ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরের যমুনা অয়েলের ৩০ কোটি টাকার জায়গা দখল করে রেখেছে ঠিকাদার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০২:২৩:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর এলাকায় যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের প্রায় ৭০ শতক জায়গা দখল করে রেখেছে এস এ ইঞ্জিনিয়ারিং নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি চট্টগ্রাম ওয়াসার সুয়ারেজ প্রকল্পের কাজ করছে। প্রায় দেড় বছর ধরে জায়গাটিতে নির্মাণসামগ্রী রাখছে এবং সেখানে একটি অফিসও নির্মাণ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি। অথচ, সংশ্লিষ্ট কারও অনুমতি নেয়নি তারা। অভিযোগ উঠেছে, যমুনা অয়েলের সাবেক এক কর্মকর্তাসহ দুই ব্যক্তি গোপনে জমির ভাড়া নিচ্ছেন ঠিকাদারের কাছ থেকে।

যদিও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তারা সরকারি কাজ করছে। এ কারণে খালি পড়ে থাকা সরকারি জমি ব্যবহার করছে। আর যমুনা অয়েল কর্তৃপক্ষের দাবি, যেহেতু জমিটি তাদের নামে আছে, তাই অন্য কেউ অনুমতি ছাড়া এটি কোনো কাজেই ব্যবহার করতে পারে না।

২৪ জুন নগরের হালিশহর বি ব্লক, আন্ধা হুজুর মাজার সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে বিতর্কিত জায়গাটি দেখে আসেন এই প্রতিবেদক। জায়গাটির আয়তন প্রায় ৭০ শতক। আশপাশের জমির মূল্যের হিসাব অনুযায়ী জায়গাটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০ কোটি টাকা। সেখানে বেশ কয়েকটি মালবাহী ট্রাক, স্ক্যাভেটর, লোহার পাইপ, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও নির্মাণসামগ্রী রাখা আছে। একপাশে খালি কনটেইনার রাখা হয়েছে এবং সেখানে একটি অস্থায়ী অফিস করা হয়েছে এস এ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের।

 

চট্টগ্রাম নগরের যমুনা অয়েলের ৩০ কোটি টাকার জায়গা দখল করে রেখেছে ঠিকাদার

প্রকাশিত : ০২:২৩:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর এলাকায় যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের প্রায় ৭০ শতক জায়গা দখল করে রেখেছে এস এ ইঞ্জিনিয়ারিং নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি চট্টগ্রাম ওয়াসার সুয়ারেজ প্রকল্পের কাজ করছে। প্রায় দেড় বছর ধরে জায়গাটিতে নির্মাণসামগ্রী রাখছে এবং সেখানে একটি অফিসও নির্মাণ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি। অথচ, সংশ্লিষ্ট কারও অনুমতি নেয়নি তারা। অভিযোগ উঠেছে, যমুনা অয়েলের সাবেক এক কর্মকর্তাসহ দুই ব্যক্তি গোপনে জমির ভাড়া নিচ্ছেন ঠিকাদারের কাছ থেকে।

যদিও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তারা সরকারি কাজ করছে। এ কারণে খালি পড়ে থাকা সরকারি জমি ব্যবহার করছে। আর যমুনা অয়েল কর্তৃপক্ষের দাবি, যেহেতু জমিটি তাদের নামে আছে, তাই অন্য কেউ অনুমতি ছাড়া এটি কোনো কাজেই ব্যবহার করতে পারে না।

২৪ জুন নগরের হালিশহর বি ব্লক, আন্ধা হুজুর মাজার সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে বিতর্কিত জায়গাটি দেখে আসেন এই প্রতিবেদক। জায়গাটির আয়তন প্রায় ৭০ শতক। আশপাশের জমির মূল্যের হিসাব অনুযায়ী জায়গাটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০ কোটি টাকা। সেখানে বেশ কয়েকটি মালবাহী ট্রাক, স্ক্যাভেটর, লোহার পাইপ, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও নির্মাণসামগ্রী রাখা আছে। একপাশে খালি কনটেইনার রাখা হয়েছে এবং সেখানে একটি অস্থায়ী অফিস করা হয়েছে এস এ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের।