ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

মায়ের মৃত্যুর আগে আমার মৃত্যু হোক : ফারিণ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে

জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। তবে আজকের এই ‘তাসনিয়া ফারিণ’ হয়ে ওঠার পেছনে লুকিয়ে আছে এক নারীর দীর্ঘ লড়াই আর ত্যাগের গল্প। তিনি ফারিণের মা। মা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিজের জীবনের সেই অজানার অধ্যায়গুলো তুলে ধরে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এই অভিনেত্রী।

অনুষ্ঠানে ফারিণ জানান, তার আজকের এই অবস্থানের পেছনে বাবার চেয়ে মায়ের অবদানই মূখ্য। তিনি বলেন, ‘আমার মা আমার বাবার সাথে যুদ্ধ করে আমাকে নাচের স্কুলে ভর্তি করেছেন। মানুষ ইমোশনটাকে দুর্বলতা মনে করে।’

‘আমি ইউজুয়ালি ভেরি ইমোশনাল, কিন্তু ইমোশন দেখাতে চাই না। তবে আজ এখানে সবার মাঝে হয়তো আমি সবচেয়ে ইয়াঙ্গেস্ট। এই বয়সে আমার এত অর্জন আমি কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি। কিন্তু আমার মা ভেবেছিলেন।’

ফারিণ আরও বলেন, ‘আমার অভিনয় জীবনের যাত্রা বা গান শেখা সবকিছুর পেছনেই আমার মায়ের অবদান। এটা আমার বাবা না, সম্পূর্ণ আমার মায়ের অবদান। পরীক্ষার মাঝখানে কোনো কাজ আসলে মা বাবার সাথে ফাইট করতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, তোমার মেয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি অন্য সব বিষয়েও ভালো করবে।’

তার কথায়, ‘মা আমার স্কুল ছুটির পর বসে থাকতেন, আমাকে নিয়ে নজরুল একাডেমিতে গানের ক্লাসে যেতেন। রিহার্সাল চললে রাত ১০টা পর্যন্ত আমি স্কুল ড্রেস পরে বসে থাকতাম, মা বাসা থেকে খাবার নিয়ে আসতেন।’

ক্যারিয়ারের শুরুতে মায়ের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রথম যখন কাজের অফার আসে, মা-ই আমাকে জোর করেছিলেন। তিনিই প্রথম আমার ভেতরের সৃজনশীলতাকে চিনতে পেরেছিলেন।

ফারিণ বলেন, ‘তিনি সবসময় আমার পাশে বটগাছের মতো ছিলেন, এখনো আছেন। আমি চাই আমার মায়ের মৃত্যুর আগে যেন আমার মৃত্যু হয়। কারণ, এটা আসলে আমি সইতে পারব না, দেখতে চাই না।’

মায়ের মৃত্যুর আগে আমার মৃত্যু হোক : ফারিণ

প্রকাশিত : ১০:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। তবে আজকের এই ‘তাসনিয়া ফারিণ’ হয়ে ওঠার পেছনে লুকিয়ে আছে এক নারীর দীর্ঘ লড়াই আর ত্যাগের গল্প। তিনি ফারিণের মা। মা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিজের জীবনের সেই অজানার অধ্যায়গুলো তুলে ধরে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এই অভিনেত্রী।

অনুষ্ঠানে ফারিণ জানান, তার আজকের এই অবস্থানের পেছনে বাবার চেয়ে মায়ের অবদানই মূখ্য। তিনি বলেন, ‘আমার মা আমার বাবার সাথে যুদ্ধ করে আমাকে নাচের স্কুলে ভর্তি করেছেন। মানুষ ইমোশনটাকে দুর্বলতা মনে করে।’

‘আমি ইউজুয়ালি ভেরি ইমোশনাল, কিন্তু ইমোশন দেখাতে চাই না। তবে আজ এখানে সবার মাঝে হয়তো আমি সবচেয়ে ইয়াঙ্গেস্ট। এই বয়সে আমার এত অর্জন আমি কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি। কিন্তু আমার মা ভেবেছিলেন।’

ফারিণ আরও বলেন, ‘আমার অভিনয় জীবনের যাত্রা বা গান শেখা সবকিছুর পেছনেই আমার মায়ের অবদান। এটা আমার বাবা না, সম্পূর্ণ আমার মায়ের অবদান। পরীক্ষার মাঝখানে কোনো কাজ আসলে মা বাবার সাথে ফাইট করতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, তোমার মেয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি অন্য সব বিষয়েও ভালো করবে।’

তার কথায়, ‘মা আমার স্কুল ছুটির পর বসে থাকতেন, আমাকে নিয়ে নজরুল একাডেমিতে গানের ক্লাসে যেতেন। রিহার্সাল চললে রাত ১০টা পর্যন্ত আমি স্কুল ড্রেস পরে বসে থাকতাম, মা বাসা থেকে খাবার নিয়ে আসতেন।’

ক্যারিয়ারের শুরুতে মায়ের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রথম যখন কাজের অফার আসে, মা-ই আমাকে জোর করেছিলেন। তিনিই প্রথম আমার ভেতরের সৃজনশীলতাকে চিনতে পেরেছিলেন।

ফারিণ বলেন, ‘তিনি সবসময় আমার পাশে বটগাছের মতো ছিলেন, এখনো আছেন। আমি চাই আমার মায়ের মৃত্যুর আগে যেন আমার মৃত্যু হয়। কারণ, এটা আসলে আমি সইতে পারব না, দেখতে চাই না।’