ঢাকা ০৭:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বার্সেলোনা ক্যাম্প ন্যু থেকেই ৭০০ মিলিয়ন ইউরো আয়ের পথে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৪:০৬:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৯ বার দেখা হয়েছে

মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি আর্থিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টাও চলছে বার্সেলোনায়। নতুন করে ২ হাজার ভিআইপি আসনের দীর্ঘমেয়াদি লাইসেন্স বিক্রি করে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ইউরো আয়ের প্রত্যাশা করছে লা লিগার ক্লাবটি। নতুনভাবে সংস্কার করা ক্যাম্প ন্যু থেকেই এই বিপুল অঙ্কের রাজস্ব আয়ের পরিকল্পনা তাদের।

বার্সেলোনা জানিয়েছে, নতুন ভিআইপি আসনগুলো ১৫ ও ৩০ বছর মেয়াদি লাইসেন্সের আওতায় বিক্রি করা হবে। ক্রেতাদের চুক্তির শুরুতেই অর্থ পরিশোধ করতে হবে। আগামী আড়াই মৌসুমের মধ্যে সব কটি আসন বিক্রি হয়ে যাবে বলে আশা করছে ক্লাবটি।

তবে ৭০০ মিলিয়ন ইউরোর পুরো অর্থ একবারে আয় হবে না। চুক্তির পুরো মেয়াদজুড়ে এই অর্থ থেকে রাজস্ব পাবে বার্সেলোনা। সংস্কার করা ক্যাম্প ন্যুকে দীর্ঘমেয়াদে ক্লাবের বড় আয়ের উৎসে পরিণত করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

ভিআইপি আসন বিক্রির পরিকল্পনা অবশ্য বার্সেলোনার জন্য নতুন নয়। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সর্বোচ্চ ৩০ বছরের জন্য ৪৭৫টি ভিআইপি আসনের চুক্তি করেছিল তারা। ওই চুক্তির মূল্য ছিল ১০০ মিলিয়ন ইউরো।

এরই মধ্যে প্রায় ৫ হাজার ভিআইপি আসন বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করেছে বার্সেলোনা। এসব আসন থেকে চুক্তির আওতায় ৩৮০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি আয় নিশ্চিত হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্লাবটি। তবে আসনগুলোর লাইসেন্সের মেয়াদ ভিন্ন।

ক্যাম্প ন্যুর সংস্কার প্রকল্প ঘিরে বার্সেলোনার আর্থিক চাপও কম নয়। সংস্কারের বাড়তি ব্যয় এবং প্রত্যাশিত রাজস্ব ঘাটতি সামাল দিতে ৫১০ মিলিয়ন ইউরোর দুটি নতুন অর্থায়নের উৎস খুঁজছে ক্লাবটি—এমন খবরও প্রকাশ করেছিল রয়টার্স।

সবকিছু ঠিকঠাক এগোলে ক্যাম্প ন্যুর সংস্কারকাজ ২০২৮-২৯ মৌসুমে পুরোপুরি শেষ হওয়ার কথা। ফলে স্টেডিয়ামের নতুন ভিআইপি বাণিজ্য শুধু আসন বিক্রির উদ্যোগ নয়, বার্সেলোনার দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনারও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে।

 

কবিরহাটে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

বার্সেলোনা ক্যাম্প ন্যু থেকেই ৭০০ মিলিয়ন ইউরো আয়ের পথে

প্রকাশিত : ০৪:০৬:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি আর্থিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টাও চলছে বার্সেলোনায়। নতুন করে ২ হাজার ভিআইপি আসনের দীর্ঘমেয়াদি লাইসেন্স বিক্রি করে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ইউরো আয়ের প্রত্যাশা করছে লা লিগার ক্লাবটি। নতুনভাবে সংস্কার করা ক্যাম্প ন্যু থেকেই এই বিপুল অঙ্কের রাজস্ব আয়ের পরিকল্পনা তাদের।

বার্সেলোনা জানিয়েছে, নতুন ভিআইপি আসনগুলো ১৫ ও ৩০ বছর মেয়াদি লাইসেন্সের আওতায় বিক্রি করা হবে। ক্রেতাদের চুক্তির শুরুতেই অর্থ পরিশোধ করতে হবে। আগামী আড়াই মৌসুমের মধ্যে সব কটি আসন বিক্রি হয়ে যাবে বলে আশা করছে ক্লাবটি।

তবে ৭০০ মিলিয়ন ইউরোর পুরো অর্থ একবারে আয় হবে না। চুক্তির পুরো মেয়াদজুড়ে এই অর্থ থেকে রাজস্ব পাবে বার্সেলোনা। সংস্কার করা ক্যাম্প ন্যুকে দীর্ঘমেয়াদে ক্লাবের বড় আয়ের উৎসে পরিণত করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

ভিআইপি আসন বিক্রির পরিকল্পনা অবশ্য বার্সেলোনার জন্য নতুন নয়। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সর্বোচ্চ ৩০ বছরের জন্য ৪৭৫টি ভিআইপি আসনের চুক্তি করেছিল তারা। ওই চুক্তির মূল্য ছিল ১০০ মিলিয়ন ইউরো।

এরই মধ্যে প্রায় ৫ হাজার ভিআইপি আসন বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করেছে বার্সেলোনা। এসব আসন থেকে চুক্তির আওতায় ৩৮০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি আয় নিশ্চিত হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্লাবটি। তবে আসনগুলোর লাইসেন্সের মেয়াদ ভিন্ন।

ক্যাম্প ন্যুর সংস্কার প্রকল্প ঘিরে বার্সেলোনার আর্থিক চাপও কম নয়। সংস্কারের বাড়তি ব্যয় এবং প্রত্যাশিত রাজস্ব ঘাটতি সামাল দিতে ৫১০ মিলিয়ন ইউরোর দুটি নতুন অর্থায়নের উৎস খুঁজছে ক্লাবটি—এমন খবরও প্রকাশ করেছিল রয়টার্স।

সবকিছু ঠিকঠাক এগোলে ক্যাম্প ন্যুর সংস্কারকাজ ২০২৮-২৯ মৌসুমে পুরোপুরি শেষ হওয়ার কথা। ফলে স্টেডিয়ামের নতুন ভিআইপি বাণিজ্য শুধু আসন বিক্রির উদ্যোগ নয়, বার্সেলোনার দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনারও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে।