ঢাকা ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বৈধ না হলে নির্বাচন আয়োজনের কোনো মানে হয় না

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৪:১০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪০৫ বার দেখা হয়েছে

মালয়েশিয়ার সরকারি সফরে গিয়ে সংবাদমাধ্যম চ্যানেল নিউজ এশিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছেন, যদি বৈধ না হয় তাহলে নির্বাচন আয়োজনের কোনো মানে হয় না। এজন্য তিনি নিশ্চিত করবেন সবার কাছে যেন গ্রহণযোগ্য, পরিচ্ছন্ন এবং উপভোগ্য একটি নির্বাচন হয়। গতকাল বুধবার (১৩ আগস্ট) সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করা হয়।

তিনি বলেন, “আমার কাজ হলে গ্রহণযোগ্য, পরিচ্ছন্ন এবং উপভোগ্য নির্বাচন করা। আমরা আমাদের নির্ধারিত এসব লক্ষ্য অর্জনের কাছাকাছি যাচ্ছি। আমাদের অনেক কিছু সংস্কার করতে হবে। কারণ আমাদের যে রাজনৈতিক ব্যবস্থা রয়েছে সেটি কারচুপি এবং অপব্যবহার করা হয়েছে।”

এছাড়া সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। প্রধান উপদেষ্টা জানান, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে শেখ হাসিনাকে নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। বৈঠকে তিনি আহ্বান জানিয়েছিলেন, যেন হাসিনাকে ভারতে চুপ রাখা হয়।

তিনি বলেন, “মোদি আমাকে জানায়, সামাজিক মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ তারা করতে পারেন না। আমরা হাসিনাকে ভারত থেকে আনার জন্য যুদ্ধ করব না। আমি মোদিকে বলেছি, আপনি হাসিনাকে রাখতে পারেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে আমাদের বিচার চলবে।”

“কিন্তু হাসিনাকে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ  দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশে এখনো তার অনেক সমর্থক রয়েছে। বাংলাদেশ অস্থিতিশীল করার জন্য তার সমর্থকরা যা করেছিল, তারা (তার নির্দেশে) আবারও একই কাজ করতে পারে।” যোগ করেন ইউনূস।

পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক আছে জানিয়ে প্রফেসর ইউনূস বলেছেন, ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক  চান তিনি। ভারত চাইলে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারে। চাইলে যে কেউ বিনিয়োগ করতে পারে। বিষয়টি হলো সুযোগের ব্যবহার। শুধু চীনকে যে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়েছে বিষয়টি এমন নয়।

ওসির যোগসাজশে বদলির পরও চার্জশিট দিলেন এসআই, তদন্ত করছে পুলিশ

বৈধ না হলে নির্বাচন আয়োজনের কোনো মানে হয় না

প্রকাশিত : ০৪:১০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫

মালয়েশিয়ার সরকারি সফরে গিয়ে সংবাদমাধ্যম চ্যানেল নিউজ এশিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছেন, যদি বৈধ না হয় তাহলে নির্বাচন আয়োজনের কোনো মানে হয় না। এজন্য তিনি নিশ্চিত করবেন সবার কাছে যেন গ্রহণযোগ্য, পরিচ্ছন্ন এবং উপভোগ্য একটি নির্বাচন হয়। গতকাল বুধবার (১৩ আগস্ট) সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করা হয়।

তিনি বলেন, “আমার কাজ হলে গ্রহণযোগ্য, পরিচ্ছন্ন এবং উপভোগ্য নির্বাচন করা। আমরা আমাদের নির্ধারিত এসব লক্ষ্য অর্জনের কাছাকাছি যাচ্ছি। আমাদের অনেক কিছু সংস্কার করতে হবে। কারণ আমাদের যে রাজনৈতিক ব্যবস্থা রয়েছে সেটি কারচুপি এবং অপব্যবহার করা হয়েছে।”

এছাড়া সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। প্রধান উপদেষ্টা জানান, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে শেখ হাসিনাকে নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। বৈঠকে তিনি আহ্বান জানিয়েছিলেন, যেন হাসিনাকে ভারতে চুপ রাখা হয়।

তিনি বলেন, “মোদি আমাকে জানায়, সামাজিক মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ তারা করতে পারেন না। আমরা হাসিনাকে ভারত থেকে আনার জন্য যুদ্ধ করব না। আমি মোদিকে বলেছি, আপনি হাসিনাকে রাখতে পারেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে আমাদের বিচার চলবে।”

“কিন্তু হাসিনাকে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ  দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশে এখনো তার অনেক সমর্থক রয়েছে। বাংলাদেশ অস্থিতিশীল করার জন্য তার সমর্থকরা যা করেছিল, তারা (তার নির্দেশে) আবারও একই কাজ করতে পারে।” যোগ করেন ইউনূস।

পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক আছে জানিয়ে প্রফেসর ইউনূস বলেছেন, ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক  চান তিনি। ভারত চাইলে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারে। চাইলে যে কেউ বিনিয়োগ করতে পারে। বিষয়টি হলো সুযোগের ব্যবহার। শুধু চীনকে যে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়েছে বিষয়টি এমন নয়।