ঢাকা ০৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

পরিবার ও স্বজনসহ আনন্দ ভ্রমণই হলো কাল : কক্সবাজার আনন্দ ভ্রমণে গিয়ে, লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন দেবীদ্বারের সীমা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০১:২৫:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার দেবীদ্বার থেকে পরিবার ও স্বজন মিলে ১৪ জন কক্সবাজার ঘুরতে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন সীমা।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্থানীয় উপজেলা যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম সাইফুল।
নিহত সীমা দেবীদ্বার পৌর এলাকার বড় আলমপুর গ্রামের নাজির মন্দের বাড়ির মাহাবুব আলমের বড় মেয়ে। নিহত সীমা ছাড়া তার আরও সাবা ও জাবের হোসেন নামের এক ছেলে ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে। তারা সবাই মাদ্রাসা শিক্ষার্থী।
নিহত সীমা আক্তার কুমিল্লার ‘ফাতেমাতুজ জোহরা মহিলা মাদ্রাসায়’ আলেম দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়-গত রোববার রাতে দেবীদ্বার থেকে একটি হাইয়েক্স ও একটি প্রাইভেটকার নিয়ে পরিবারের ১৪জন কক্সবাজার যান এবং মুহাম্মদীয়া গেষ্ট হাউজের পাশে একটি আবাসিক হোটেলে তাঁরা অবস্থান নেয়। সারাদিন ঘোরা ফেরার পর রাত্রিযাপন শেষে (৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজার সুগন্ধা পয়েন্টে সমুদ্র স্নান করতে পরিবারের সদস্যরা হোটেল থেকে দুটি অটোরিকশা করে বের হন। সমুদ্রে যাওয়ার পথে সীমা আক্তারের ওড়না অটোরিকশার মোটরের সাথে পেঁচিয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পরবর্তীতে স্বজনরা সীমাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার বিকেলে মরদেহ নিয়ে কুমিল্লার দেবীদ্বার নিজ বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দিলে বুধবার ভোর সকালে বড়আলমপুর নিজ বাড়িতে পৌঁছায় এবং সকাল ১১ টায় জানাযা শেষে তার পারিবারিক কবর স্থানে তাকে দাফন করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্যারামাউন্ট ওয়ার্নার ব্রাদার্স অধিগ্রহণ করে হলিউডে নতুন সাম্রাজ্য কায়েম করেছে

পরিবার ও স্বজনসহ আনন্দ ভ্রমণই হলো কাল : কক্সবাজার আনন্দ ভ্রমণে গিয়ে, লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন দেবীদ্বারের সীমা

প্রকাশিত : ০১:২৫:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার দেবীদ্বার থেকে পরিবার ও স্বজন মিলে ১৪ জন কক্সবাজার ঘুরতে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন সীমা।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্থানীয় উপজেলা যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম সাইফুল।
নিহত সীমা দেবীদ্বার পৌর এলাকার বড় আলমপুর গ্রামের নাজির মন্দের বাড়ির মাহাবুব আলমের বড় মেয়ে। নিহত সীমা ছাড়া তার আরও সাবা ও জাবের হোসেন নামের এক ছেলে ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে। তারা সবাই মাদ্রাসা শিক্ষার্থী।
নিহত সীমা আক্তার কুমিল্লার ‘ফাতেমাতুজ জোহরা মহিলা মাদ্রাসায়’ আলেম দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়-গত রোববার রাতে দেবীদ্বার থেকে একটি হাইয়েক্স ও একটি প্রাইভেটকার নিয়ে পরিবারের ১৪জন কক্সবাজার যান এবং মুহাম্মদীয়া গেষ্ট হাউজের পাশে একটি আবাসিক হোটেলে তাঁরা অবস্থান নেয়। সারাদিন ঘোরা ফেরার পর রাত্রিযাপন শেষে (৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজার সুগন্ধা পয়েন্টে সমুদ্র স্নান করতে পরিবারের সদস্যরা হোটেল থেকে দুটি অটোরিকশা করে বের হন। সমুদ্রে যাওয়ার পথে সীমা আক্তারের ওড়না অটোরিকশার মোটরের সাথে পেঁচিয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পরবর্তীতে স্বজনরা সীমাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার বিকেলে মরদেহ নিয়ে কুমিল্লার দেবীদ্বার নিজ বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দিলে বুধবার ভোর সকালে বড়আলমপুর নিজ বাড়িতে পৌঁছায় এবং সকাল ১১ টায় জানাযা শেষে তার পারিবারিক কবর স্থানে তাকে দাফন করা হয়।