ঢাকা ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বড়া মৌসুমেও বড় ইলিশের দেখা মেলেনি বরিশালে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:০৩:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩১০ বার দেখা হয়েছে

বরিশাল প্রতিনিধি : 

মৌসুমের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর ইলিশ শিকার শুরু হলেও বরিশালের বাজারে দেখা মিলছে না বড় ইলিশের। সেই সঙ্গে আহরিত মাছের পরিমাণও গত কয়েক দিনের তুলনায় কমে গেছে, ফলে দাম রয়েছে ঊর্ধ্বমুখী।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকালে বরিশাল নগরের পোর্ট রোডস্থ সর্ববৃহৎ বেসরকারি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে-বাজারে এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশ তেমন নেই। যা পাওয়া যাচ্ছে, তার দাম আকাশচুম্বী। এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকায়। আর দেড় কেজি পর্যন্ত ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকায়। তবে পাইকারি বাজারে দেড় কেজির ইলিশ পাওয়া যায়নি।

তবে কেজিতে ৩ থেকে ৪টি মাছ হয়-এমন সাইজের ইলিশে বাজার ছিল সরগরম। যেখানে তিনটি মিলে এক কেজি হয়, সেসব ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৯০০ টাকায়; আর চারটি মিলে এক কেজি হয়, এমন ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকায়।

যদিও বাজারে ছোট আকারের ইলিশও দেখা গেছে, তবে ব্যবসায়ীদের দাবি—এগুলো জাটকা নয় বরং ডিম ছাড়ার পর স্বাভাবিকভাবে ছোট দেখাচ্ছে।

সবুজ নামের এক মৎস্য ব্যবসায়ী বলেন, নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর প্রথম দুই দিন ইলিশের আমদানি ভালো ছিল। কিন্তু শুক্রবার বাজারে মাছ কম এসেছে, তাই দামও বেড়েছে। আমদানি বাড়লে আবার দাম কমবে।

রিপন হাওলাদার নামে এক ক্রেতা বলেন, নিষেধাজ্ঞার পর বাজারে ছিল পুরনো (নরম) মাছ। এখন তাজা মাছ আসছে, কিন্তু পরিমাণে কম এবং বড় আকারের একদমই নেই। বড় ইলিশ কিনতে গেলে ১০-১২টা মাছেই ২৮ হাজার টাকা লেগে যায়, তাও দেড় কেজির একটি ইলিশও পাইনি।

পাইকার মাসুম জানান, বর্তমানে নদীতে বড় ইলিশ ধরা পড়ছে না; কেজিতে চারটি হয় এমন সাইজের মাছই বেশি। ফলে বাজারে বড় ইলিশের সংকট তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখন বিভিন্ন নদীর তীরে ছোট ছোট মোকাম গড়ে উঠেছে, যেখান থেকে সরাসরি ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় ইলিশ যাচ্ছে। যেখানে দাম বেশি, ব্যবসায়ীরা সেখানেই মাছ দিচ্ছেন। এখন বেশি মাছ যাচ্ছে চাঁদপুর ও ঢাকায়। সময়ের সঙ্গে বরিশালেও সরবরাহ বাড়বে।

মাদারীপুরে মাসিক আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত আশরাফুর রহমান হাকিম, মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুরের কালকিনিতে মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও মাসিক সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাস। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান তালুকদার খোকন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বেপারী, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুব হোসেন মুন্সিসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা। সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, যানজট, বাজার ব্যবস্থাপনা, জনসাধারণের নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমসহ স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা ও সমন্বয়ের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি জনসাধারণের সেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বড়া মৌসুমেও বড় ইলিশের দেখা মেলেনি বরিশালে

প্রকাশিত : ০৮:০৩:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫

বরিশাল প্রতিনিধি : 

মৌসুমের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর ইলিশ শিকার শুরু হলেও বরিশালের বাজারে দেখা মিলছে না বড় ইলিশের। সেই সঙ্গে আহরিত মাছের পরিমাণও গত কয়েক দিনের তুলনায় কমে গেছে, ফলে দাম রয়েছে ঊর্ধ্বমুখী।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকালে বরিশাল নগরের পোর্ট রোডস্থ সর্ববৃহৎ বেসরকারি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে-বাজারে এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশ তেমন নেই। যা পাওয়া যাচ্ছে, তার দাম আকাশচুম্বী। এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকায়। আর দেড় কেজি পর্যন্ত ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকায়। তবে পাইকারি বাজারে দেড় কেজির ইলিশ পাওয়া যায়নি।

তবে কেজিতে ৩ থেকে ৪টি মাছ হয়-এমন সাইজের ইলিশে বাজার ছিল সরগরম। যেখানে তিনটি মিলে এক কেজি হয়, সেসব ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৯০০ টাকায়; আর চারটি মিলে এক কেজি হয়, এমন ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকায়।

যদিও বাজারে ছোট আকারের ইলিশও দেখা গেছে, তবে ব্যবসায়ীদের দাবি—এগুলো জাটকা নয় বরং ডিম ছাড়ার পর স্বাভাবিকভাবে ছোট দেখাচ্ছে।

সবুজ নামের এক মৎস্য ব্যবসায়ী বলেন, নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর প্রথম দুই দিন ইলিশের আমদানি ভালো ছিল। কিন্তু শুক্রবার বাজারে মাছ কম এসেছে, তাই দামও বেড়েছে। আমদানি বাড়লে আবার দাম কমবে।

রিপন হাওলাদার নামে এক ক্রেতা বলেন, নিষেধাজ্ঞার পর বাজারে ছিল পুরনো (নরম) মাছ। এখন তাজা মাছ আসছে, কিন্তু পরিমাণে কম এবং বড় আকারের একদমই নেই। বড় ইলিশ কিনতে গেলে ১০-১২টা মাছেই ২৮ হাজার টাকা লেগে যায়, তাও দেড় কেজির একটি ইলিশও পাইনি।

পাইকার মাসুম জানান, বর্তমানে নদীতে বড় ইলিশ ধরা পড়ছে না; কেজিতে চারটি হয় এমন সাইজের মাছই বেশি। ফলে বাজারে বড় ইলিশের সংকট তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখন বিভিন্ন নদীর তীরে ছোট ছোট মোকাম গড়ে উঠেছে, যেখান থেকে সরাসরি ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় ইলিশ যাচ্ছে। যেখানে দাম বেশি, ব্যবসায়ীরা সেখানেই মাছ দিচ্ছেন। এখন বেশি মাছ যাচ্ছে চাঁদপুর ও ঢাকায়। সময়ের সঙ্গে বরিশালেও সরবরাহ বাড়বে।