ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

পোশাক রপ্তানির ৮০ ভাগই তিনটি মৌলিক পণ্যের দখলে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:০২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ৬ দশমিক ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ সময়ে পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১ হাজার ৫৮ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৯৯৭ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ৬০ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

তবে রপ্তানি আয়ের এই প্রবৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে বাংলাদেশের প্রচলিত ও মৌলিক ধরনের পোশাক পণ্য। বিশেষ করে প্যান্টসহ বিভিন্ন ধরনের বটমওয়্যার, সোয়েটার ও কার্ডিগান এবং টি-শার্ট ও ভেস্ট-এই তিন পণ্যের সম্মিলিত অবদান ছিল মোট প্রবৃদ্ধির প্রায় ৮০ শতাংশ। অন্যদিকে তুলনামূলক উচ্চমূল্য সংযোজনকারী উন্নত ধরনের পোশাকপণ্যের রপ্তানি বেড়েছে সামান্য; মোট রপ্তানিতে এ ধরনের পণ্যের অংশও কমেছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের (বিএভি) সংকলিত উপাত্তে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

প্রথম প্রান্তিকে মৌলিক ধরনের পোশাকপণ্যের (বেসিক গার্মেন্টস) রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৮২৬ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেশি। এই শ্রেণির পণ্য রপ্তানি থেকে আয় বেড়েছে ৫৭ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যা সামগ্রিক পোশাক রপ্তানির প্রবৃদ্ধির প্রায় ৯৪ শতাংশ।

এ সময়ে মোট পোশাক রপ্তানিতে মৌলিক পণ্যের অংশ বেড়ে ৭৮ দশমিক ০৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। গত অর্থবছরের একই প্রান্তিকে এ হার ছিল ৭৭ দশমিক ০৮ শতাংশ। অর্থাৎ বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পণ্যভিত্তিক কাঠামো আরও বেশি মৌলিক পণ্যের দিকে ঝুঁকেছে।

পণ্যভিত্তিক হিসাবে বটমওয়্যারের রপ্তানি আয় বেড়েছে ২০ কোটি ১০ লাখ ডলার। সোয়েটার ও কার্ডিগানের ক্ষেত্রে বেড়েছে ১৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার। আর টি-শার্ট ও ভেস্ট রপ্তানি থেকে আয় বেড়েছে ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এই তিন শ্রেণির পণ্যে সম্মিলিতভাবে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৪৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। ফলে সামগ্রিক রপ্তানি আয় বৃদ্ধির বড় অংশই এসেছে এসব পণ্য থেকে।

তবে প্রবৃদ্ধির হারে এগিয়ে ছিল শিশুদের পোশাক। এ শ্রেণির পণ্য রপ্তানি আয় বেড়েছে ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ। যদিও রপ্তানির পরিমাণ তুলনামূলক কম; প্রথম প্রান্তিকে এর আয় ছিল ৩০ কোটি ডলার।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নেইমার ৬ ম্যাচ নিষিদ্ধ হতে পারেন

পোশাক রপ্তানির ৮০ ভাগই তিনটি মৌলিক পণ্যের দখলে

প্রকাশিত : ১২:০২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ৬ দশমিক ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ সময়ে পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১ হাজার ৫৮ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৯৯৭ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ৬০ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

তবে রপ্তানি আয়ের এই প্রবৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে বাংলাদেশের প্রচলিত ও মৌলিক ধরনের পোশাক পণ্য। বিশেষ করে প্যান্টসহ বিভিন্ন ধরনের বটমওয়্যার, সোয়েটার ও কার্ডিগান এবং টি-শার্ট ও ভেস্ট-এই তিন পণ্যের সম্মিলিত অবদান ছিল মোট প্রবৃদ্ধির প্রায় ৮০ শতাংশ। অন্যদিকে তুলনামূলক উচ্চমূল্য সংযোজনকারী উন্নত ধরনের পোশাকপণ্যের রপ্তানি বেড়েছে সামান্য; মোট রপ্তানিতে এ ধরনের পণ্যের অংশও কমেছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের (বিএভি) সংকলিত উপাত্তে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

প্রথম প্রান্তিকে মৌলিক ধরনের পোশাকপণ্যের (বেসিক গার্মেন্টস) রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৮২৬ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেশি। এই শ্রেণির পণ্য রপ্তানি থেকে আয় বেড়েছে ৫৭ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যা সামগ্রিক পোশাক রপ্তানির প্রবৃদ্ধির প্রায় ৯৪ শতাংশ।

এ সময়ে মোট পোশাক রপ্তানিতে মৌলিক পণ্যের অংশ বেড়ে ৭৮ দশমিক ০৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। গত অর্থবছরের একই প্রান্তিকে এ হার ছিল ৭৭ দশমিক ০৮ শতাংশ। অর্থাৎ বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পণ্যভিত্তিক কাঠামো আরও বেশি মৌলিক পণ্যের দিকে ঝুঁকেছে।

পণ্যভিত্তিক হিসাবে বটমওয়্যারের রপ্তানি আয় বেড়েছে ২০ কোটি ১০ লাখ ডলার। সোয়েটার ও কার্ডিগানের ক্ষেত্রে বেড়েছে ১৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার। আর টি-শার্ট ও ভেস্ট রপ্তানি থেকে আয় বেড়েছে ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এই তিন শ্রেণির পণ্যে সম্মিলিতভাবে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৪৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। ফলে সামগ্রিক রপ্তানি আয় বৃদ্ধির বড় অংশই এসেছে এসব পণ্য থেকে।

তবে প্রবৃদ্ধির হারে এগিয়ে ছিল শিশুদের পোশাক। এ শ্রেণির পণ্য রপ্তানি আয় বেড়েছে ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ। যদিও রপ্তানির পরিমাণ তুলনামূলক কম; প্রথম প্রান্তিকে এর আয় ছিল ৩০ কোটি ডলার।