ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

আইএমএফের সংস্কার এজেন্ডার কঠিন শর্ত বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণের মুখোমুখি বাংলাদেশ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০২:০৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ, জ্বালানী সংকট ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির তীব্র চাপের মুখে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতি।

অর্থনীতির এমন কঠিন পরিস্থিতিতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে শুরু হতে হচ্ছে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২৬ সালের বার্ষিক সম্মেলন।

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় কুইন সিরিকিট ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এ আয়োজন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আইএমএফের কাছ থেকে নতুন ঋণ সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে এই সম্মেলনকে সরকারের জন্য একটি নির্ধারক ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

যদিও সংস্থাটির নির্ধারিত সংস্কার এজেন্ডা ও কঠিন শর্ত বাস্তবায়নের পরিবর্তে নিজস্ব বিকল্প অর্থায়ন ও অভ্যন্তরীণ সংস্কারের পথে হাঁটতে চাইছে সরকার।

আইএমএফের চাপিয়ে দেওয়া কঠিন শর্ত ও ঋণ কর্মসূচির বাইরে দেশের পুঁজিবাজার, বন্ড মার্কেট এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে নিজস্ব কৌশল ও দেশীয় বাস্তবতার আলোকে অর্থনৈতিক সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ব্যাংক খাতের আস্থা ফেরানো, বন্ধ কলকারখানা সচল করা এবং উৎপাদনশীল খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানোর মাধ্যমে অর্থনীতির এই নতুন সমীকরণ বাস্তবায়নে কাজ করছে বর্তমান সরকার।

থাই সংবাদমাধ্যম ‘থাইরাথ’ এই সম্মেলনকে অর্থনীতি বিশ্বের ‘ফাইন্যান্স অলিম্পিক’ হিসেবে অভিহিত করেছে। ১৯১টি দেশের প্রায় ১৫ হাজার প্রতিনিধি এতে অংশ নিচ্ছেন। এসব অতিথির সফর থাইল্যান্ডের অর্থনীতিতে আনুমানিক ১০৫ কোটি থেকে ২২৫ কোটি বাথ যোগ করবে। ১৯৯১ সালের পর এই প্রথম বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বার্ষিক সম্মেলন আয়োজন করছে থাইল্যান্ড।

থাই সংবাদমাধ্যম ‘ব্যাংকক পোস্ট’ জানিয়েছে, সম্মেলনের নির্বাচিত কিছু অধিবেশন অনলাইনে বিনামূল্যে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। আজ ১২ অক্টোবর নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বিশেষ আলোচনায় অংশ নেবেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্মপাশায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস -২০২৬ উদযাপিত

আইএমএফের সংস্কার এজেন্ডার কঠিন শর্ত বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণের মুখোমুখি বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ০২:০৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ, জ্বালানী সংকট ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির তীব্র চাপের মুখে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতি।

অর্থনীতির এমন কঠিন পরিস্থিতিতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে শুরু হতে হচ্ছে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২৬ সালের বার্ষিক সম্মেলন।

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় কুইন সিরিকিট ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এ আয়োজন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আইএমএফের কাছ থেকে নতুন ঋণ সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে এই সম্মেলনকে সরকারের জন্য একটি নির্ধারক ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

যদিও সংস্থাটির নির্ধারিত সংস্কার এজেন্ডা ও কঠিন শর্ত বাস্তবায়নের পরিবর্তে নিজস্ব বিকল্প অর্থায়ন ও অভ্যন্তরীণ সংস্কারের পথে হাঁটতে চাইছে সরকার।

আইএমএফের চাপিয়ে দেওয়া কঠিন শর্ত ও ঋণ কর্মসূচির বাইরে দেশের পুঁজিবাজার, বন্ড মার্কেট এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে নিজস্ব কৌশল ও দেশীয় বাস্তবতার আলোকে অর্থনৈতিক সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ব্যাংক খাতের আস্থা ফেরানো, বন্ধ কলকারখানা সচল করা এবং উৎপাদনশীল খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানোর মাধ্যমে অর্থনীতির এই নতুন সমীকরণ বাস্তবায়নে কাজ করছে বর্তমান সরকার।

থাই সংবাদমাধ্যম ‘থাইরাথ’ এই সম্মেলনকে অর্থনীতি বিশ্বের ‘ফাইন্যান্স অলিম্পিক’ হিসেবে অভিহিত করেছে। ১৯১টি দেশের প্রায় ১৫ হাজার প্রতিনিধি এতে অংশ নিচ্ছেন। এসব অতিথির সফর থাইল্যান্ডের অর্থনীতিতে আনুমানিক ১০৫ কোটি থেকে ২২৫ কোটি বাথ যোগ করবে। ১৯৯১ সালের পর এই প্রথম বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বার্ষিক সম্মেলন আয়োজন করছে থাইল্যান্ড।

থাই সংবাদমাধ্যম ‘ব্যাংকক পোস্ট’ জানিয়েছে, সম্মেলনের নির্বাচিত কিছু অধিবেশন অনলাইনে বিনামূল্যে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। আজ ১২ অক্টোবর নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বিশেষ আলোচনায় অংশ নেবেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা।