভিজিল্যান্স টিম ও বিশেষ তদারকি টিম গঠন করা হবে। পাশাপাশি দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি বিশেষ সেলও কাজ করবে।