ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

৫১ মণ নকল মধু জব্দ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৭:৪০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে

চিনি, ফিটকারি ও কেমিকেল মিশিয়ে নকল মধু তৈরি করে দীর্ঘদিন ধরে বাজারজাত করে আসছিলেন রমজান আলী নামে এক ব্যবসায়ী। এমন অভিযোগে ৫১ মণ নকল মধুসহ ওই ব্যবসায়ীকে আটক করে এলাকাবাসী। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ওই মধু জব্দ করেন।

তবে রমজান আলী পালিয়ে যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি প্রশাসন। এর আগেও রমজান আলী নকল মধুসহ পুলিশের হাতে আটক হয়ে কারাভোগ করেন।ঘটনাটি ঘটে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নে দুধবাড়িয়া গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের বড়পুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা রমজান আলী মৌমাছি চাষের সঙ্গে জড়িত। মূলত তিনি মৌচাষকে কেন্দ্র করে নকল মধু তৈরি করে বাজারজাত করেন। চিনি ও ফিটকিরিসহ বিভিন্ন ধরনের কেমিকেল মিশিয়ে তিনি মধু তৈরি করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা এই অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ। এতে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন তারা।

এদিকে সোমবার রাতে খানমরিচ ইউনিয়নের দুধবাড়িয়া গ্রামে মৌমাছি খামারের পাশে ১ মেট্রিক টন মধু বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে মধু তৈরি শুরু করে রমজান আলী। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা জানতে পেরে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৫০ কেজি নকল মধুসহ রমজান আলীকে আটক করে। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। কিন্তু পুলিশ ও প্রশাসন পৌঁছানোর আগে রমজান আলী পালিয়ে যায়। পরে প্রশাসন রমজান আলীকে না পেয়ে মধু একটি খালে ঢেলে দেন এবং খালি ড্রাম স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেনকে এতিমখানা মাদরাসায় দিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন বলেন, রমজান আলী দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসা করছে। এলাকাবাসীর সচেতনতায় সে ধরা পড়েছে। ভবিষ্যতে তিনি যেন এ কাজ করতে না পারেন তার ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান বলেন, স্থানীয় বাসিন্দারা নকল মধু তৈরিকারী রমজান আলীর নাম বললেও ঘটনাস্থলে তাকে পাওয়া যায়নি। তাই ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে শাস্তি দেওয়া যায়নি। তবে পুলিশকে তার ওপর নজর রাখতে বলা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

৫১ মণ নকল মধু জব্দ

প্রকাশিত : ০৭:৪০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

চিনি, ফিটকারি ও কেমিকেল মিশিয়ে নকল মধু তৈরি করে দীর্ঘদিন ধরে বাজারজাত করে আসছিলেন রমজান আলী নামে এক ব্যবসায়ী। এমন অভিযোগে ৫১ মণ নকল মধুসহ ওই ব্যবসায়ীকে আটক করে এলাকাবাসী। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ওই মধু জব্দ করেন।

তবে রমজান আলী পালিয়ে যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি প্রশাসন। এর আগেও রমজান আলী নকল মধুসহ পুলিশের হাতে আটক হয়ে কারাভোগ করেন।ঘটনাটি ঘটে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নে দুধবাড়িয়া গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের বড়পুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা রমজান আলী মৌমাছি চাষের সঙ্গে জড়িত। মূলত তিনি মৌচাষকে কেন্দ্র করে নকল মধু তৈরি করে বাজারজাত করেন। চিনি ও ফিটকিরিসহ বিভিন্ন ধরনের কেমিকেল মিশিয়ে তিনি মধু তৈরি করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা এই অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ। এতে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন তারা।

এদিকে সোমবার রাতে খানমরিচ ইউনিয়নের দুধবাড়িয়া গ্রামে মৌমাছি খামারের পাশে ১ মেট্রিক টন মধু বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে মধু তৈরি শুরু করে রমজান আলী। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা জানতে পেরে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৫০ কেজি নকল মধুসহ রমজান আলীকে আটক করে। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। কিন্তু পুলিশ ও প্রশাসন পৌঁছানোর আগে রমজান আলী পালিয়ে যায়। পরে প্রশাসন রমজান আলীকে না পেয়ে মধু একটি খালে ঢেলে দেন এবং খালি ড্রাম স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেনকে এতিমখানা মাদরাসায় দিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন বলেন, রমজান আলী দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসা করছে। এলাকাবাসীর সচেতনতায় সে ধরা পড়েছে। ভবিষ্যতে তিনি যেন এ কাজ করতে না পারেন তার ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান বলেন, স্থানীয় বাসিন্দারা নকল মধু তৈরিকারী রমজান আলীর নাম বললেও ঘটনাস্থলে তাকে পাওয়া যায়নি। তাই ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে শাস্তি দেওয়া যায়নি। তবে পুলিশকে তার ওপর নজর রাখতে বলা হয়েছে।