ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ধর্ষণের পর হত্যা: প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৩:২৭:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৩৬৩ বার দেখা হয়েছে

পাঁচ বছর আগে প্রেমিকা আসমা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে প্রেমিক মারুফ হাসান বাঁধনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক মুহাম্মদ সামছুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

কারাগারে আটক আসামি বাঁধনকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তার উপস্থিতিতে ১২টা ২০ মিনিটের দিকে বিচারক রায় পড়া শুরু করেন। ১টা ৫ মিনিটে রায় পড়া শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়। একই সঙ্গে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

২০১৯ সালের ২৩ আগস্ট বাঁধনকে পঞ্চগড় থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, বাঁধনের সঙ্গে আসমা আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ২০১৯ সালের ১৮ আগস্ট তারা পঞ্চগড় থেকে পালিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। কোনো আবাসিক হোটেলে উঠতে না পেরে কমলাপুর রেলস্টেশনে অবস্থান করেন তারা। এক পর্যায়ে বলাকা ট্রেনের একটি পরিত্যক্ত বগিতে আসমাকে নিয়ে যান বাঁধন। সেখানে আসমাকে ধর্ষণ করেন। তবে আসমা চিৎকার করলে ওড়না দিয়ে গলা পেচিয়ে তাকে হত্যা করে বাঁধন। এরপর তিনি পঞ্চগড়ে ফিরে যান।

ট্রেনের বগি বুঝে নিতে গিয়ে ১৯ আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মরদেহ দেখতে পায় রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ। পরে মরদেহের সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগের মধ্যে জন্ম সনদ দেখে তার বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিচয় নিশ্চিত হয় পুলিশ।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর চাচা রাজু আহমেদ বাদী হয়ে ঢাকার রেলওয়ে থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে আসামি বাঁধনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। পরে এ মামলায় তার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

যশোর সীমান্তে ৩৮৯ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ উদ্ধার, আটক-১

ধর্ষণের পর হত্যা: প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত : ০৩:২৭:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

পাঁচ বছর আগে প্রেমিকা আসমা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে প্রেমিক মারুফ হাসান বাঁধনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক মুহাম্মদ সামছুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

কারাগারে আটক আসামি বাঁধনকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তার উপস্থিতিতে ১২টা ২০ মিনিটের দিকে বিচারক রায় পড়া শুরু করেন। ১টা ৫ মিনিটে রায় পড়া শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়। একই সঙ্গে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

২০১৯ সালের ২৩ আগস্ট বাঁধনকে পঞ্চগড় থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, বাঁধনের সঙ্গে আসমা আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ২০১৯ সালের ১৮ আগস্ট তারা পঞ্চগড় থেকে পালিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। কোনো আবাসিক হোটেলে উঠতে না পেরে কমলাপুর রেলস্টেশনে অবস্থান করেন তারা। এক পর্যায়ে বলাকা ট্রেনের একটি পরিত্যক্ত বগিতে আসমাকে নিয়ে যান বাঁধন। সেখানে আসমাকে ধর্ষণ করেন। তবে আসমা চিৎকার করলে ওড়না দিয়ে গলা পেচিয়ে তাকে হত্যা করে বাঁধন। এরপর তিনি পঞ্চগড়ে ফিরে যান।

ট্রেনের বগি বুঝে নিতে গিয়ে ১৯ আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মরদেহ দেখতে পায় রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ। পরে মরদেহের সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগের মধ্যে জন্ম সনদ দেখে তার বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিচয় নিশ্চিত হয় পুলিশ।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর চাচা রাজু আহমেদ বাদী হয়ে ঢাকার রেলওয়ে থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে আসামি বাঁধনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। পরে এ মামলায় তার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।