ভারতের বিপক্ষে চলমান ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত হেরেছিল নিউজিল্যান্ড। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে এসে ঠিকই জয়ের দেখা পেল কিউইরা। রাজকোটে স্বাগতিকদের ৭ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল মাইকেল ব্রেসওয়েলের দল।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান করে ভারত। দলের হয়ে অপরাজিত সেঞ্চুরি করেন লোকেশ রাহুল। জবাবে খেলতে নেমে ৪৭ ওভার ৩ বলে ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড।
২৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি নিউজিল্যান্ডের। ১৬ রান করে ডেভন কনওয়ে সাজঘরে ফিরলে ভাঙে ২২ রানের উদ্বোধনী জুটি। আরেক ওপেনার হেননিকোলস করেছেন মাত্র ১০ রান।
৪৬ রানে ২ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন উইল ইয়াং ও ড্যারিল মিচেল। দুজনে মিলে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১৬২ রান যোগ করে দলকে জয়ের ভিত গড়ে দেন। দারুণ ব্যাটিং করলেও সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেছেন ইয়াং। তার ব্যাট থেকে এসেছে ৮৭ রান।

ইয়াং মিস করলেও ঠিকই সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মিচেল। ১১৭ বলে অপরাজিত ১৩১ রান করেছেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটার। এ ছাড়া ২৫ বলে ৩২ রানে অপরাজিত ছিলেন গ্লেল ফিলিপস।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো সূচনা পায় ভারত। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৭০ রান। ৩৮ বলে ২৪ রান করে আউট হন রোহিত শর্মা। এদিকে ফিফটির দেখা পেয়েছেন আরেক ওপেনার শুবমান গিল। সাজঘরে ফেরার আগে করেন ৫৬ রান।
ব্যাট হাতে খুব বেশি সুবিধা করতে পারেননি বিরাট কোহলি। তার ব্যাট থেকে আসে ২৯ বলে ২৩ রান। আর মাত্র ৮ রান করেই ফেরেন শ্রেয়াস আইয়ার।
এরপর রবীন্দ্রো জাদেজা ও নিতিশ কুমার রেড্ডিকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় স্কোর বড় করতে থাকেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার লোকেশ রাহুল। আপনতালে খেলতে থাকা এই ব্যাটার ফিফটির পর ব্যক্তিগত সেঞ্চুরিও তুলে নেন। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ১১২ রানে। মাত্র ৯২ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি ১১টি চার ও একটি ছয়ে সাজানো। এ ছাড়া জাদেজা ২৭, নিতিশ ২০ ও হারসিত রানা ২ রান করেন। আর ২ রানে অপরাজিত থাকেন মোহাম্মদ সিরাজ।
নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে সফল বোলার ক্রিস্টিয়ান ক্লার্ক। সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন তিনি। এছাড়া একটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন চারজন বোলার।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















