কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩১ সেমিন্টমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। অপরদিকে দুধকুমার ৭৩ ও ধরলা নদীর পানি ৮৭ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিচু চরাঞ্চলে রোপণ করা পাট, আমন বীজতলা ও বাদাম নদীর স্রোতে ও কাদায় নষ্ট হয়ে গেছে। এই মুহূর্তে সমতলের অনেক নিচে পানি অবস্থান করায় নদী তীরবর্তী মানুষ বন্যা থেকে রেহাই পেতে আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে যে হারে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে আগাম বন্যার শঙ্কা করছে নদী তীরবর্তী মানুষ।
জানা গেছে, রাজারহাট উপজেলায় তিস্তার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের চর বিদ্যানন্দ ও আনন্দবাজারসহ কয়েকটি চরে আবাদ করা বাদাম ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে ।
বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের চর বিদ্যানন্দ এলাকার কৃষক খলিল মিয়া বলেন, ‘বন্যার পানি আসি আমার বাদম ক্ষেত তলিয়ে গেছে। পানি যেভাবে বাড়ছে তাতে সব বাদাম নষ্ট হয়ে যাবে।’
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, চলতি মৌসুমে জেলায় ৭২৫ হেক্টর জমিতে চীনা বাদাম চাষ হয়েছে। বেশিরভাগ ফসল উত্তোলন করা হয়েছে। সামান্য কিছু ফসল চরাঞ্চলে রয়েছে। সেগুলো তুলে নেওয়ার জন্য কৃষকদেরকে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বন্যা মৌসুমে এই অবস্থায় ক্ষেতে বাদাম রাখলে তা নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
এ বিষয়ে বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান জানান, দুধকুমার নদের পানি কমলেও তিস্তার পানি বাড়ছে। মঙ্গলবার তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। আগামী দুই-তিন দিন পানি বেড়ে পরে কিছুটা স্থিতিশীল থাকতে পারে। এ সময়টায় তিস্তা ও ধরলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















