ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের লক্ষ্য বিশ্বকাপ ও অলিম্পিক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৩:২৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

আগামী ১-২১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ায় নারী এশিয়া কাপের আসর বসবে। এবার প্রথমবার এশিয়া কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। মহাদেশীয় এই প্রতিযোগিতায় অন্তত ষষ্ঠ স্থান অর্জন করলে ২০২৭ সালে ফিফা নারী বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ রয়েছে। ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিকে এশিয়ান নারী ফুটবলে অংশগ্রহণের অন্যতম ধাপও আসন্ন এশিয়া কাপ।

এশিয়া কাপের ফরম্যাটও বাংলাদেশের জন্য আশাব্যাঞ্জক। ১২ দল তিন গ্রুপে বিভক্ত। প্রতি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপের পাশাপাশি তৃতীয় স্থানে থাকা সেরা দুই দলও কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে। বাংলাদেশের গ্রুপে উত্তর কোরিয়া ও চীনের মতো প্রবল শক্তিশালী দলের পাশাপাশি রয়েছে প্রায় কাছাকাছি অবস্থানে থাকা উজবেকিস্তানও। যারা দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নেপালকে হারিয়ে দুই দশক পর আবার এশিয়া কাপে উঠেছে। উজবেকিস্তানকে হারালে ‘বি’ গ্রুপের তৃতীয় স্থান নিশ্চিত। পাশাপাশি ‘এ’ এবং ‘সি’ গ্রুপ মিলিয়ে দুইয়ে থাকলে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলতে পারবেন ঋতুপর্ণারা।

এশিয়া কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠা দলগুলো লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিকে এশিয়ার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য আলাদা একটি টুর্নামেন্টে লড়তে পারে। কোয়ার্টার ফাইনালে পরাজিত হলে ঋতুপর্ণারা খেলবেন পঞ্চম-ষষ্ঠ স্থান নির্ধারণী ম্যাচে। সেই ম্যাচ জিতলেই প্রথমবারের মতো ফিফা বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ।

ঋতুপর্ণা-আফিদাদের সামনে বিশ্বকাপ ও অলিম্পিকে খেলার হাতছানি। ফুটবলার-কোচিং স্টাফের ধ্যানজ্ঞানই হওয়ার কথা অস্ট্রেলিয়া এশিয়া কাপ। টুর্নামেন্টের এক মাসেরও একটু বেশি সময় বাকি থাকতে ফুটবলাররা নামকাওয়াস্তের ঘরোয়া লিগে ব্যস্ত আর প্রধান কোচ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাফ টুর্নামেন্ট নিয়ে। ৩১ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি নেপালের পোখরায় চার জাতির সাফ নারী টুর্নামেন্ট। সেই টুর্নামেন্টে হেড কোচ হিসেবে যাচ্ছেন পিটার বাটলার। অথচ তার এই সময়ে এশিয়া কাপ নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ এবং দল নিয়ে অনুশীলনে ব্যস্ত থাকার কথা।

সিনিয়র নারী সাফে বাংলাদেশ দুই বার টানা চ্যাম্পিয়ন। সিনিয়রের পাশাপাশি বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টেও অসংখ্যবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। সাফের সাত দেশের মধ্যে মাত্র চার দেশ খেলছে অ-১৯ টুর্নামেন্ট। উন্নয়নমূলক টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার চেয়ে এশিয়া কাপের নিবিড় প্রস্তুতি বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং যৌক্তিক। এরপরও কেন এশিয়া কাপের এক মাস আগে সিনিয়র দলের কোচ পিটার বাটলারই অ-১৯ দলের হেড কোচ? বাফুফের নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফেরার পথে থাকায় উত্তর পাওয়া যায়নি।

পিটার বাটলার যখন পোখরায় আলপিদের অনুশীলন করাবেন তখন ঢাকায় ঋতুপর্ণাদের দেখভাল করবেন অস্ট্রেলিয়ান ফিটনেস ট্রেইনার লর্ড ম্যাকরন। তিনি ফিটনেসের ওপর কাজ এবং বাটলারের নির্দেশনা অনুসরণ করলেও হেড কোচের অনুপস্থিতি থাকবে। অ-১৯ দল টুর্নামেন্ট শেষে দেশে ফেরার পর আবার ঋতুপর্ণারা ক্লাবে ফিরবেন। লিগের শেষ ম্যাচ ১৩ ফেব্রুয়ারি। দু’দিন পর এশিয়া কাপের প্রস্তুতির জন্য থাইল্যান্ড যাওয়ার কথা। বিশ্বকাপ ও অলিম্পিককে লক্ষ্য রেখে মূলত মাত্র দুই সপ্তাহের অনুশীলন ও সম্ভাব্য দু’টি অনুশীলন ম্যাচই ভরসা। যা যথেষ্ট কি না সেই উত্তর মিলবে ৯ মার্চ পার্থে উজবেকিস্তান ম্যাচের পরই।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের লক্ষ্য বিশ্বকাপ ও অলিম্পিক

প্রকাশিত : ০৩:২৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

আগামী ১-২১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ায় নারী এশিয়া কাপের আসর বসবে। এবার প্রথমবার এশিয়া কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। মহাদেশীয় এই প্রতিযোগিতায় অন্তত ষষ্ঠ স্থান অর্জন করলে ২০২৭ সালে ফিফা নারী বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ রয়েছে। ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিকে এশিয়ান নারী ফুটবলে অংশগ্রহণের অন্যতম ধাপও আসন্ন এশিয়া কাপ।

এশিয়া কাপের ফরম্যাটও বাংলাদেশের জন্য আশাব্যাঞ্জক। ১২ দল তিন গ্রুপে বিভক্ত। প্রতি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপের পাশাপাশি তৃতীয় স্থানে থাকা সেরা দুই দলও কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে। বাংলাদেশের গ্রুপে উত্তর কোরিয়া ও চীনের মতো প্রবল শক্তিশালী দলের পাশাপাশি রয়েছে প্রায় কাছাকাছি অবস্থানে থাকা উজবেকিস্তানও। যারা দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নেপালকে হারিয়ে দুই দশক পর আবার এশিয়া কাপে উঠেছে। উজবেকিস্তানকে হারালে ‘বি’ গ্রুপের তৃতীয় স্থান নিশ্চিত। পাশাপাশি ‘এ’ এবং ‘সি’ গ্রুপ মিলিয়ে দুইয়ে থাকলে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলতে পারবেন ঋতুপর্ণারা।

এশিয়া কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠা দলগুলো লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিকে এশিয়ার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য আলাদা একটি টুর্নামেন্টে লড়তে পারে। কোয়ার্টার ফাইনালে পরাজিত হলে ঋতুপর্ণারা খেলবেন পঞ্চম-ষষ্ঠ স্থান নির্ধারণী ম্যাচে। সেই ম্যাচ জিতলেই প্রথমবারের মতো ফিফা বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ।

ঋতুপর্ণা-আফিদাদের সামনে বিশ্বকাপ ও অলিম্পিকে খেলার হাতছানি। ফুটবলার-কোচিং স্টাফের ধ্যানজ্ঞানই হওয়ার কথা অস্ট্রেলিয়া এশিয়া কাপ। টুর্নামেন্টের এক মাসেরও একটু বেশি সময় বাকি থাকতে ফুটবলাররা নামকাওয়াস্তের ঘরোয়া লিগে ব্যস্ত আর প্রধান কোচ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাফ টুর্নামেন্ট নিয়ে। ৩১ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি নেপালের পোখরায় চার জাতির সাফ নারী টুর্নামেন্ট। সেই টুর্নামেন্টে হেড কোচ হিসেবে যাচ্ছেন পিটার বাটলার। অথচ তার এই সময়ে এশিয়া কাপ নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ এবং দল নিয়ে অনুশীলনে ব্যস্ত থাকার কথা।

সিনিয়র নারী সাফে বাংলাদেশ দুই বার টানা চ্যাম্পিয়ন। সিনিয়রের পাশাপাশি বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টেও অসংখ্যবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। সাফের সাত দেশের মধ্যে মাত্র চার দেশ খেলছে অ-১৯ টুর্নামেন্ট। উন্নয়নমূলক টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার চেয়ে এশিয়া কাপের নিবিড় প্রস্তুতি বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং যৌক্তিক। এরপরও কেন এশিয়া কাপের এক মাস আগে সিনিয়র দলের কোচ পিটার বাটলারই অ-১৯ দলের হেড কোচ? বাফুফের নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফেরার পথে থাকায় উত্তর পাওয়া যায়নি।

পিটার বাটলার যখন পোখরায় আলপিদের অনুশীলন করাবেন তখন ঢাকায় ঋতুপর্ণাদের দেখভাল করবেন অস্ট্রেলিয়ান ফিটনেস ট্রেইনার লর্ড ম্যাকরন। তিনি ফিটনেসের ওপর কাজ এবং বাটলারের নির্দেশনা অনুসরণ করলেও হেড কোচের অনুপস্থিতি থাকবে। অ-১৯ দল টুর্নামেন্ট শেষে দেশে ফেরার পর আবার ঋতুপর্ণারা ক্লাবে ফিরবেন। লিগের শেষ ম্যাচ ১৩ ফেব্রুয়ারি। দু’দিন পর এশিয়া কাপের প্রস্তুতির জন্য থাইল্যান্ড যাওয়ার কথা। বিশ্বকাপ ও অলিম্পিককে লক্ষ্য রেখে মূলত মাত্র দুই সপ্তাহের অনুশীলন ও সম্ভাব্য দু’টি অনুশীলন ম্যাচই ভরসা। যা যথেষ্ট কি না সেই উত্তর মিলবে ৯ মার্চ পার্থে উজবেকিস্তান ম্যাচের পরই।