সুন্দরবনের খালে ভ্রমণের সময় অপহৃত দুই পর্যটক ও এক রিসোর্ট পরিচালককে উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। রোববার (০৪ ডিসেম্বর) রাতে কোস্টগার্ড ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে ওই তিনজনকে উদ্ধার করে বলে জানিয়েছেন খুলনার দাকোপ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান।
তিনি বলেন, যৌথ অভিযানে দাকোপের বানিয়াশান্তা ইউনিয়নে অবস্থিত রিসোর্টসংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে আগামীকাল প্রেসব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।

এর আগে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) নারী-পুরুষসহ চার পর্যটক ঢাকা থেকে সুন্দরবনে ঘুরতে আসেন। এদিন দুপুরে তারা সুন্দরবনের ঢাংমারী এলাকায় অবস্থিত ‘রিসোর্ট গোল কানন’-এ বুকিং নিয়ে রাত যাপনের জন্য ওঠেন। পরে বিকেলে ‘গোল কানন’ রিসোর্টের মালিক শ্রীপতি বাছাড়সহ চার পর্যটক নৌকায় চড়ে বনের ছোট খালে ঘুরতে বের হন। রিসোর্টসংলগ্ন ওই খাল থেকে নারীসহ পাঁচজনকে তুলে নেয় সশস্ত্র দস্যুরা। রাতে দুই নারী পর্যটককে রিসোর্টে ফিরিয়ে দেয় দস্যুরা। তবে রিসোর্ট মালিক ও দুই পুরুষ পর্যটককে জিম্মি করে রাখে তারা। অপহরণের পর দস্যুরা মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করেছিল বলে জানা গেছে। অপহরণের পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করে থানা পুলিশ, নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ড সদস্যরা।
অপহরণের শিকার সোহেল ও জনি নামের দুই পর্যটক ঢাকার বাসিন্দা। এ কারণে তাদের বিস্তারিত পরিচয় এবং ওই নারীদের পরিচয়ও স্পষ্ট করা যায়নি। তবে অপহরণের বিষয়টি নিয়ে প্রথম থেকেই রিসোর্ট মালিক ও রিসোর্ট মালিকদের সংগঠন এক ধরনের লুকোচুরি করে আসছিল। বন বিভাগের দাবি, ওই পর্যটকরা অনুমতি ছাড়াই সুন্দরবনে প্রবেশ করেছিলেন।সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) দ্বীপন চন্দ্র দাস বলেন, ওই পর্যটকরা কোনো অনুমতি না নিয়েই বনে প্রবেশ করেছিলেন। ওই রিসোর্ট মালিক কেন এমনটি করলেন, সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 























